Sunday, February 28, 2016

পুষ্টিগুণে ও স্বাস্থ্যসুরক্ষায় বরই সেরা

  • Share The Gag
  • বাজারে এখন পাওয়া যাচ্ছে হরেক রকম স্বাদের এবং আকারের বরই। টক মিষ্টি স্বাদের বরই কার না পছন্দ। বসন্তের এই উচাটন দুপুরে লবণ মরিচের গুড়া দিয়ে বরই ভর্তা অনেকের মন টানে। অবসরে বরইয়ের আচার সঙ্গ দেয় মনকাড়া আস্বাদনে। ফলটি খেতেই শুধু অতুলনীয় নয় পুষ্টিগুণেও সেরা।


    প্রতি ১০০ গ্রাম খাবার উপযোগী বরইয়ে রয়েছে খাদ্যশক্তি ৭৯ কিলোক্যালরি, শর্করা ২০.২৩ গ্রাম, চর্বি ০.২ গ্রাম, আমিষ ১.২ গ্রাম, জলীয় অংশ ৭৭.৮৬ গ্রাম, ভিটামিন এ ৪০ আইইউ, থায়ামিন ০.০২ মিলিগ্রাম, রিবোফ্লাভিন ০.০৪ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন ০.৯ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি৬ ০.০৮১ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৬৯ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ২১ মিলিগ্রাম, আয়রন ০.৪৮ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ১০ মিলিগ্রাম, ম্যাংগানিজ ০.০৮৪ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২৩ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ২৫০ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ৩ মিলিগ্রাম, জিংক ০.০৫ মিলিগ্রাম।


    পুষ্টিগুণ ছাড়াও বরইয়ের রয়েছে অনেক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা।নিচে কয়েকটি কথা দেখে নিতে পারেন এক নজড়ে।


    ১. বরইয়ে থাকা খাদ্যশক্তি শরীরের দুর্বলতা কাটিয়ে তুলতে সহায়তা করে।

    ২. এতে উপস্থিত পর্যাপ্ত পরিমান ভিটামিন এ চোখের যত্নে দারুণ ভাবে কাজ করে। দৃষ্টিশক্তি শক্তিশালী করতে এর জুড়ি নেই।

    ৩. রক্তশুন্যতা দূর করতেও বরই বেশ কার্যকরী।

    ৪. হাড়ের গঠনে বরইয়ে থাকা ক্যালসিয়াম সাহায্য করে।

    ৫. বরইয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। ভিটামিন সি ইনফেকশনজনিত রোগ যেমন টনসিলাইটিস, ঠোঁটের কোণে ঘা, জিহ্বাতে ঘা, ঠোঁটের চামড়া উঠে যাওয়া ইত্যাদি দূর করে।

    ৬. বরইয়ে উপস্থিত অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উচ্চ মাত্রার ক্ষমতা সম্পন্ন। এই উপাদান ক্যানসার কোষ, টিউমার কোষ ও লিউকেমিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে।

    ৭. যকৃতের নানা রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে বরই। এই ফল যকৃতের কাজ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

    ৮. বরই অত্যন্ত চমৎকার একটি রক্ত বিশুদ্ধকারক। উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বরই খুবই উপকারী ফল। ডায়রিয়া, ক্রমাগত মোটা হয়ে যাওয়া, রক্তশূন্যতা, ব্রঙ্কাইটিস ইত্যাদি রোগ খুব দ্রুত সারিয়ে তোলে এই ফল।

    ৯. হজম শক্তি বৃদ্ধি ও খাবারে রুচি বাড়িয়ে তোলাসহ এ ফল মৌসুমি জ্বর, সর্দি-কাশিও প্রতিরোধ করে।



    সূত্র: ইত্তেফাক

    লাউয়ের বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতা

  • Share The Gag
  • লাউ আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় তরকারি। লাউ একই সঙ্গে সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর একটি সবজি। ঝোল, লাবড়া, নিরামিষ, ভাজি কিংবা সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায় এই তরকারি।

    প্রতি ১০০ গ্রাম লাউয়ে আছে, কার্বোহাইড্রেট- ২.৫ গ্রাম, প্রোটিন- ০.২ গ্রাম, ফ্যাট- ০.৬ গ্রাম, ভিটামিন-সি- ৬ গ্রাম, ক্যালসিয়াম- ২০ মি.গ্রা.,ফসফরাস- ১০ মি.গ্রা.,পটাশিয়াম- ৮৭ মি.গ্রা., নিকোটিনিক অ্যাসিড- ০.২ মি.গ্রা.। এছাড়াও লাউয়ে রয়েছে খনিজ লবন, ভিটামিন বি-১, বি-২, আয়রন।

    ওজন কমাতে



    আপনি যদি ওজন কমানোর কথা ভেবে থাকেন তাহলে খাবার তালিকায় লাউ রাখুন। লাউ একটি কম ক্যালোরি সম্পন্ন ডায়েট। লাউয়ের ৯৬% হলো পানি। লাউয়ে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার থাকে এবং খুবই কম ক্যালোরি থাকে যা ওজন কমাতে অত্যন্ত সহায়ক। তাই ওজন কমানোর চিন্তা করছেন যারা তাঁরা বেশি করে লাউ খান। তাহলে শরীরে কম ক্যালোরি যুক্ত হবে এবং পেটও ভরবে।

    হজমে সাহায্য করে


    লাউয়ে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় এবং অদ্রবনীয় ফাইবার আছে। দ্রবণীয় ফাইবার খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে এবং হজম সংক্রান্ত সকল সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে। এছাড়াও নিয়মিত লাউ খেলে অ্যাসিডিটি ও কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যার সমাধান করে। অদ্রবণীয় ফাইবার পাইলসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

    শরীর ঠান্ডা করে


    যেহেতু লাউ এর মূল উপাদান হলো পানি তাই লাউ খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে। যারা নিয়মিত সূর্যের আলোতে কাজ করে অথবা দীর্ঘক্ষন ধরে রোদে কাজ করার পর লাউ তরকারী খেলে শরীর বেশ ঠান্ডা হয় এবং শরীরের ভেতরের অস্বস্তি লাগা কমে। গরমের কারণে আমাদের শরীর থেকে যে পানি বের হয়ে যায় লাউ সেটার অনেকটাই পূরণ করে ফেলে। ফলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে যায়।

    ত্বক ভালো করে


    লাউয়ে আছে প্রাকৃতিক প্রোটিন ও ভিটামিন। তাই নিয়মিত লাউ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে ত্বক ভেতর থেকে ভালো হয়। এছাড়াও যাদের ত্বক তৈলাক্ত তাদের ত্বকের তৈলাক্ততার সমস্যা অনেকটাই কমে যায় লাউ খেলে। এছাড়াও লাউ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে পেট পরিষ্কার রাখে। ফলে মুখে ব্রণ ওঠার প্রবণতাও কমে যায় অনেকটাই।

    পানিশূন্যতা দূর করে



    জ্বর, ডায়রিয়া ও অন্যান্য বড় ধরণের অসুখে শরীরে পানির অভাব দেখা দেয়। প্রচুর পরিমাণে পানি বের হয়ে যায় বলে পানি শূন্যতার সৃষ্টি হয় এবং তা কিডনির উপর প্রভাব ফেলে। তাই এ ধরণের অসুখের সময় প্রচুর পরিমাণে লাউ খেলে শরীরের পানিশূন্যতা দূর হয়ে যায় এবং শরীর সতেজ থাকে।

    প্রসাবের জ্বালা পোড়া কমায়


    লাউয়ে প্রচুর পরিমাণে পানি আছে। তাই যাদের প্রসাবে জ্বালা পোড়ার সমস্যা আছে কিংবা প্রসাব হলদে হয় তাদের নিয়মিত লাউ খাওয়া উচিত। নিয়মিত লাউ খেলে এধরণের সমস্যা থেকে নিস্তার পাওয়া যাবে।

     

    ব্রণ থেকে বাঁচাবে ত্রিফলা

  • Share The Gag
  • ত্রিফলা বাজারে শুষ্ক ফলের মতো অবস্থায় পাওয়া যায়। অনেক কোম্পানি এটিকে নানা ভাবে প্রক্রিয়াজাত করেন ও বিক্রি করেন।

    তবে সবচেয়ে নিরাপদ হল যদি শুষ্ক ফল এর মত অবস্থায় ত্রিফলা ব্যববার করেন। ত্রিফলা হল ৩ টি ফলের মিশ্রন।
    এতে থাকে আমলকি, হরিতকি, বিভিতকি। ব্রণের সমস্যা দূর করতে এটি নিয়মিত খেতে পারেন।

    যেভাবে খাবেন:
    ত্রিফলার মিশ্রণের একটি অংশ (যাতে অন্তত ১ টি হরিতকি, ১ টি বিভিতকি ও ২ টি আমলকি থাকে) গুড়া করে রাতে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সকালে খালি পেটে রসটুকু ছেঁকে খেয়ে নিতে হবে। খাওয়ার পর অন্তত ১০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে নাস্তা করার জন্য।

    ব্রণ দূর করার আরো একটি উপায়:
    ব্রণের দাগ ও ব্রণের উপর লবঙ্গ বেটে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রাখবেন। ১ দিন পর পর টানা ১ মাস এভাবে লাগালে দাগ কমে যাবে। লবঙ্গে ঝাঁঝ থাকে বলে লাগানোর প্রথম ৫-৭ মিনিট ত্বক জ্বলবে, কিন্তু এতে ঘাবড়ে যাবেন না। কিছুক্ষণ পর জ্বলা ঠিক হয়ে যাবে। প্রতিবারই এমন হবে। লবঙ্গ বাটার সময় এতে একটু পানি মিশিয়ে নিবেন।

    সূত্রঃ ভোরের কাগজ

    নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পানের কয়েকটি উপকারিতা

  • Share The Gag
  • অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬ ও বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা-


    ১। হার্ট সুস্থ রাখতে

    আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।


    ২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ

    অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।


    ৩। দাঁতের যত্নে

    অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।


    ৪। ওজন হ্রাস করতে

    ওজন কমাতে অ্যালভেরা জুস বেশ কার্যকরী। ক্রনিক প্রদাহের কারণে শরীরে মেদ জমে। অ্যালোভেরা জুসের অ্যাণ্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান এই প্রদাহ রোধ করে ওজন হ্রাস করে থাকে। পুষ্টিবিদগণ এই সকল কারণে ডায়েট লিস্টে অ্যালোভেরা জুস রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।


    ৫। হজমশক্তি বাড়াতে

    হজমশক্তি বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা জুসের জুড়ি নেই। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া রোধ করে। যা হজমশক্তি বাড়িয়ে থাকে।


    ৬। ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে

    অ্যালোভেরা জুস রক্তে সুগারের পরিমাণ ঠিক রাখে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে। ডায়াবেটিসের শুরুর দিকে নিয়মিত এর জুস খাওয়া গেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব। খাওয়ার আগে বা খাওয়ার পরে নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস পান করুন।


    ৭। ত্বকের যত্নে

    ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরার ব্যবহার সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। এর অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরি উপাদান ত্বকের ইনফেকশন দূর করে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়।


    সূত্র: ইত্তেফাক

    লবঙ্গের বিস্ময়কর ১১ গুণ

  • Share The Gag
  • লবঙ্গ একটি মশলা হিসেবে প্রায় সব রান্নায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। মূলত রান্নার স্বাদ বৃদ্ধির জন্য লবঙ্গ ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি রান্নায় ব্যবহার ছাড়াও এই লবঙ্গের আছে নানা স্বাস্থ্যগুণ? অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, জিঙ্ক, ভিটামিন এ, ভিটামিন কে, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন বি সমৃদ্ধ একটি মশলা লবঙ্গ। দেখে নিন বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা দূর করতে এর ব্যবহার।

    ১। বদহজম দূর করতে লবঙ্গ খুব ভালো কাজ করে। এনজাইম বৃদ্ধি করে পেটের গ্যাস, বমি বমি ভাব, পেট ব্যথা কমিয়ে দেয়। লবঙ্গের গুঁড়ো মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে গ্যাসের সমস্যা দূর হয়ে যায়।

    ২। হঠাৎ শুরু হওয়া দাঁতের ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা এই লবঙ্গ। লবঙ্গের তেল এক টুকরো তুলোতে লাগিয়ে ব্যথার দাঁতের উপর রেখে দিন। এটি দাঁতের ব্যথা দূর করে ইনফেকশন হওয়া থেকে দাঁতকে রক্ষা করবে।

    ৩। উচ্চ ডায়াবেটিস রোগিদের জন্য লবঙ্গ অনেক উপকারি। এটি শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রেখে শরীরের রক্ত থেকে কোষের মধ্যে বাড়তি চিনি পরিবহন করতে সাহায্য করে, নিয়মিত লবঙ্গ খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে।

    ৪। গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গে ইউজিনল এবং ইউজিনল ডেরিভাটিভস যা হাড়ে ঘনত্ব এবং মিনারেল বৃদ্ধি করে থাকে। নারীরা এবং বয়স্ক মানুষদের নিয়মিত লবঙ্গ খেলে হাড়ের সমস্যা অনেকটা কমে যায়।

    ৫। পেশীর প্রদাহ এবং বাতের ব্যথা দূর করতেও লবঙ্গের জুড়ি নেই। বাতের ব্যথার স্থানে লবঙ্গের তেল ম্যাসাজ করুন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যে ব্যথা কমে গেছে।

    ৬। এক গ্লাস দুধে লবঙ্গের গুঁড়ো এবং লবণ মিশিয়ে পান করুন। এটি মাথা ব্যথা দ্রুত দূর করে দিবে।

    ৭। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ লবঙ্গ লিভার আক্রান্ত হতে পারে এমন উপাদানসমূহ ধ্বংস করে থাকে। ফলে নিয়মিত লবঙ্গ খেলে লিভার সুস্থ থাকে। এছাড়া লবঙ্গ ব্রেস্ট ক্যান্সার, ওভারিয়ান ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে।

    ৮। তুলসি, পুদিনা, এলাচ ও লবঙ্গ মেশানো পানির শরবত মানসিক চাপ দূর করতে সহায়তা করে।

    ৯। লবঙ্গ ব্রণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ব্রণের দাগ দূর করতেও লবঙ্গের পেস্ট খুব কার্যকর।

    ১০। লবঙ্গ শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদানগুলো সরিয়ে রক্তকে পরিশোধন করতে ভূমিকা রাখে।

    ১১। লবঙ্গের তেলের জীবাণুনাশক গুণ রয়েছে। এটি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করতে খুবি কার্যকর।

     

    চুল পড়া রোধে কার্যকরী পাতা

  • Share The Gag
  • আপনি কি চুল পড়া সমস্যায় ভূগছেন? এ সমস্যা এখন অনেকেরই রয়েছে। চুল পড়তে পড়তে অনেকে টাক হয়ে গেছেন।এ থেকে উত্তরণে আমরা কত কিছুই না ব্যবহার করে থাকি।

    অনেকেই ঝরে পড়া চুল নতুন করে গজানোর আশায় বিভিন্ন কোম্পানির উর্ভরজাত পণ্য বা ওষুধ ব্যবহার করেন। চুল না থাকা সত্ত্বেও মাথার পরিপূর্ণ সৌন্দর্য ধরে রাখতে কেউ কেউ নকল চুলও ব্যবহার করেন। যাহোক, চুল পড়া ঠেকাতে পেয়ারা পাতা বেশ কার্যকরী বলে একদল বিজ্ঞানীর মত। চুল পড়া রোধে পেয়ারা পাতার ব্যবহার সবচেয়ে কার্যকরী এবং প্রাকৃতিক উপায় বলে বর্ণনা করেছেন তারা।

    গবেষকদের দাবি, পেয়ারা পাতা নিয়মিত ব্যবহারের ফলে মাথার চুলের ঝরে পড়া রোধ হয় এবং চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। পেয়ারা পাতায় রয়েছে প্রচুর ভিটামিন বি যা স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য খুবই উপকারী।

    তাদের আরো দাবি, পেয়ারা পাতা অবশ্যই মাথার চুল ঝরে পড়া রোধ করবে। সেইসঙ্গে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। এটি চুলের সংযুক্তিস্থল অর্থাৎ গ্রন্থিকোষ ও শিখড়কে অনেক শক্ত করে।

    ব্যবহারের বিধিমালা :

    কয়েকটি পেয়ারা পাতা পরিষ্কার পানিতে ২০ মিনিট সিদ্ধ করার পর এর সঙ্গে ঠাণ্ডা পানির মিশ্রণ দিতে হবে। এরপর তা মাথার খুলিতে দিয়ে এক ঘণ্টা পর মাথা পরিষ্কার করতে হবে। এই পদ্ধতিতে ভালো ফল পাওয়ার জন্য রাতে ঘুমানোর আগে করাই শ্রেয়।

    Source-bd24live

    Friday, February 26, 2016

    আলু সংরক্ষণ পদ্ধতি

  • Share The Gag
  • হিমাগারে (Cold Storage) আলু সংরক্ষণ


    বীজ আলু অবশ্যই হিমাগারে রাখতে হবে। হিমকক্ষে নেয়ার আগে বীজ আলু ২৪-৪৮ ঘন্টা ১৫-১৮ ডিগ্রী সে. তাপমাত্রায় প্রিকুলিং চেম্বারে রাখতে হবে। এরপর হিমকক্ষে নিয়ে র‌্যাকের উপর বস্তা সারি করে রেখে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমিয়ে ২.৮-৩.৫ ডিগ্রী সে. তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হয়। এ সময় আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৮৫-৯০% বজায় রাখতে হবে। সংরক্ষণের সময় ২/৩ বার বস্তা উল্টিয়ে দিলে আলু ভাল থাকে এবং অঙ্কুরিত হয় না। হিমকক্ষে অন্ততঃ সপ্তাহে একবার মুক্তবাতাস দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।


    কৃষক পর্যায়ে (Farmer’s House) আলু সংরক্ষণ


    আলু সংরক্ষণের জন্য হিমাগার সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান। তবে কয়েকটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখলে ঘরেই ৫-৬ মাস ভালভাবে আলু সংরক্ষণ করা যায়। এ বিষয়গুলো হলো, মেঘলা বা বৃষ্টির দিনে আলু তোলা ঠিক না। সকালের সময়ে আলু উঠানো ভাল। আলু সম্পূর্ণভাবে পরিপক্ক হলে তুলতে হয়। আলু উঠানোর ৭-১০ দিন আগে গাছের গোড়া কেটে ফেলা দরকার। আলু তোলার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন কোদাল বা লাঙ্গলের আঘাতে আলু কেটে না যায়। আলু তোলা শেষ হলে তা পরিবহণের সময় চটের বস্তা ব্যবহার করা ভাল। সাধারণত বস্তায় আলু ভরার সময় প্লাস্টিকের ঝুড়ি বা গামলা ব্যবহার করা উত্তম। আলু সংগ্রহ শেষে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাড়িতে নেয়া দরকার। যদি কোন কারণে ক্ষেতে আলু রাখতে হয় তা হলে ছায়াযুক্ত জায়গায় রেখে পাতলা কাপড়/খড় দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। বাড়িতে এর আলু পরিস্কার, শুকনো ছায়াযুক্ত জায়গায় রাখতে হয়। আলু সংগ্রহ করা সম্পূর্ণ শেষ হলে ১-৭ দিন পরিষ্কার ঠান্ডা জায়গায় আলু বিছিয়ে রেখে পাতলা কাপড় দিয়ে ঢেকে রেখে কিউরিং করা দরকার। এতে করে আলুর গায়ের ক্ষত সেরে যাবে ও পোকার আক্রমণ থেকে সংগৃহীত আলু রক্ষা পাবে। এ প্রক্রিয়াকে আলু কিউরিং বলে।


    সংরক্ষণের আগে কাটা, ফাটা, সবুজ, রোগাক্রান্ত আলু বাছাই করতে হয়। সংগ্রহের ৭-১০ দিনের ভেতর আলু পরিষ্কার করে আকার অনুযায়ী (বড়, মাঝারি, ছোট) গ্রেডিং করতে হবে। বাছাই করা আলু ঠান্ডা ও বাতাসযুক্ত ঘরে সংরক্ষণ করতে হয়। সংরক্ষিত আলু ১০-১৫ সে.মি উঁচু করে মেঝেতে বিছিয়ে রাখতে হবে। এ ছাড়া বাঁশের তৈরি মাচায়, ঘরের তাকে বা চৌকির নিচেও আলু বিছিয়ে রাখা যায়। সংরক্ষিত আলু ১০-১৫ দিন পর নিয়মিত বাছাই করা দরকার। রোগাক্রান্ত, পোকা লাগা ও পচা আলু দেখা মাত্র ফেলে দিতে হবে। আলুতে সুতলি পোকা দেখা গেলে সাথে সাথে বাছাই করে অনেক দূরে গর্ত করে পুঁতে ফেলা দরকার।