Showing posts with label গবাদিপশুর রোগ বালাই. Show all posts
Showing posts with label গবাদিপশুর রোগ বালাই. Show all posts

Sunday, May 14, 2017

ছাগল ও ভেড়ার পিপিয়ার

  • Share The Gag
  • ​পি পি আর 

    ইহা ভাইরাসজনিক একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। সকল বয়সের ছাগল-ভেড়া এ রোগে আক্রান্ত হয় এবং আমাদের দেশে ছাগলের এ রোগ যথেষ্ট হয়ে থাকে। 

    লক্ষণঃ 
    আক্রান্ত ছাগলের অবসাদ, ক্ষুদামন্দা হয়। শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। মুখে ক্ষত হয় এবং নাক দিয়ে প্রচুর শ্লেম্মা বের হয়। শ্বাস-প্রশ্বাস কষ্টকর ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়। তীব্র ডায়েরিয়া দেখা দেয় এবং মৃত্যু ঘটে। 

    করণীয়ঃ 

    অসুস্থ পশুকে দ্রুত সুস্থ পশুকে আলাদা করতে হবে। বাসস্থান পরিস্কার রাখতে হবে। ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ার এ রোগের কোন সফল চিকিৎসা নেই। সুস্থ পশুকে নিয়মিত টিকা দিয়ে এ রোগ প্রতিরোধ করা যায়। 

    চিকিৎসাঃ 

    প্রকৃত চিকিৎসা না থাকলেও সহায়ক চিকিৎসা হিসাবে এন্টিবায়োটিক, এন্টিহিস্টামিনিক এবং প্রয়োজনে স্যালাইন ব্যবহার করে ফল পাওয়া যেতে পারে।

    গবাদিপশুর জলাতঙ্ক লক্ষণ ও করণীয়

  • Share The Gag
  • জলাতংক 

    মানুষসহ সকল গবাদিপশুর ভাইরাসজনিত একটি মারত্মক রোগ। আক্রান্ত পশুর লালাতে এ রোগজীবাণু থাকে এবং আক্রান্ত পশুর কামড়ে সুস্থ পশু বা মানুষ এ রোগ জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়। লক্ষণ দেখা দিলে বুঝতে হবে মৃত্যুই এ রোগের নিশ্চিত পরিনতি। শিয়াল ও বাঁদুর এ রোগজীবাণুর বাহক এবং প্রধানতঃ কুকুর আক্রান্ত প্রাণী। 

    লক্ষণঃ 



    পশু কান সজাগ ও চোখ বড় করে রাখে। মুখ দিয়ে প্রচুর লালা ঝরে। পানি পিপাসা হয়, তবে পান করতে পারে না। ভীষণভাবে অশান্ত হয়ে উঠে। শক্ত রশি ছাড়া আটকে রাখা যায় না। সামনে যা পায় তা’ই কামড়ানোর চেষ্টা করে। আক্রান্ত পশু পরিশেষে নিস্তেজ ও অবশ হয়ে মারা যায়। 

    করণীয়ঃ 

    আক্রান্ত পশুকে মেরে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। বেওয়ারিশ কুকুর নিধন করতে হবে। গৃহপালিত কুকুরকে নিয়মিত প্রতিষেধক টিকা প্রদান করতে হবে। চিকিৎসা অর্থহীন এবং কোন অবস্থায়ই ঔষধ খাওয়ানোর জন্য পশুর মুখে হাত দেয়া যাবে না। 

    প্রতিশেধকঃ 

    পোষা কুকুর / বিড়ালকে নিয়মিত প্রতিশেধক টিকা দিতে হবে। টিকা দেয়া হয়নি এমন পশুর কামড়ে মানুষ / পশু আক্রানত্ম হলে অনতিবিলম্বে নির্ধারিত মাত্রায় প্রতিশেধক টিকা দিতে হবে।