Showing posts with label পোকামাকড়. Show all posts
Showing posts with label পোকামাকড়. Show all posts

Friday, May 19, 2017

​পাটের কালো পট্টি রোগে করণীয়

  • Share The Gag
  • পাটের কালো পট্টি রোগ

    কালো পট্রি রোগের লক্ষণ প্রায় কান্ড পচা রোগের মতই। তবে এতে কান্ডে কাল রং এর বেষ্টনীর মত দাগ পড়ে। আক্রান্ত স্থানে ঘষলে হাতে কালো গুড়ার মত দাগ লাগে। সাধারণতঃ গাছের মাঝামাঝি বয়স থেকে রোগ বেশী দেখা দেয়। এ রোগে গাছ ভেঙ্গে পড়ে না তবে গোটা গাছটি শুকিয়ে মরে যায়, ফলে আঁশ নিম্নমানের হয় ও ফলন কম হয়। সাধারণত তোষা পাটে এ রোগের প্রকোপ বেশী দেখা যায়। খরার সময় এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশী হয়। সাধারণত জুন মাস থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্তে এ রোগের প্রকোপ দেখা যায়। 

    প্রতিকার:

    ১. এ রোগের প্রতিকারের জন্য জমি পরিষ্কার পরিছন্ন এবং আগাছা ও আর্বজনামুক্ত রাখতে হবে। 

    ২. শুরুর দিকে আক্রান্ত গাছগুলোকে তুলে দূরে মাটিতে পুতে ফেলে কিংবা পুড়ে ফেলে এ রোগ দমন করা যায়। 

    ৩. মেনকোজেন গ্রুপের ছত্রাক নাশকযেমন: ডাইথেন এম-৪৫ প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২০ গ্রাম মিশিয়ে গাছের গোড়ায় পর পর দু’দিন প্রয়োগ করলে রোগের ব্যাপকতা কমে যায়।

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. ক্ষেতের আশ পাশ অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ০. বীজ বপনের আগে বীজ শোধন করে নিতে হবে। বীজ শোধনের জন্য ভিটাভেক্স ২০০ (০.৪%)/প্রোভেক্স-২০০ (০.৪%) এর ব্যবহারে যথেষ্ট সুফল দেয়। পাটের প্রধান ছত্রাকজনিত রোগগুলো বীজ ও মাটিবাহী। বপনের আগে বীজ শোধনের ফলে রোগের প্রকোপ অনেক কমে যায়। শোধন করা সম্ভব না হলে বপনের আগে বীজ রোদে ভালভাবে শুকাতে হবে। 

    ১. পাটের জমির পানি নিস্কাসনের ব্যবস্থা রাখুন 

    ২.আক্রান্ত জমিতে ২-৩ বছর তোষা পাটের আবাদ না করে দেশী পাটের আবাদ করা যেতে পারে।

    ৩. পাট কাটার পর গাছের গোড়া, শিকড় ও অন্যান্য পরিত্যাক্ত অংশ সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। 

    ৪. নীরোগ পাট গাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করতে হবে। গাছের ৭০% ফল পাকলেই বীজ কেটে ফেলা উচিত। দেরী করলে ছত্রাক সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

    ​পাটের বিছা পোকা দমন

  • Share The Gag
  • ​পাটের বিছা পোকা দমন

    পাতার উল্টো পিঠের সবুজ অংশ খেয়ে পাতাকে সাদা পাতলা পর্দার মত করে ফেলে।এরা সারা মাঠে ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো পাতা খেয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। 

    প্রতিকার:

    ১. প্রাথমিক পাটের পাতায় ডিমের গাদা বা পোকা দেখলে তা তুলে ধ্বংস করা।

    ২. ডিম অথবা আক্রমণের প্রথম অবস্থায় কীড়াগুলো যখন পাতায় দলবদ্ধ অবস্থায় থাকে তখন পোকা সমেত পাতাটি তুলে পায়ে মাড়িয়ে বা গর্তে চাপা দিয়ে মারা।

    ৩.পাট ক্ষেতের আশে পাশে বা অন্য আগাছা থাকলে তা পরিস্কার করা।

    ৪.বিছা পোকা যাতে এক ক্ষেত হতে অন্য ক্ষেতে ছড়াতে না পারে সে জন্য প্রতিবন্ধক নালা তৈরী করা যায়।

    ৫. অধিক আক্রমণের ক্ষেতে কার্বারিল গ্রুপের কীটনাশক যেমন: ভিটাব্রিল বা ক্যালভিন বা র‌্যাভিন প্রতি লিটার পানির সাথে ৩ গ্রাম বা কুবারিল ২ গ্রাম অথবা ক্লোরপাইরিফস গ্রুপের কীটনাশক যেমন: কম্পল বা কিংগোল্ট ১ মিলি/ লি হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা 

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. ক্ষেতের আশ পাশ অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন: 

    ১. নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে আক্রমণের শুরুতেই ব্যবস্থা নিন। 

    Sunday, May 14, 2017

    পেয়ারার ফলছিদ্রকারি পোকা দমন

  • Share The Gag
  • পেয়ারার ফলছিদ্রকারি পোকা

    এ পোকা ফল ছিদ্র করে ফলের ভিতরে ঢুকে ফলের মাংসল অংশ খেতে থাকে এবং ফল ভেতরে পঁচে যায় ।

    এর প্রতিকার হল:

    ১. ফল ব্যাগিং করা বা পলিথিন দিয়ে প্যাচানো

    ২. নষ্ট ফল বাগান থেকে অপসারণ করা।

    ৩. টাফগার ২ মি.লি. / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে শেষ বিকেলে স্প্রে করা।
    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. বাগান অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১.ফল সংগ্রহ শেষ হলে গাছের মরা ডালপালা, ফলের বোটা, রোগ বা পোকা আক্রান্ত ডাল পালা ও অতিঘন ডাল পালা ছাটাই করে পরিস্কার করে দিন

    ২. পরিস্কার করার পর একটি ছত্রাক নাশক ও একটি কীটনাশক দ্বারা পুরো গাছ ভালভাবে স্প্রে করুন

    ৩. নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।

    ডালিমের এনথ্রাকনোজ রোগ সমাধান

  • Share The Gag
  • ডালিমের এনথ্রাকনোজ রোগ

    ডালিমের এনথ্রাকনোজ হলে কচি পাতায় অনিয়মিত দাগ দেখা যায় । কচি ফল কাল হয়ে শুকিয়ে ফেটে যায় এবং কখনও কখনও ঝড়ে যায় ।

    প্রতিকার:

    ১. সময়মত প্রুনিং করে গাছ ও বাগান পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা

    ২. গাছের নিচে ঝড়ে পড়া পাতা, ফল অপসারণ করা।

    ৩. কার্বেন্ডাজিম বা ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক ২ গ্রাম / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে ১৫ দিন পরপর ৩-৪ বার স্প্রে করা ।

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. বাগান অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১.ফল সংগ্রহ শেষ হলে গাছের মরা ডালপালা,ফলের বোটা, রোগ বা পোকা আক্রান্ত ডাল পালা ও অতিঘন ডাল পালা ছাটাই করে পরিস্কার করে দিন

    ২. পরিস্কার করার পর একটি ছত্রাক নাশক ও একটি কীটনাশক দ্বারা পুরো গাছ ভালভাবে স্প্রে করুন

    ৩. নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।

    Tuesday, May 9, 2017

    আদার কন্দ ছিদ্রকারি পোকা

  • Share The Gag
  • আদার কন্দ ছিদ্রকারি পোকা

    পোকার ডিম থেকে বের হওয়ার পর সদ্যজাত লার্ভা রাইজোম ছিদ্র করে ভেতরে ঢুকে এবং রাইজোমের অভ্যন্তরীণ অংশ খায়। আক্রান্ত গাছ হলুদ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে রাইজোমে পচন ধরে। আক্রমণের মাত্রা বেশি হলে গাছ থেকে কোনো ফলন পাওয়া যায় না। এ পোকা আদার রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ পোকা ডিম পাড়া এবং বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হওয়ার জন্য ছত্রাক আক্রান্ত আদা গাছ পছন্দ করে। রোগাক্রান্ত রাইজোমের মধ্যে পোকার লার্ভা এবং পিউপা দেখা যায়। এ ছাড়াও পূর্ণ বয়স্ক পোকাগুলো আদা গাছে ব্যাকটেরিয়াল উইল্টের বাহক হিসেবে কাজ করে।

    প্রতিকার :

    ০ লার্ভা ও পিউপাসহ পচা রাইজোম সংগ্রহ এবং ধ্বংস করে ফেলতে হবে।

    ০ গাছের গোড়ার মাটি নিয়মিত উলোট-পালোট করতে হবে, কারণ পোকা মাটিতে ডিম পাড়ে।

    ০ যেহেতু রোগাক্রান্ত রাইজোমে পোকার আক্রমণ হয় এ জন্য ফসলকে রোগমুক্ত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    ০ অত্যধিক আক্রান্ত এলাকায় আক্রমণের শুরুতে নিম্নলিখিত কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। কার্বোসালফান (মার্শাল ২০ ইসি, সানসালফান ২০ ইসি, জেনারেল ২০ ইসি বা অন্য নামের) অথবা ফেনিট্রোথিয়ন (ফেনিটকস ৫০ ইসি, সুমিথিয়ন ৫০ ইসি, ইমিথিয়ন ৫০ ইসি, সোভাথিয়ন ৫০ ইসি বা অন্য নামের) প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হিসেবে আদা ক্ষেতে স্প্রে করতে হবে। স্প্রে করার সময় খেয়াল রাখতে হবে গাছের গোড়ার মাটি যেন ভিজে যায়। ।

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. আদা লাগানোর পর পিলাই ( গাছ বের হবার পর লাগানো আদা ) তুলবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১. স্বাস্থ্যবান এবং রোগমুক্ত রাইজোম বীজের জন্য নির্বাচন করে বপন করুন
    ২. উন্নত জাতের আদা বপন করুন ।

    মরিচের ফলছিদ্রকারি পোকা দমন

  • Share The Gag
  • মরিচের ফলছিদ্রকারি পোকা

    লক্ষণ :

    পোকার কীড়া কচি ফল ও ডগা ছিদ্র করে ও ভিতরে কুরে কুরে খায় । এরা ফুলের কুঁড়িও খায়

    প্রতিকার:

    •ক্ষেত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা ।

    • আক্রান্ত ডগা ও ফল সংগ্রহ করে নষ্ট করা
    • চারা রোপনের ১৫ দিন পর থেকে ক্ষেত ঘন ঘন পর্যাবেক্ষন করা ।
    • জৈব বালাইনাশক ব্যবহার যেমন নিমবিসিডিন ৩ মিঃলিঃ / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্পে করা ।
    • শতকরা ১০ ভাগের বেশি ক্ষতি হলে যে কোন একটি বালাইনাশক ব্যবহার করা । যেমন রিপকর্ড ১ মিঃলিঃ বা ডেসিস ০.৫মিলি বা ফাসটেক ০.৫ মিঃলিঃ বা সবিক্রন -২ মিঃলিঃ বা সুমিথিয়ন-২ মিঃলিঃ বা ডায়াজিনন ২ মিঃলিঃ /লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্পে করা ।
    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই সবজি খাবেন না বা বিক্রি করবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১. আগাম বীজ বপন করা
    ২. সুষম সার ব্যবহার করা

    Tuesday, May 2, 2017

    ভুট্টার লেদা পোকা

  • Share The Gag
  • ভুট্টার লেদা পোকা

    পোকা আক্রমণের লক্ষণঃ

    এরা পাতা কেটে কেটে খায় । কীড়া ও পূর্ণবয়স্ক উভয়ই পাতায় পাশ থেকে খেতে থাকে ।

    আক্রমণের পূর্বে করণীয়ঃ

    ১. উত্তমরুপে জমি চাষ দিয়ে পোকা পাখিদের খাবার সুযোগ করে দিন।

    ২. নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে আক্রমণের শুরুতেই ব্যবস্থা নিন

    আক্রমণের পর করণীয়ঃ

    * আলোর ফাঁদের সাহায্যে পূর্নবয়স্ক মথ ধরে মেরে ফেলতে হবে;
    * পাখির পোকা খাওয়ার জন্য ডালপালা পুঁতে দিয়ে ও এদের সংখ্যা কমানো যায়;
    * শতকরা ২৫ ভাগ পাতার ক্ষতি হলে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে । এ পোকার জন্য অনুমোদিত কোন কীটনাশক নেই।
    * তবে ভুট্রার কাটু্ই পোকার জন্য ল্যামডা সাইহ্যালোথ্রিন গ্রুপের ক্যারাটে ২.৫ ইসি (এপি-২৬৩) ১০০.৫ মিলি হারে এবং তামাকের জন্য অসফেনকার্ব (বিপিএমসি) গ্রুপের কিলার ৫০ ইসি (এপি-৩৮৭) প্রতি বিঘা জমির জন্য ১৩৪ মিলি হারে প্রয়োগ করতে বলা হয়েছে।

    ভুট্টার ফ্লি বিটল পোকা

  • Share The Gag
  • ভুট্টার ফ্লি বিটল পোকা

    পূর্ণ বয়স্ক ও বাচ্চা উভয়ই ক্ষতি করে । পূর্ণ বয়স্করা চারা গাছের বেশি ক্ষতি করে । এরা পাতা ছোট ছোট ছিদ্র করে খায় । আক্রান্ত পাতায় অসংখ্য ছিদ্র হয় ।

    আক্রমণের পূর্বে করণীয়ঃ 

    • পরিস্কার পরিচ্ছন্ন চাষাবাদ ।

    • আগাম ভুট্টা বপন করুন

    • উন্নত জাতের ভুট্টা বপন করুন ।

    • চারা গাছ জাল দিয়ে ঢেকে দেওয়া ।


    আক্রমণের পর করণীয়ঃ

    • হাত জাল দ্বারা পোকা সংগ্রহ;

    • আক্রান্ত গাছে ছাই ছিটানো;

    • ০.৫% ঘনত্বের সাবান পানি অথবা ৫ মিলি তরল সাবান প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা;

    • ৫০০ গ্রাম নিম বীজের শাঁস পিষে ১০ লিটার পানিতে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে তা ছেঁকে আক্রান্ত ক্ষেতে স্প্রে করলে উপকার পাওয়া যেতে পারে ।

    • এ পোকার জন্য অনুমোদিত কোন কীটনাশক নেই। তবে কলার বিটলের জন্য অনুমোদিত কীটনাশক হলো ঃ

























    গ্রুপের নামবানিজ্যিক নামসুপারিশকৃত ফসল
    প্রফেনফস (৪০%) + সাইপারমেথ্রিন (২.৫%)সবিক্রণ ৪২৫ ইসি (এপি-৩২২) প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারেকলা
    থিয়ামিথোক্সামএকতারা ২৫ wg (এপি-৪২৮) প্রতি লিটার পানিতে ০.২ গ্রাম হারেকলা
    আইসোপ্রোকার্ব (এমআইপিসি)মিপসিন ৭৫ ডব্লিউ পি (এপি-৫৩৯) প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারেকলা

    .

    Saturday, April 29, 2017

    লিচুর ফল ছিদ্রকারী পোকা দমন

  • Share The Gag
  • লিচুর ফল ছিদ্রকারী পোকা

    লক্ষণ:

    এ পোকা ফলের বোঁটার কাছে ছিদ্র করে ভিতরে ঢোকে এবং বীজকে আক্রমণ করে । পরে ছিদ্রের মুখে বাদামী রংয়ের এক প্রকার করাতের গুড়ার মত মিহি গুড়া উৎপন্ন করে । এতে ফল নষ্ট এবং বাজার মূল্যে কমে যায় ।

    প্রতিকার:

    • লিচু বাগান নিয়মিত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা ।


    • আক্রান্ত ফল সংগ্রহ করে মাটিতে পুঁতে ফেলা ।


    • লিচু গাছ তলায় শুকানো খড়ে আগুন দিয়ে তাতে ধুপ দিয়ে ধোঁয়া দিতে হবে । এতে এ পোকা মথ বা কীড়া বিতড়িত হবে । ফলে লিচুর মধ্যে ডিম পারবে না ।


    • বোম্বাই জাতে এ পোকার আক্রমণ বেশি হয় তাই আক্রমণ প্রবণ এলাকায় চায়না ৩ জাত রোপন করা ।


    • আক্রমণ বেশি হলে ২ মিলি লেবাসিড বা সুমিথিয়ন বা ডায়াজিনন ৬০ইসি সবিক্রন বা কট ১০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা ।


    আমড়ার আঠা ঝড়া রোগ

  • Share The Gag
  • আমড়ার আঠা ঝড়া রোগ

    আমের কান্ড বা মোটা ডালের কিছু যায়গা থেকে প্রথমে হালকা বাদামী বা গাঢ় বাদামী আঠা বা রস বের হতে দেখা যায় । বেশি আক্রান্ত হলে পুরো ডালটি এমনকি পুরো গাছটি মারা যায়।
    এর প্রতিকার হল:

    ১. আক্রান্ত গাছে সুষম মাত্রায় জৈব সার ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা এবং নিয়মিত সেচ প্রদান করা।
    ২. আঠা ঝড়া দেখামাত্র কিছুটা সুস্থ অংশসহ বাকল / ছাল তুলে ফেলা এবং কর্তিত অংশে বোর্দো মিশ্রণ বা কপার অক্সিক্লোরাইট জাতীয় ছত্রাক নাশক যেমন- কুপ্রাভিট ৭ গ্রাম / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।
    ৩. নতুন পাতা বের হলে ব্যাভিস্টিন ১ গ্রাম / লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করা ।

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না :

    ১. বাগান অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না:

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১.ফল সংগ্রহ শেষ হলে গাছের মরা ডালপালা, ফলের বোটা, রোগ বা পোকা আক্রান্ত ডাল পালা ও অতিঘন ডাল পালা ছাটাই করে পরিস্কার করে দিন
    ২. পরিস্কার করার পর একটি ছত্রাক নাশক ও একটি কীটনাশক দ্বারা পুরো গাছ ভালভাবে স্প্রে করুন
    ৩. নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।

    Saturday, April 22, 2017

    পেয়ারার শুয়া পোকা

  • Share The Gag
  • পেয়ারার শুয়া পোকা

    এ পোকা গাছকে অংশিক বা সম্পুর্ণ পাতাশুন্য করে ফেলে। আনেক সময় মারাত্বক আক্রমনে গাছে ফল আসেনা। এর প্রতিকার হল ১. পোকা সহ পাতা সংগ্রহ করে পিশে পোকা মেরে ফেলা ২. সুমিথিয়ন ২ মি.লি. / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না :

    ১. বাগান অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১.ফল সংগ্রহ শেষ হলে গাছের মরা ডালপালা, ফলের বোটা, রোগ বা পোকা আক্রান্ত ডাল পালা ও অতিঘন ডাল পালা ছাটাই করে পরিস্কার করে দিন

    ২. পরিস্কার করার পর একটি ছত্রাক নাশক ও একটি কীটনাশক দ্বারা পুরো গাছ ভালভাবে স্প্রে করুন

    ৩. নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।

    পানের সাদা ও কালো মাছি

  • Share The Gag
  • পানের সাদা ও কালো মাছি:

    এ পোকায় আক্রান্ত হলে গাছের পাতা হালকা রংয়ের হয়ে যায়। পাতার নিচ দিকে পোকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায় । এর প্রতিকার হল :
    ১. পোকাসহ আক্রান্ত পাতা তুলে পোকা মেরে ফেলা
    ২. বরজ ও আশ পাশের জায়গা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা
    ৩. আক্রমণ বেশি হলে এদের দমনের জন্য মারশাল ২০ ইসি ১ মি.লি. / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।

    ঢেঁড়শের ছাতরা পোকা দমন

  • Share The Gag
  • ঢেঁড়শের ছাতরা পোকা

    লক্ষণ:

    পূর্ণ বয়স্ক ও বাচ্চা উভয়ই পাতা কান্ড ও ডগার রস চুষে খায়্ । আক্রান্ত স্থান কালো ঝুলের মত দেখায় আক্রান্ত পাতা ঝরে পড়ে ।

    প্রতিকার :

    আক্রান্ত ডগা, পাতা ও ডাল দেখা মাত্রা তা সংগ্রহ করে ধ্বংস করা ।
    আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ম্যালাথিয়ন বা সুমিথিয়ন ২ মিঃলি মারসাল ২০ ইসি ১মিঃলিঃ ডায়ামেথয়েট ৪০ ইসি ২মিঃলিঃ মিশিয়ে স্প্রে করা ।

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই সবজি খাবেন না বা বিক্রি করবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১. আগাম বীজ বপন করা
    ২. সুষম সার ব্যবহার করা

    ক্যাপসিকাম মিস্টি মরিচের জাব পোকা দমন

  • Share The Gag
  • মিস্টি মরিচের জাব পোকা

    লক্ষণ :

    পোকা গাছের কচি পাতা ও ডগার রস শুষে খেয়ে গাছকে দুর্বল করে ফেলে ।

    প্রতিকার:

    গাছের আক্রান্ত অংশ অপসারণ করা
    প্রাথমিক অবস্থায় শুকনো ছাই প্রয়োগ করা
    পরিস্কার পানি জোরে স্প্রে করা
    ক্ষেত পরিস্কার/পরিচ্ছন্ন রাখা ।
    হলুদ রঙের ফাঁদ ব্যবহার করা ।

    তামাকের গুড়া (১০গ্রাম), সাবানের গুড়া (৫গ্রাম) ও নিমের পাতার নির্যাস প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা ।
    প্রতি গাছে ৫০ টির বেশি পোকা দেখা দিলে এডমেয়ার ২০ এসএল ০.৫ মিলি./লি হারে পানিতে শিশিয়ে স্প্রে করা।

    কৃষকের আচরণগত পরিবর্তন যোগাযোগ (এফবিসিসি)

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই সবজি খাবেন না বা বিক্রি করবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১. আগাম বীজ বপন করা
    ২. সুষম সার ব্যবহার করা

    Tuesday, April 18, 2017

    শসার ফলছিদ্রকারি পোকা

  • Share The Gag
  • শসার ফলছিদ্রকারি পোকা

    লক্ষণ :

    পোকার কীড়া কচি ফল ও ডগা ছিদ্র করে ও ভিতরে কুরে কুরে খায় । এরা ফলের কুঁড়িও খায়

    প্রতিকার :

    •ক্ষেত পরিস্কার পরচ্ছন্ন রাখা ।
    • আক্রান্ত ডগা ও ফল সংগ্রহ করে নষ্ট করা
    • চারা রোপনের ১৫ দিন পর থেকে ক্ষেত ঘন ঘন পর্যাবেক্ষন করা ।
    • জৈব বালাইনাশক ব্যবহার যেমন নিমবিসিডিন ৩ মিঃলিঃ / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্পে করা ।
    • শতকরা ১০ ভাগের বেশি ক্ষতি হলে যে কোন একটি বালাইনাশক ব্যবহার করা । যেমন রিপকর্ড ১ মিঃলিঃ বা ডেসিস ০.৫মিলি বা ফাসটেক ০.৫ মিঃলিঃ বা সাবক্রণ -২ মিঃলিঃ বা সুমিথিয়ন-২ মিঃলিঃ বা ডায়াজিনন ২ মিঃলিঃ /লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্পে করা ।

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই সবজি খাবেন না বা বিক্রি করবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১. আগাম বীজ বপন করা
    ২. সুষম সার ব্যবহার করা

    লাউয়ের গামি স্টেম ব্লাইট রোগ

  • Share The Gag
  • লাউয়ের গামি স্টেম ব্লাইট রোগ

    এ রোগ হলে পাতায় পানি ভেজা দাগ দেখা যায়। ব্যাপক আক্রমনে পাতা পচে যায়। কান্ড ফেটে লালচে আঠা বের হয়।
    এর প্রতিকার হল:

    ১. ক্ষেত থেকে আক্রান্ত গাছ তুলে ফেলা
    ২. রোগমুক্ত বীজ বা চারা ব্যবহার করা
    ৩. ম্যানকোজেব অথবা ম্যানকোজেব + মেটালক্সিল যেমন: রিডোমিল গোল্ড ২ গ্রাম / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পরপর ৩ বার স্প্রে করা।

    বেগুনের ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা

  • Share The Gag
  • বেগুনের ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা

    লক্ষণ:

    সাধারণত চারা রোপনের ৪/৫ সপ্তাহের মধ্যেই এ পোকারা আক্রমণ শুরু হতে দেখা যায় । তবে বেগুন গাছে ফুল আসা শুরু হওয়ার পর আক্রমণের মাত্রা বাড়তে থাকে । এই পোকার আক্রমণ শুরু হওয়ার পর প্রাথমিক লক্ষণ হিসাবে জমিতে সদ্য নেতিয়ে ডগা চোখে পড়ে । ফল আসার পূর্বে এ পোকার কীড়া কচি ডগায় আক্রমণ করে এবং এর ভিতরে খেতে থাকে । পরবর্তীতে ফল আসার পর অধিকাংশ কীড়াই কচি ফলে আক্রমণ করে । কীড়া কোন কোন সময় ফুলও খেয়ে থাকে । পূর্ণতা প্রাপ্ত হওয়ার পর কীড়া পুত্তলিতে পরিণত হওয়ার জন্য ফল থেকে সুড়ঙ্গ তৈরী করে মাটিতে নেমে আসে । কীড়া বের হওয়ার ছিদ্র ফলে স্পষ্ট দেখা যায় তবে ডগায় এই ছিদ্র পরিলক্ষিত নাও দেখা যেতে পারে । এ পোকা আক্রমণ শুরু হবার পর থেকে শেষ বার বেগুন সংগ্রহ পর্যন্ত চলতে থাকে ।

    প্রতিকার:

    ঋতুভেদে বেগুনের ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণের মাত্রায় ভিন্নতা দেখা যায় । উঞ এবং আর্দ্র আবহাওয়া এ পোকার বংশবৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে বলে গ্রীষ্মকালে এ পোকার ব্যাপকা আক্রমণ পরিলক্ষিত হয় । অন্যদিকে শীতকালে এ পোকার আক্রমণের হার কম থাকে । সেহেতু এ পোকা দমনের ব্যবস্থাপনাও ঋতুভেদে ভিন্নতর হওয়া বাঞ্চনীয় ।

    গ্রীষ্মকালীন ব্যবস্থাপনা:

    ১. সপ্তাহে অন্ততঃ একবার পোকা আক্রান্ত ডগা ও ফল বাছাই করে বিনষ্ট করতে হবে ।

    ২. ফেরোমন ফাঁদের ব্যবহারঃ চারা রোপনের ২/৩ সপ্তাহের মধ্যেই জমিতে ফেরোমন ফাঁদ পাততে হবে । (প্রতি শতাংশে ১টি)

    ৩. আক্রমণের মাত্রা বেশী হলে জৈব বালাইনাশক, স্পেনোসেড ( ট্রেসার ৪ মিলি./ ১০ লি. পানি হারে ) স্প্রে করতে হবে । গাছের ফুল আসার সময় হতে প্রতি ২ সপ্তাহ অন্তর ৩-৪ বার স্প্রে করতে হবে ।

    ৪. প্রতি ১৫ দিন পর পর উপকারী পোকা, ট্রাইকোগ্রামা কাইলোনিজ ও ব্রাকন হেবিটর পর্যায়ক্রমিকভাবে মুক্তায়িত করতে হবে ।

    ৫. আক্রমণের মাত্রা বেশী হলে ভলিয়াম ফ্লাক্সি ৩০০ এসসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিঃলিঃ হারে বা কারটাপ গ্রুপের কীটনাশক যেমন: সানটাপ ২.৪ গ্রাম/ লি. হারে বা সাইপামেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক যেমন: রিপকর্ড বা ফেনকর্ড বা ম্যাজিক বা কট ০.৫ মিলি./ লি হারে বা ডেল্টামেথ্রিন গ্রুপের কীটমাশক যেমন: ডেসিস বা ক্র্যাকডাউন ১ মিলি./ লি হরে বা এ পোকার জন্য অন্যান্য অনুমোদিত রাসায়নিক কীটনাশক ১০-১২ দিন পর পর ৪-৫ বার স্প্রে করতে হবে ।

    শীতকালীন ব্যবস্থাপনা:

    ১. সপ্তাহে অন্ততঃ একবার পোকা আক্রান্ত ডগা ও ফল বাছাই করে বিনষ্ট করতে হবে ।

    ২. ফেরোমন ফাঁদের ব্যবহারঃ চারা লাগানোর ২/৩ সপ্তাহের সধ্যেই জমিতে ফেরোমন ফাঁদ পাততে হবে ।

    ৩. প্রতি সপ্তাহে একবার করে উপকারী পোকা, ট্রাইকোগ্রামা কাইলোনিজ ও ব্রাকন হেবিটর পর্যায়ক্রমিকভাবে মুক্তায়িত করতে হবে ।

    ৪. আইপিএম প্রদ্ধতির এলাকাভিত্তিক প্রয়োগ করতে হবে ।

    ৫. আক্রমণের মাত্রা বেশী হলে জৈব বালাইনাশক, স্পেনোসেড ( ট্রেসার ৪ মিলি./ ১০ লি. পানি হারে ) স্প্রে করতে হবে বা ভলিয়াম ফ্লাক্সি ৩০০ এসসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিঃলিঃ হারে বা কারটাপ গ্রুপের কীটনাশক যেমন: সানটাপ ২.৪ গ্রাম/ লি. হারে বা সাইপামেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক যেমন: রিপকর্ড বা ফেনকর্ড বা ম্যাজিক বা কট ০.৫ মিলি./ লি হারে বা ডেল্টামেথ্রিন গ্রুপের কীটমাশক যেমন: ডেসিস বা ক্র্যাকডাউন ১ মিলি./ লি হরে বা এ পোকার জন্য অন্যান্য অনুমোদিত রাসায়নিক কীটনাশক ১০-১২ দিন পর পর ৪-৫ বার স্প্রে করতে হবে ।

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই সবজি খাবেন না বা বিক্রি করবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১. আগাম বীজ বপন করা
    ২. সুষম সার ব্যবহার করা
    ৩. সঠিক দুরত্বে চারা রোপন করা

    Thursday, April 13, 2017

    কুমড়ার মাছি পোকা সমাধান

  • Share The Gag
  • কুমড়ার মাছি পোকা
    স্ত্রী মাছি কচি ফলের নিচের দিকে ওভিপজিটর ঢুকিয়ে ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার স্থান থেকে পানির মত তরল পদার্থ বেড়িয়ে আসে যা শুকিয়ে বাদামী রং ধারন করে । ডিম থেকে কীড়া বের হয়ে ফলের শাস খেতে শুরু করে এবং ফল বিকৃত হয়ে যায় এবং হলুদ হয়ে পঁচে ঝড়ে যায়।
    প্রতিকার :
    ১. আক্রান্ত ফল বা ফুল সংগ্রহ করে ধ্বংশ করা বা পুড়ে ফেলা।
    ২. কচি ফল কাগজ বা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেয়া ।
    ৩. প্রথম ফুল আসা মাত্র কুমড়া জাতীয় ফসলের ফেরোমন ফাঁদ স্থাপন করা। প্রতি ১০ শতাংশের জন্য ৩ টি হারে ।
    ৪.আম বা খেজুরের রসে সামান্য বিষ মিশিয়ে তা বোতলে রেখে জানালা কেটে দিয়ে ক্ষেতের মাঝে মাঝে স্থাপন করা।
    ৫. পাকা মিষ্টি কুমড়া বা কুমড়া জাতীয় ফল ১০০ গ্রাম কুচি কুচি করে কেটে তাতে সামান্য বিষ ( যেমন- সপসিন ০.২৫ গ্রাম ) মিশিয়ে তা দিয়ে বিষটোপ তৈরী করে মাটির পাত্রে করে ক্ষেতের মাঝে মাঝে স্থাপন করা।
    ৬. সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক ১ মি.লি. / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।

    বিষটোপ ও ফেরোমন ফাঁদ স্থাপন
    কৃষকের আচরণগত পরিবর্তন যোগাযোগ (এফবিসিসি)

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না

    ১. স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই সবজি খাবেন না বা বিক্রি করবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন

    ১. উত্তমরুপে জমি চাষ দিয়ে পোকার পুত্তলি পাখিদের খাবার সুযোগ করে দিন।

    Saturday, April 8, 2017

    পাটের বিছা পোকা দমন

  • Share The Gag
  • পাটের বিছা পোকা দমন

    পাতার উল্টো পিঠের সবুজ অংশ খেয়ে পাতাকে সাদা পাতলা পর্দার মত করে ফেলে।এরা সারা মাঠে ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো পাতা খেয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।

    প্রতিকার:

    ১. প্রাথমিক পাটের পাতায় ডিমের গাদা বা পোকা দেখলে তা তুলে ধ্বংস করা।

    ২. ডিম অথবা আক্রমণের প্রথম অবস্থায় কীড়াগুলো যখন পাতায় দলবদ্ধ অবস্থায় থাকে তখন পোকা সমেত পাতাটি তুলে পায়ে মাড়িয়ে বা গর্তে চাপা দিয়ে মারা।

    ৩.পাট ক্ষেতের আশে পাশে বা অন্য আগাছা থাকলে তা পরিস্কার করা।

    ৪.বিছা পোকা যাতে এক ক্ষেত হতে অন্য ক্ষেতে ছড়াতে না পারে সে জন্য প্রতিবন্ধক নালা তৈরী করা যায়।

    ৫. অধিক আক্রমণের ক্ষেতে কার্বারিল গ্রুপের কীটনাশক যেমন: ভিটাব্রিল বা ক্যালভিন বা র‌্যাভিন প্রতি লিটার পানির সাথে ৩ গ্রাম বা কুবারিল ২ গ্রাম অথবা ক্লোরপাইরিফস গ্রুপের কীটনাশক যেমন: কম্পল বা কিংগোল্ট ১ মিলি/ লি হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. ক্ষেতের আশ পাশ অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১. নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে আক্রমণের শুরুতেই ব্যবস্থা নিন

    Wednesday, April 5, 2017

    আমের মিলিবাগ

  • Share The Gag
  • আমের মিলিবাগ

    সাদা সাদা অসংখ্য পোকা একসাথে থাকে কখনও কখনও বিচ্ছিন্ন ভাবেও থাকে।এরা রস চুষে খায় এবং এক ধরনের আঠালো মিষ্টি রস নিঃস্বরণ করে যা খাবার জন্য পিপিলিকার আগমন ঘটে। এর আক্রমণ বেশি হলে শুটি মোল্ড ছত্রাকের আক্রমণ ঘটে এবং আক্রান্ত অংশ এমনকি পুরো গাছ মরে যায় । এর প্রতিকার হল ১. প্রাথমিক অবস্থায় হাত দিয়ে পিশে পোকা মেরে ফেলা ২. ব্রাশ দিয়ে ঘসে পোকা মাটিতে ফেলে মেরে ফেলা ।৩. ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক যেমন : ইমিটাফ বা ২ মি.লি. / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।



     

     

    [caption id="attachment_4512" align="aligncenter" width="415"]আমের মিলিবাগ আমের মিলিবাগ[/caption]

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না :

    ১. বাগান অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না:

    পরবর্তীতে যা যা করবেন :

    ০. ফেব্রুয়ারি- মার্চ মাসের দিকে গাছের গোড়ায় আঠাযুক্ত ফিতা বা প্লাস্টিকের মসৃণ ফিতা পেচিয়ে বা ফানেল স্থাপন করুন তাতে পোকা গাছ বেয়ে উপরে উঠতে পারবে না।

    ১.ফল সংগ্রহ শেষ হলে গাছের মরা ডালপালা, ফলের বোটা, রোগ বা পোকা আক্রান্ত ডাল পালা ও অতিঘন ডাল পালা ছাটাই করে পরিস্কার করে দিন

    ২. পরিস্কার করার পর একাট ছত্রাক নাশক ও একটি কীটনাশক দ্বারা পুরো গাছ ভালভাবে স্প্রে করুন

    ৩. নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।

    ঔষধের জন্য যোগাযোগ করুন কৃষি ষ্টোর- ০১৯৭১৬২৫২৫২।