কৃষি বিভাগের উদ্যোগে যশোরের শার্শা উপজেলায় শুরু হয়েছে জিরার আবাদ। শার্শা উপজেলায় এবারই প্রথম জিরার চাষ করা হয়। জিরার ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখে আগামীতে এর চাষ বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছে কৃষি বিভাগ।
নড়াইল থেকে ইরানি জিরার বীজ সংগ্রহ করে চাষ করছেন জেলার কৃষকরা। কৃষকরা বলছেন, পোকা ও রোগ বালাইয়ের আক্রমণ কম হওয়ায় জিরা গাছে ফুল এসেছে প্রচুর। আর কীটনাশক প্রয়োগ না করায় অবাধে বিচরণ করছে মৌমাছি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা পাচ্ছেন কৃষক।
যশোর শর্শা, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ‘এ বছর ৪২৫ হেক্টর জমিতে মসলা জাতীয় ফসলের আবাদ করা হয়েছে। তার মধ্যে ১৫ শতক জমিতে এই প্রথম জিরা চাষ করায় ফলনও ভালো হয়েছে। এক একর জমিতে ৫০ হাজার টাকা খরচ করে ২০ মণ জিরা উৎপাদন করা সম্ভব। যা থেকে কৃষকের লাভ হবে ২ লাখ টাকা।
মোস্তাফিজুর রহমান আরোও বলেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বাণিজ্যিকভাবে জিরা চাষ বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব।
প্রতি কেজি জিরা তিনশ’ থেকে সাড়ে তিনশ’টাকায় বাজারে বিক্রির আশা করছেন কৃষকরা।
Showing posts with label জিরা চাষে খুশি কৃষক. Show all posts
Showing posts with label জিরা চাষে খুশি কৃষক. Show all posts
Tuesday, April 26, 2016
Subscribe to:
Comments (Atom)