Showing posts with label কৃষি যন্ত্রপাতি. Show all posts
Showing posts with label কৃষি যন্ত্রপাতি. Show all posts

Monday, July 3, 2017

পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পোকার চাষ!

  • Share The Gag
  • পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পোকার চাষ!



    নিত্য নতুন খাবার আবিষ্কার হচ্ছে, কিন্তু সেসব খাবারে প্রকৃত পুষ্টি পাচ্ছে না মানুষ। তাই বিজ্ঞানীরা বলছেন, খুব শিগগিরই ইউরোপে পোকা চাষের ফার্ম চালু হবে। পোকা ছাড়া কোনোভাবেই পুষ্টির চাহিদা পূরণ হওয়া সম্ভব নয়। কারণ, শুককীট বা ল্যাদা পোকায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে, যা মানুষের পুষ্টির চাহিদা মেটাবে।

    জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার তথ্যানুসারে ২০০০ সালে মাংস বা প্রোটিনের চাহিদা যা ছিল, তা থেকে ২০৩০ সাল নাগাদ প্রায় ৭২ ভাগ বেড়ে যাবে। আর তখন প্রোটিনের চাহিদা পূরণে হিমসিম খেতে হবে মানুষকে। বর্তমানে পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে বিভিন্ন প্রাণীর মাংস খাই আমরা। কিন্তু তথন এমন পরিস্তিতি সৃষ্টি হবে যে প্রাণীর মাংসেও পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে পারবে না। তাই বাধ্য হয়েই পোকা মাকড়ের উপর নির্ভরশীল হবে মানুষ।

    ২০১৩ সালেও জাতিসংঘ থেকে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনেও টেকশই পুষ্টি চাহিদা পূরণের জন্য পোকা চাষের প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘাস ফড়িং, পিঁপড়া ও অন্যান্য পোকামাকড় চাষ করে পুষ্টি চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। তবে পোকা চাষের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার। যেসব পোকামাকড় পরিবেশের ক্ষতি করে না সেগুলো চাষ করতে হবে। আর এদিকে অন্যান্য প্রোটিনের উৎস যেমন মাছ ও মাংসও সচল রাখতে হবে।

    গত বছরে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নও এক প্রতিবেদনে ক্রমবর্ধমান পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে পোকা চাষের ব্যাপারে উৎসাহিত করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য পোকা খাওয়ার বিষয়টি এলিয়েন কালচার মনে হলেও এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও আফ্রিকার প্রায় ২ মিলিয়ন মানুষের প্রধান প্রোটিনের উৎস এই পোকামাকড়। এই পোকামাকড়গুলোর মধ্যে শুঁয়োপোকা, উইপোকা, ঘাস ফড়িং, ঝিঁঝিঁ, অরুচিকর বাগ এবং অন্যান্য পোকামাকড় খুব জনপ্রিয়। কিন্তু এসব পোকামাকড় সেখানে কোনো ফার্মে চাষ হয় না। ওইসব অঞ্চলের মানুষ প্রাকৃতিকভাবে পোকা সংগ্রহ করে খায়।’

    ইউরোপে এখন যে পোকামাকড়ের ব্যবহার হয় না তা কিন্তু নয়। তবে মানুষের খাবার হিসেবে ব্যবহার হয় কমই। সাধারণত বাসার পোষা প্রাণীর জন্য তারা এসব পোকা কেনেন এবং সেগুলোকে পোষেন। তবে যে পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে তাতে এবার মানুষের খাবারের জন্য পোকার চাষ শুরু হবে। এবং এটি মাছ ও মাংসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হবে। তার মধ্যে শুককীট, বা উড়ন্ত পোকা খুবই উপযুক্ত বিকল্প হিসেবে মনে করছেন গবেষকরা।



    ইতিমধ্যেই ইউরোপিয়ান কমিশন ‘প্রোটইনসেক্ট’ নামের এক প্রজেক্ট চালু করেছে। এই প্রজেক্টের কাজ হলো কোন কোন প্রাণী বা পোকা মানুষের পুষ্টির জন্য বেশি উপযোগী ও পরিবেশের কোনো ক্ষতি করে না, তা গবেষণা করে বের করা।

    ‘প্রোটইনসেক্ট’ ও ‘মিনেভরা কমিউনিকেশন ইউকে’ এক সাথে কাজ করছে। মিনেভরা কমিউনিকেশনের এক মুখপাত্র বলেন, ‘ইউরোপের নীতিমালায় কোন পোকামাকড় খাওয়া বা পালন করার ব্যাপারে আইন আছে। তবে সম্প্রতি পোকা চাষের যে কথা উঠেছে তাকে আমরা খুবই উদ্বিঘ্ন। কারণ আবার সব নীতিমালা পরিবর্তন করতে হবে। কোন কোন পোকা ফার্মে চাষ করা যাবে আর কোনগুলো যাবে না তা নির্ধারণ করতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি।’

    তবে পোকা চাষের ব্যাপারে সবচেয়ে যে বিষয় নিয়ে সবাই সবচেয়ে উদ্বিগ্ন তা হলো- মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকি। কারণ, এখনও অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, কিছু পোকা আছে যেগুলো মানুষের খাওয়া ‍উচিত নয়। সেগুলো মানুষের পাকস্থলী হজম করতে পারবে না, বা স্বাস্থ্যের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

    তবে ইউরোপীয় খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ (ইএফএসএ) এই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছে। তারা বলছেন, অন্যান্য প্রাণীর মাংস যেভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, ঠিক সেভাবেই পোকা প্রক্রিয়াজাত করা হবে। সুতরাং এখানে ক্ষতির কোনো সম্ভাবনা নেই। আর মানুষের পুষ্টির চাহিদাও পূরণ হবে।

    তাই ইউরোপিয়ান কমিশন তাদের ‘প্রোটইনসেক্ট’ প্রোজেক্টের ডাটা-গুলি আবার যাচাইবাছাই করছে। ডাটা-গুলির উপর নির্ভর করবে কত তাড়াতাড়ি আবার পোকার ফার্ম চালু করা যায়। যদি তারা মনে করেন, পোকা চাষ করা সম্ভব- তাহলে খুব শিগগিরই পোকা চাষের ফার্ম চালু করা হবে।

    ঢাকায় ছাদের ওপর গরু পালন

  • Share The Gag
  • ঢাকায় ছাদের ওপর গরু পালন





    পুরান ঢাকার লালবাগের সরু অলিগলি পেরিয়ে খুঁজে নিতে হল বাড়িটি।



    ডুরি আঙ্গুল লেনের চারতলা বড় এই বাড়িটি দেখে বোঝার উপায় নেই এই বাড়ির ছাদেই রয়েছে একটি গরুর খামার।

     



     

     

     

     

     

     

     

     

     

     

    সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠেই এলো সেপের ছাদটিতে রয়েছে ফুলের গাছ আর গরু। খামারের মালিক হাজি হাবিবুর রহমান ও তার ভাই-বোন সবায়এই খামারের সাথে যুক্ত।

    এই ছাদে দাড়িয়ে কথা বলছিলাম মি. রহমানের বোন তাহমিনা আক্তারের সাথে। তিনি বলছিলেন ১০- ১২ বছর আগে এই খামার করার চিন্তাটা আসে।

    মি. রহমান সেবার ঈদে একটি গরু কিনে আনেন। কিন্তু কোরবানীর জন্য যথেষ্ট বয়স না হওয়ায় তিনি গরুটি রেখে দেন। এরপর নিয়ে আসেন আরেকটি গরু। আর এভাবেই শুরু।

    ছোট দুটি গরু নিয়ে বাসার ছাদে পালতে শুরু করেন, এখন ঐ খামারে সব সময় ১৫ থেকে ২০ টা গরু থাকছে।

    গরু গুলো বড় হলে তাদের মধ্যে কয়েকটি বিক্রি করছেন। আর বাকি গুলো থেকে দুধ বিক্রি করছেন। প্রতিদিন গরু গুলো থেকে প্রায় ৪০ লিটার দুধ পাচ্ছেন এই খামারিরা।

    বর্তমানে খামারটিতে রয়েছে আটটি অস্ট্রেলিয়ান গরু। আর চারটি নেপালি গরু। বাকি ছয়টি এবছর কোরবানির ঈদের জন্য বিক্রি করা হয়েছে।



     

     

     

     

     

     

     

     

     

     

     

    শীতের দিনে একবার। সাবান, শ্যাম্পু দিয়ে পরিষ্কার করেন তাদের।

    ছাদের ওপরে টিনের ছাউনি দেয়া আর সামনে বাঁশ দিয়ে ঘিরে তৈরি করা হয়েছে গরুর থাকার জায়গা। ভিতরে চলছে ফ্যান।

    গরু পালন করতে সাধারণত বড় জায়গার প্রয়োজন হয়। ছাদের ওপর সীমিত এই জায়গায় গরুর জন্য কতটা স্বস্তি দায়ক? প্রশ্ন করলে মি. রহমান বলছিলেন " তাদের আরাম আয়েশের জন্য সব ব্যবস্থা আছে। কোন কষ্ট হয় না তাদের"।

    যেখানে রাজধানী ঢাকায় স্থান স্বল্পতার জন্য নানা সমস্যার কথা প্রায় সময় শোনা যায়, সেখানে ছাদের ওপর এই খামার তৈরি করে এই খামারের মালিকের যেমন লাভবান হচ্ছেন তেমনি একই সাথে প্রতিবেশীরা এখান থেকে ভেজাল মুক্ত টাটকা গরু দুধ কিনতে পারছেন।

    তাই তারাও স্বাগত জানাচ্ছেন অভিনব এই উদ্যোগকে।

     

     

     

     

     

     

     

     

     

     

    Wednesday, May 4, 2016

    ড্রাম সিডার

  • Share The Gag
  • ড্রাম সিডারের বিবরণ : এটি প্লাস্টিকের তৈরি ছয়টি ড্রাম বিশিষ্ট বীজ বপন যন্ত্র। ড্রামগুলো ২.৩ মিটার লম্বা লোহার দণ্ডে পরপর সাজানো থাকে। লোহার দণ্ডের দুই প্রান্তে প্লাস্টিকের তৈরি দু’টি চাকা এবং যন্ত্রটি টানার জন্য একটি হাতল যুক্ত থাকে। প্রতিটি ড্রামের দৈর্ঘ্য ২৫ সেন্টিমিটার এবং ব্যাস ৫৫ সেন্টিমিটার এবং এর দুই প্রান্তে ২০ সেন্টিমিটার দূরত্বে দুই সারি ছিদ্র আছে। প্রয়োজনে রাবারের তৈরি সংযুক্ত বেল্টের সাহায্যে এক সারি ছিদ্র বন্ধ রাখা যায়।






    • কাদাময় জমিতে ড্রাম সিডার দিয়ে সারি করে সরাসরি বীজ বপন ধান চাষাবাদের একটি সহজ প্রযুক্তি। এ পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি, চারা উত্তোলন ও রোপণ করতে হয় না বিধায় সময়, শ্রম ও উৎপাদন ব্যয় বহুলাংশে কমানো সম্ভব।






    • জমি ও পরিবেশ ভেদে আউশ, আমন ও বোরো তিন মৌসুমেই এ প্রযুক্তিতে ধান চাষ করা যাবে, তবে আউশ ও বোরো মৌসুমে এটি বেশি উপযোগী।






    • ড্রাম সিডার দিয়ে বোনা ধানের ফলন রোপা ধানের তুলনায় শতকরা ১০-২০ ভাগ বেশি হতে পারে।






    • যন্ত্রটি হালকা বলে সহজে বহনযোগ্য। একজন লোক ঘণ্টায় অন্তত ১ বিঘা জমিতে বীজ বপন করতে পারে।





    • এ পদ্ধতিতে চাষাবাদ করলে ফসল রোপা পদ্ধতির চেয়ে ১০-১৫ দিন আগে পাকে।



    জমি তৈরি ও বীজ বপন : ধান রোপণের জন্য জমি যেভাবে কাদা করতে হয় সেভাবেই জমি উত্তমরূপে চাষ ও মই দিয়ে কাদাময় করে নিতে হবে। জমি সমতল করতে হবে, বীজ বপনের সময় যেন কোথাও পানি দাঁড়িয়ে না থাকে। ভালো বীজ ২৪ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে পরে ২-৪ দিন (মৌসুমের তাপমাত্রা কম-বেশির উপর নির্ভরশীল) জাগ দিয়ে ভালোভাবে অঙ্কুরিত করে নিতে হবে। অঙ্কুর খুব ছোট হলে অতিরিক্ত বীজ পড়ে যাবে, আবার অঙ্কুর বেশি লম্বা হলে ড্রামের ছিদ্র দিয়ে পড়বে না। সাধারণত অঙ্কুরের দৈর্ঘ্য ৪-৫ মিলিমিটার অর্থাৎ একটি ধানের সমান লম্বা হলেই ভালো হয়। ড্রামে বীজ ভরার আগে অঙ্কুরিত বীজ ১-২ ঘণ্টা ছায়ায় ছড়িয়ে দিয়ে বাতাসে শুকিয়ে নিলে ভালো হবে। বোনার সময় চাকার পেছনে ২-৩ ফুট লম্বা চিকন এক খণ্ড কলা গাছ বেঁধে নিলে (হালকা মই হিসেবে) জমিতে পায়ের দাগ বা গর্ত মুছে যাবে এবং কিছু বীজের অপচয়ও রোধ হবে।

    অঙ্কুরিত বীজ ড্রামে ভরার সময় লক্ষ রাখতে হবে যেন ড্রামের এক-তৃতীয়াংশ অবশ্যই খালি থাকে। ড্রামের গায়ে আঁকা ত্রিভুজাকৃতি চিহ্ন যেন সবসময় সামনের দিকে থাকে। সাধারণত একক ঘন সারিতে বীজ বপন করা উত্তম এবং এতে বিঘাপ্রতি ৩.৫-৪.০ কেজি বীজ প্রয়োজন হয়।


    মৌসুম ও বপনের সময় : বোরো মৌসুমে নভেম্বরের শেষ থেকে ডিসেম্বর মাসের প্রথমার্ধে বীজ বপন করতে হবে। আমন মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের সুযোগ আছে এমন মাঝারি উঁচু জমিতে জুনের শেষার্ধ থেকে জুলাইয়ের মাঝামাঝি পর্যন্ত এ পদ্ধতিতে বীজ বোনা যায়। তবে বীজ বপনের অন্তত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই এমন সময় বেছে নিতে হবে। কারণ বপনের পরপর ভারী বৃষ্টি হলে বীজের সারি ও বীজ এলোমেলো হয়ে যেতে পারে।





    পরিচর্যা : সার ব্যবস্থাপনা রোপা পদ্ধতির মতো। তবে ইউরিয়া সার এলসিসি ভিত্তিক প্রয়োগ করা যেতে পারে। বপনের প্রথম ৪-৫ দিন জমিতে পানির প্রয়োজন নেই। মাটি ভিজা থাকলেই চলবে। পরে গাছের বৃদ্ধির সাথে খাপ খাইয়ে প্রথমে ছিপছিপে পানি এবং গাছ কিছুটা বড় হয়ে গেলে রোপা পদ্ধতির অনুরূপ পানির ব্যবস্থাপনা করতে হবে। রোপণ পদ্ধতির চেয়ে সরাসরি ধান বোনা পদ্ধতিতে আগাছার প্রাদুর্ভাব বেশি হয়। ড্রাম সিডারে সারিতে বপন হওয়ায় নিড়ানি বা উইডার দিয়ে আগাছা দমন সহজ হয়। এ ক্ষেত্রে ব্রি-উইডার বেশি উপযোগী। তবে উইডার প্রয়োগের পরে হাত দিয়ে সারির ভেতরের আগাছা পরিষ্কার করা দরকার। আগাছা দমনের জন্য আগাছানাশকও ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে বোরো মৌসুমে বীজ বপনের ৭-১০ দিন এবং আমন ও আউশ মৌসুমে ৪-৬ দিনের মধ্যে জমিতে ২০-২৫ মিলিলিটার রনস্টার অথবা ১০-১২ মিলিলিটার রিফিট ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতাংশ জমিতে সমানভাবে স্প্রে করতে হবে। জমিতে ছিপছিপে দাঁড়ানো পানি থাকা অবস্থায় আগাছানাশক প্রয়োগ করতে হবে এবং পরের ৩-৫ দিন অবশ্যই ছিপছিপে পানি রাখতে হবে। অধিকন্তু নিরাপদ আগাছানাশক ব্যবহার করার জন্য আগাছানাশকের বোতল/প্যাকেটের গায়ে লেখা নির্দেশাবলী ও সতর্কবাণী মেনে চলতে হবে।

    [paypal_donation_button]



     

    Friday, April 22, 2016

    ধান কাটার মেশিন বানালো সীতাকুণ্ডের খুদে বিজ্ঞানী

  • Share The Gag
  • কম খরচের ব্যাটারী চালিত বাইক আবিস্কার করে সারা দেশে আলোচনার ঝড় তোলা সীতাকুণ্ডের মুন্নার আবিস্কৃত নতুন যন্ত্রে এবার কাটা হবে কৃষকের ধান। অল্প খরচে ধান কাটা মেশিনটি দেশের কৃষিতে বয়ে আনতে পারে নতুন বিপ্লব। গবেষনাধর্মী যন্ত্রটি নিজস্ব কারিগরি সহায়তায় তৈরী করা হয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে। নতুন ধরনের ধান কাটার মেশিন দেখে জনতার মুখে ফুটেছে হাসি। এ সময় জানতে চাওয়া উৎসুক জনতার নিকট মুন্না বর্ণনা করেন তার নতুন আবিস্কৃত যন্ত্রের কথা।

    মুন্না বলেন,‘ আমি সামান্য একটি গরীব ঘরের সন্তান। মাছ চাষের মাধ্যমে অতি কষ্টে সাংসারের ভরন-পোষন চালান বাবা। ভাই-বোনের মধ্যে বড় ছেলে, পড়া-লেখায় একটি বেসরকারী পলিটেকনিক্যাল কলেজে অধ্যায়ন করছি। জন্মসূত্রে মিরশ্বারাই উপজেলার অধিবাসী হলেও বর্তমানে সীতাকুণ্ড উপজেলার ৪ নং মুরাদপুর ইউনিয়নের পূর্ব মুরাদপুর গ্রামের পেশকার পাড়ার অধিবাসী। পড়া-লেখার পাশাপাশি সব সময় মাথায় কাজ করে গরীব দেশের মানুষদের জন্য কিছু করার। এরপর থেকে অল্প আয়ের মানুষদের জন্য আবিস্কার করছি নতুন নতুন যন্ত্র। স্কুল জীবনে গবেষনার মাধ্যমে অল্প বিদ্যুৎ খরচের মসল্লা ভাঙার যন্ত্র তৈরীর করে আবিস্কারের যাত্রার সূচনা। এরপর ব্যাটারী চালিত একটি অটো বাইক আবিস্কার করে দেশ-বিদেশে আলোচনা ঝড় তোলি। বাইকটি পরিক্ষামূলক চালানোর সময় চোখে পড়ে নানা মহলে। এরপর বিভিন্ন পত্রিকায় আবিস্কার নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে গবেষনা কাজে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি মন্ত্রী। নতুন যন্ত্রের আবিস্কারক হিসেবে সরকারী অনুদানসহ একটি ল্যাপটপ উপহার দেয়া হয়। তারপর থেকে শুরু হয় নতুন গবেষনার। আবিস্কারে সক্ষম হই ধান কাটার নতুন যন্ত্র। এ যন্ত্রের সাহায্যে ঘন্টায় ১ একর জমির ধান এক সাথে কাটা যাবে। একই মেশিনের সাহায্যে জমিতে হাল দেয়া, ধান কাটা, ধান মাড়াই ও ধান ভাঙার কাজ চলানো সম্ভব।

    মুন্না আরো বলেন, ‘দীর্ঘ ৭ মাস গবেষনামূলক পরিশ্রম চালিয়ে নিজস্ব প্রযুক্তিতে কৃষকভাইদের জন্য নতুন যন্ত্রটি আবিস্কার করি। এই যন্ত্র আবিস্কারে প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার যন্ত্রাংশ ক্রয় করতে হয়েছে। রাত-দিন পরিশ্রম করে শিপ ইয়ার্ডের মোটা আকৃতির চেইন, লোহার প্লেট, এলমোনিয়াম, ব্যায়ারিংসহ বহু মূল্যবান যন্ত্রাংশ দিয়ে তৈরী করা হয় ধান কাটার এই মেশিন। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ভবিষ্যতে আরো গবেষনা চালিয়ে দেশের উন্নয়নে সব রকমের কাজ করা ইচ্ছা পোষন করেন তিনি।

    Wednesday, April 20, 2016

    শেরপুরে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ

  • Share The Gag
  • বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় কৃষি অধিদফতরের উদ্যোগে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১০টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাবিবর রহমান এসব কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করেন। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম সরোয়ার জাহান, বগুড়া কৃষি অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আব্দুর রহিম, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফিরোজুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মেয়র আব্দুস সাত্তার, কৃষি কর্মকর্তা খাজানুর রহমান, সাপ্তাহিক আজকের শেরপুর পত্রিকার সম্পাদক মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার একেএম ওবায়দুর রহমান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খাজানুর রহমান জানান, সমন্বিত কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ প্রকল্পের আওতায় এই উপজেলার ১১টি কৃষক গ্রপের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়। এরমধ্যে রয়েছে ৬৬টি হস্তচালিত স্প্রে মেশিন ও ১১টি সেচ পাম্প।

     

    Wednesday, February 17, 2016

    সেক্স ফেরোমোন

  • Share The Gag
  • ফেরোমোন বা এক্টোহরমোন হল এমন এক ধরণের রাসায়নিক আকর্ষক পদার্থ যা কীটপতঙ্গের দেহ থেকে বাইরের পরিবেশে নির্গত হয় এবং তা ঐ কীটপতঙ্গের নিজস্ব প্রজাতির পোকাকে আকৃষ্ট করে। আর যে ফেরোমোন প্রজননের উদ্দেশ্যে তার বিপরীত লিঙ্গের পোকাকে কাছে টানে তাকে সেক্স ফেরোমোন বলে। অধিকাংশ লেপিডোপটেরা বর্গের স্ত্রী পোকা এই ফেরোমোন নিঃসরণ করে। যেমন-ডাই মিথ্যাইল ডিক্যাল ২,৬ ডাইলরিক এসিড।

    পোকা সেক্স হরমোন দিনের বেলায় কোন নির্দিষ্ট সময়ে নিঃসরণ করে থাকে। এই বিশেষ সময় সনাক্ত করে পোকা থেকে সেক্স ফেরোমোন আহরণ করে পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ করে তার গঠন জেনে কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়। বিভিন্ন ফসলের পোকা ধরার জন্য ফাঁদে সেক্স ফেরোমোন ব্যবহার করা হয়। ফাঁদ দিয়ে পূর্ণবয়স্ক পুরুষ পোকা ধরা হয়। অল্প পরিমাণে পোকা ফাঁদে পড়লে পোকার আক্রমণের সময় ও তীব্রতা সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়া যাবেনা।

    একটি ফসলে ধরা পড়া পোকা দেখে অন্য ফসলে কি পরিমাণে পোকা আসবে তার পূর্বাভাস দেয়া যায় না। এমনকি যদি ফসল দু’টি পাশাপাশি ক্ষেতেও থাকে। সেক্স ফেরোমোন ব্যবহৃত ফাঁদ খুবই কার্যকরী ব্যবস্থা হিসাবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। বর্তমানে বেগুনের ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা ও কুমড়ার মাছি পোকা দমনে সেক্স ফেরোমোন ফাঁদ ব্যবহৃত হচ্ছে যা কিনা কার্যকরীভাবে পোকা নিয়ন্ত্রণ করছে এবং একই সাথে পরিবেশ বান্ধব।

    Friday, February 12, 2016

    কৃষি যন্ত্রপাতি -একের ভেতর চার

  • Share The Gag
  • একসঙ্গে ধানকাটা, মাড়াই, ঝাড়া ও বস্তাবন্দী করার যন্ত্র তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর কৃষক আনোয়ার হোসেন (৫০)। যন্ত্রটি দিয়ে এ বছর দিনাজপুরের কয়েকটি এলাকায় বোরো ধান কেটে ঘরেও তুলেছেন কৃষকেরা।


    যন্ত্রটি ‘কম্বাইন্ড হারভেস্টার’ নামে পরিচিত। এতে ধান কাটায় প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় সময় ও খরচ অনেক কম লাগে। আর মাঠে-ঘাটে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে অনেক ধানের অপচয়ও হয় না।


    নতুন-পুরোনো যন্ত্রপাতি ও লোহালক্কড় দিয়ে আনোয়ার হোসেনের এই যন্ত্র তৈরির বিভিন্ন পর্যায়ে সরকারের পরিকল্পনা কমিশন, কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং ঢাকার ডেনিশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেছেন। সর্বশেষ ১৩ জুন যন্ত্রটি দিয়ে ধান কাটা দেখতে গিয়েছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা।


    কৃষকের কথা: ৭ জুন সকালে ফুলবাড়ী উপজেলার বাসুদেবপুর গ্রামে গিয়ে আনোয়ারের তৈরি কম্বাইন্ড হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটতে দেখা গেল। জমির মালিক জাকির হায়দার প্রথম আলোকে বলেন, যন্ত্রটি দিয়ে দেড় ঘণ্টারও কম সময়ে এক একর জমির ধান কাটা-মাড়াই-ঝাড়া ও বস্তায় ভরা যাচ্ছে। টাকা দিতে হচ্ছে সাড়ে তিন হাজার। যন্ত্রটি ভাড়ায় নেওয়ার জন্য অনেক কৃষকই আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। তিনি ১৫ দিন আগে যোগাযোগ করে যন্ত্রটি ভাড়া পেয়েছেন।


    একই এলাকার কৃষক মনছের আলী, শওকত ও শমসের হোসেনের সঙ্গেও কথা হয়। তাঁরা বলেন, বর্তমানে একজন শ্রমিকের দৈনিক মজুরি সর্বনিম্ন ৪০০ টাকা। কমপক্ষে ১৫ জন শ্রমিক সারা দিন কাজ করলে এক একর জমির ধান কাটা-মাড়াই করতে পারেন। ব্যয় হয় কমপক্ষে ছয় হাজার টাকা। তা ছাড়া শ্রমিক দিয়ে কাজ করালে অনেক ধানের অপচয়ও হয়। কিন্তু এ যন্ত্রে অপচয়ের বালাই নেই।


    আনোয়ারের তৈরি কম্বাইন্ড হারভেস্টারের প্রথম ব্যবহারকারী কৃষক মজিবর রহমান। তিনি বলেন, ওই যন্ত্র দিয়ে তিনি দুই দিনে ১০ একর জমির ধান কেটেছেন। এতে তাঁর খরচ পড়েছে ৩৫ হাজার টাকা। এক ছটাক ধানও তাঁর নষ্ট হয়নি। ওই ধান শ্রমিকদের দিয়ে কাটালে কমপক্ষে ৬৫ হাজার টাকা খরচ হতো।


    আনোয়ারের কথা: ৭ জুন ধান কাটার সময় আনোয়ার হোসেনও উপস্থিত ছিলেন। তখন তাঁর সঙ্গে কথা হয়। জানালেন যন্ত্রটির আদ্যোপান্ত। তিনি বলেন, এই প্রথম দেশীয় যন্ত্রপাতি দিয়ে কম্বাইন্ড হারভেস্টার তৈরি করা হলো। কোরিয়ার তৈরি হারভেস্টারের চেয়ে তাঁর তৈরি যন্ত্রে কৃষকের অর্ধেকেরও বেশি টাকা সাশ্রয় হবে। কোরিয়ার যন্ত্রটির দাম প্রায় ২৯ লাখ টাকা হলেও তাঁর খরচ হয়েছে সাড়ে ছয় লাখ টাকা। তবে যন্ত্রটি আরও দক্ষ, টেকসই করতে হলে খরচ হবে মোট প্রায় নয় লাখ টাকা।


    কোরিয়ার কম্বাইন্ড হারভেস্টার দিয়ে এক একর জমির ধান কাটা-মাড়াই-ভাড়া ও বস্তায় ভরতে সময় লাগে একঘণ্টা ২০ মিনিট। ডিজেল লাগে ১৫-১৬ লিটার। যন্ত্রটির গতি কম হওয়ায় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিতে আলাদা গাড়ি লাগে। খুচরা যন্ত্রাংশ সহজে পাওয়া যায় না। বড় শহরে পাওয়া গেলেও দাম বেশি। কিন্তু আনোয়ারের তৈরি কম্বাইন্ড হারভেস্টারে একই পরিমাণ জমির কাজে সমান সময় লাগলেও ডিজেল খরচ পাঁচ-ছয় লিটার। গতি বেশি হওয়ায় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সহজেই নেওয়া যায়। ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশও সহজলভ্য। তিন দিন প্রশিক্ষণ দিলে যে কেউ এই যন্ত্র চালাতে পারেন।


    হারভেস্টার তৈরি: কৃষক পরিবারের সন্তান হলেও আনোয়ার পেশায় ছিলেন পল্লি চিকিৎসক। সরকারি প্রশিক্ষণ নিয়ে গ্রামের মানুষের চিকিৎসায় নিয়োজিত ছিলেন ফুলবাড়ীর আলাদীপুর ইউনিয়নের বাসুদেবপুর গ্রামের এই বাসিন্দা। কিন্তু চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের বেশির ভাগই দরিদ্র এবং তাঁর পরিচিত আশপাশের গ্রামবাসী হওয়ায় তিনি তাঁদের কাছ থেকে টাকা নিতেন না। ফলে কৃষি থেকে কিছু আয় থাকলেও সংসারে বেশ টানাটানি পড়ে যায়।


    Untitled-14এই অবস্থায় আনোয়ার চিকিৎসা পেশা বাদ দিয়ে কৃষিতে মনোযোগী হন। ২০০৬ সালে কৃষিযন্ত্র কেনায় সরকারি সহায়তার সুযোগ নিয়ে কোরিয়ার তৈরি একটি রিকন্ডিশন্ড কম্বাইন্ড হারভেস্টার কেনেন। ধান কাটার মৌসুমে কৃষকদের মধ্যে ওই যন্ত্রের ব্যাপক চাহিদা হয়। তাঁরও ব্যবসা জমে ওঠে।এরপর আনোয়ার পর্যায়ক্রমে আরও পাঁচটি যন্ত্র কেনেন। কিন্তু এক বছর পর দেখা দেয় বিপত্তি। শুরু হয় যন্ত্রের ছোটখাটো সমস্যা। বাজারে যন্ত্রাংশ পাওয়া যায় না। কিছু যন্ত্রাংশ সরাসরি কোরিয়া থেকে আনতে হয়। দামও বেশি। দুই বছর পরই তাঁর সব কটি যন্ত্র ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।আবার আনোয়ার ধারদেনায় জড়িয়ে পড়েন। এই অবস্থায় পুরোনো যন্ত্রগুলোর কিছু কিছু অংশ ব্যবহার করে নিজেই কম্বাইন্ড হারভেস্টার তৈরির কাজে হাত দেন। এই কাজে তাঁকে সহায়তা করে ফুলবাড়ী-মাদিলাহাট সড়কে সুজাপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে ‘ফুলবাড়ী ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ’। ২০১০ সালেই প্রথম যন্ত্রটি তৈরি করেন তিনি। কিন্তু সেটিতে সামান্য ত্রুটি থাকায় ব্যবহারযোগ্য হয়নি।এই সময় সরকার শুরু করে খামার যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্প। কৃষিকাজে যন্ত্রের ব্যবহার উৎসাহিত করতে কৃষকদের ঋণ সহায়তা এবং ভর্তুকি দামে যন্ত্রপাতি কেনার সুযোগ দেওয়া হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে কৃষি যান্ত্রিকীকরণবিষয়ক মেলা, সভা-সেমিনারেও যোগ দিতে থাকেন আনোয়ার হোসেন। নতুন নতুন যন্ত্রপাতি দেখে দেখে চলতে থাকে নিজের তৈরি যন্ত্রটির ত্রুটি সংশোধন। অবশেষে ২০১২ সালের শেষের দিকে তিনি সফল হন। এখন যন্ত্রটি আরও আধুনিক করতে কাজ করছেন। তিনি দুটি যন্ত্র তৈরি করেছেন। সহায়তা পেলে আরও আধুনিক কম্বাইন্ড হারভেস্টার তিনি কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারবেন।আনোয়ার হোসেন বলেন, কম্বাইন্ড হারভেস্টার তৈরিতে সবচেয়ে বেশি উৎসাহ দিয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খামার যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের পরিচালক শেখ মো. নাজিম উদ্দীন।নাজিম উদ্দীন প্রথম আলোকে বলেন, এই যন্ত্র বর্তমানে কৃষিকাজে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। ভরা মৌসুমে ধান কাটার জন্য প্রয়োজনীয় মজুর পাওয়া যায় না। মজুরিও অনেক বেশি। কাজেই আনোয়ারের তৈরি যন্ত্রটি উন্নয়নে সরকার তাঁকে কীভাবে সহায়তা করতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।


    তথ্য-সূত্র- প্রথম আলো-