পটুয়াখালীতে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখীর চাষ। সরিষা ও তিলের চেয়ে লাভজনক হওয়ায় সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানবদেহের জন্য এ তেল বেশ উপকারী।
পটুয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় মাঠের পর মাঠ জুড়ে চাষ করা হয়েছে সূর্যমুখী। অনুকূল আবহাওয়া ও যথাযথ পরিচর্যায় ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে কৃষকের ক্ষেত। সবুজ পাতার মাঝে হলুদ রঙের বাহারি দৃশ্যে জুড়িয়ে যায় চোখ। মাথা নিচু করে হাল্কা বাতাসে দোল খায় প্রতিটি ফুল।
এসব ফুল থেকে তৈরি হয় স্বাস্থ্যকর তেল। চিনা বাদাম, সরিষা ও তিলের বিপরীতে মাত্র ৩ মাসেই সূর্যমুখীর ফলন পায় চাষিরা। আর এ কারণে সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বাড়ছে তাদের।
কোলেস্টেরল মুক্ত হওয়ায় সূর্যমুখী তেল স্বাস্থ্যসম্মত বলে মনে করেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কৃষি অনুষদ ডিন প্রফেসর মো. হামিদুর রহমান।
পটুয়াখালীর মাটি সূর্যমুখী চাষের জন্য বেশ উপযোগী বলে জানালেন পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম মাতুব্বর।
কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এ বছর জেলায় ৫শ' ৩০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করা হয়েছে।
Showing posts with label পটুয়াখালীতে জনপ্রিয় হচ্ছে সূর্যমুখীর চাষ. Show all posts
Showing posts with label পটুয়াখালীতে জনপ্রিয় হচ্ছে সূর্যমুখীর চাষ. Show all posts
Saturday, April 30, 2016
Subscribe to:
Comments (Atom)