Showing posts with label পোকামাকড় ও রোগবালাই. Show all posts
Showing posts with label পোকামাকড় ও রোগবালাই. Show all posts

Monday, July 3, 2017

পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পোকার চাষ!

  • Share The Gag
  • পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পোকার চাষ!



    নিত্য নতুন খাবার আবিষ্কার হচ্ছে, কিন্তু সেসব খাবারে প্রকৃত পুষ্টি পাচ্ছে না মানুষ। তাই বিজ্ঞানীরা বলছেন, খুব শিগগিরই ইউরোপে পোকা চাষের ফার্ম চালু হবে। পোকা ছাড়া কোনোভাবেই পুষ্টির চাহিদা পূরণ হওয়া সম্ভব নয়। কারণ, শুককীট বা ল্যাদা পোকায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে, যা মানুষের পুষ্টির চাহিদা মেটাবে।

    জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার তথ্যানুসারে ২০০০ সালে মাংস বা প্রোটিনের চাহিদা যা ছিল, তা থেকে ২০৩০ সাল নাগাদ প্রায় ৭২ ভাগ বেড়ে যাবে। আর তখন প্রোটিনের চাহিদা পূরণে হিমসিম খেতে হবে মানুষকে। বর্তমানে পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে বিভিন্ন প্রাণীর মাংস খাই আমরা। কিন্তু তথন এমন পরিস্তিতি সৃষ্টি হবে যে প্রাণীর মাংসেও পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে পারবে না। তাই বাধ্য হয়েই পোকা মাকড়ের উপর নির্ভরশীল হবে মানুষ।

    ২০১৩ সালেও জাতিসংঘ থেকে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনেও টেকশই পুষ্টি চাহিদা পূরণের জন্য পোকা চাষের প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘাস ফড়িং, পিঁপড়া ও অন্যান্য পোকামাকড় চাষ করে পুষ্টি চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। তবে পোকা চাষের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার। যেসব পোকামাকড় পরিবেশের ক্ষতি করে না সেগুলো চাষ করতে হবে। আর এদিকে অন্যান্য প্রোটিনের উৎস যেমন মাছ ও মাংসও সচল রাখতে হবে।

    গত বছরে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নও এক প্রতিবেদনে ক্রমবর্ধমান পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে পোকা চাষের ব্যাপারে উৎসাহিত করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য পোকা খাওয়ার বিষয়টি এলিয়েন কালচার মনে হলেও এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও আফ্রিকার প্রায় ২ মিলিয়ন মানুষের প্রধান প্রোটিনের উৎস এই পোকামাকড়। এই পোকামাকড়গুলোর মধ্যে শুঁয়োপোকা, উইপোকা, ঘাস ফড়িং, ঝিঁঝিঁ, অরুচিকর বাগ এবং অন্যান্য পোকামাকড় খুব জনপ্রিয়। কিন্তু এসব পোকামাকড় সেখানে কোনো ফার্মে চাষ হয় না। ওইসব অঞ্চলের মানুষ প্রাকৃতিকভাবে পোকা সংগ্রহ করে খায়।’

    ইউরোপে এখন যে পোকামাকড়ের ব্যবহার হয় না তা কিন্তু নয়। তবে মানুষের খাবার হিসেবে ব্যবহার হয় কমই। সাধারণত বাসার পোষা প্রাণীর জন্য তারা এসব পোকা কেনেন এবং সেগুলোকে পোষেন। তবে যে পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে তাতে এবার মানুষের খাবারের জন্য পোকার চাষ শুরু হবে। এবং এটি মাছ ও মাংসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হবে। তার মধ্যে শুককীট, বা উড়ন্ত পোকা খুবই উপযুক্ত বিকল্প হিসেবে মনে করছেন গবেষকরা।



    ইতিমধ্যেই ইউরোপিয়ান কমিশন ‘প্রোটইনসেক্ট’ নামের এক প্রজেক্ট চালু করেছে। এই প্রজেক্টের কাজ হলো কোন কোন প্রাণী বা পোকা মানুষের পুষ্টির জন্য বেশি উপযোগী ও পরিবেশের কোনো ক্ষতি করে না, তা গবেষণা করে বের করা।

    ‘প্রোটইনসেক্ট’ ও ‘মিনেভরা কমিউনিকেশন ইউকে’ এক সাথে কাজ করছে। মিনেভরা কমিউনিকেশনের এক মুখপাত্র বলেন, ‘ইউরোপের নীতিমালায় কোন পোকামাকড় খাওয়া বা পালন করার ব্যাপারে আইন আছে। তবে সম্প্রতি পোকা চাষের যে কথা উঠেছে তাকে আমরা খুবই উদ্বিঘ্ন। কারণ আবার সব নীতিমালা পরিবর্তন করতে হবে। কোন কোন পোকা ফার্মে চাষ করা যাবে আর কোনগুলো যাবে না তা নির্ধারণ করতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি।’

    তবে পোকা চাষের ব্যাপারে সবচেয়ে যে বিষয় নিয়ে সবাই সবচেয়ে উদ্বিগ্ন তা হলো- মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকি। কারণ, এখনও অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, কিছু পোকা আছে যেগুলো মানুষের খাওয়া ‍উচিত নয়। সেগুলো মানুষের পাকস্থলী হজম করতে পারবে না, বা স্বাস্থ্যের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

    তবে ইউরোপীয় খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ (ইএফএসএ) এই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছে। তারা বলছেন, অন্যান্য প্রাণীর মাংস যেভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, ঠিক সেভাবেই পোকা প্রক্রিয়াজাত করা হবে। সুতরাং এখানে ক্ষতির কোনো সম্ভাবনা নেই। আর মানুষের পুষ্টির চাহিদাও পূরণ হবে।

    তাই ইউরোপিয়ান কমিশন তাদের ‘প্রোটইনসেক্ট’ প্রোজেক্টের ডাটা-গুলি আবার যাচাইবাছাই করছে। ডাটা-গুলির উপর নির্ভর করবে কত তাড়াতাড়ি আবার পোকার ফার্ম চালু করা যায়। যদি তারা মনে করেন, পোকা চাষ করা সম্ভব- তাহলে খুব শিগগিরই পোকা চাষের ফার্ম চালু করা হবে।

    Saturday, May 20, 2017

    নিরাপদ সবজির উৎস হোক ছাদ কৃষি

  • Share The Gag
  • নিরাপদ সবজি উৎপাদন ছাদ কৃষির উৎস

    ঢাকাশহর শুধু না বাংলাদেশের প্রায় শহরেই এখন ছাদ কৃষি বহুল আলোচিত। বাংলাদেশের বহুল টিভি চ্যানেল ও এখন হৃদয়ে মাটি ও মানুষের ডাকের পাশাপাশি ছাদ কৃষি নিয়েই আলাদাভাবে টিভি প্রতিবেদন করছে যার ফলশ্রুতিতে দেশের প্রায় অঞ্চলেই বৃদ্ধি পাচ্ছে ছাদে বাগান। অল্প পরিসর জায়গাতেই অনেকেই গড়ে তুলেছে সুন্দর সুন্দর বাগান। কেউ করছে ফুলের বাগান কেউ করছে ফলজ বাগান আবার কেউ ছাদেই উৎপাদন করছে নিয়মিতভাবে সারা বছরের সবজি। এই যে যারা বাগান করছে তারা প্রায়শ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয় যেমন গাছের পাতার রঙ পরিবর্তন হওয়া, বিভিন্ন পোকামাকড় এর উপদ্রব আর যারা বাগান করছে তারাও থাকেন ব্যাপক বিপাকে কোথায় মিলবে এর যথোপযুক্ত সমাধান। আবার সমাধান পেলেও কোথায় মিলবে এই পণ্যাদি??

    প্রায় ছাদ বাগানেই চায় নিরাপদ ছাদ বাগান আর সেই ছাদ বাগান থেকেই পাবে কিছু নিরাপদ সবজি কিন্তু নিরাপদ সবজি উৎপাদন করতে হলে কিছু পণ্যাদি দরকার হবে যা কিনা রাসায়নিক উপাদান ছাড়া তাহলে কোথায় মিলবে এই পণ্যাদি?? আসুন জেনে নেই কোথায় কি কি পণ্যাদি পাবেন নিরাপদ রাসায়নিক মুক্ত চাষাবাদ করার জন্য।

     

    বাংলাদেশের বহুল পরিচিত কোম্পানি ইস্পাহানী এগ্রো লিমিটেড নিরাপদ কৃষির জন্য কাজ করছে অনেকদিন ধরে গড়ে তুলেছে ইস্পাহানী বায়োটেক লিমিটেড আর তাদের কিছু পণ্যাদি সারা দেশ জুড়ে নিরাপদ রাসায়নিক মুক্ত ফসল উৎপাদনে রাখছে বিশাল ভুমিকা আর হ্যা আসুন তাদের এমন কিছু পণ্যাদি সম্পর্কে কিছুটা পরিচিত হয়ে নেই।

     

    বায়োনিম প্লাস (Bio Neem Plus)

     



    নিম ভিত্তিক ইসি অ্যাজাডিরেকটিন ১% সমৃদ্ধ।

     

    • বেগুনের জাব পোকা (এফিড) দমনে কার্যকরী

    • এটি একটি পরিবেশ বান্ধব কীটনাশক।

    • আই পি এম এর সাথে ব্যবহার যোগ্য।


     

    যে সকল ফসলের জন্য উপযোগীঃ

    বেগুণ, টমেটো, সিম, করলা, পটল, কাঁকরোল, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ঢেঁড়স, মরিচ, পেঁয়াজ এছাড়াও বিভিন্ন প্রকার ফুল, ফল, তুলার জন্য অনেক উপযোগী একটি পরিবেশ বান্ধব পণ্য।

     

    প্যাঁক সাইজ- ৫০ মিলি, ১০০ মিলি,

     

    ইকোম্যাক (Ecomac)



    ইকোম্যাক ১.৮ ইসি একটি বায়োপেস্টিসাইড যা এবামেকটিন সমৃদ্ধ। এটি একটি এন্টিবায়োটিক যা ক্ষতিকর পোকা, মাকড় ও নেমাটোড দমনে কার্যকরী এবং পরিবেশ বান্ধব।

    যে সকল ফসলের জন্য উপযোগীঃ

    বেগুণ, টমেটো, সিম, করলা, পটল, কাঁকরোল, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ঢেঁড়স, মরিচ, পেঁয়াজ এছাড়াও বিভিন্ন প্রকার ফুল, ফল, তুলার জন্য অনেক উপযোগী একটি পরিবেশ বান্ধব পণ্য।

     

    প্যাঁক সাইজ- ৫০ মিলি, ১০০ মিলি,

    ঢাকা শহরে এই পণ্য গুলো বিক্রি করছে কৃষি ষ্টোর - ০১৭৭১৬২৫২৫২।

    Friday, May 19, 2017

    ​পাটের কালো পট্টি রোগে করণীয়

  • Share The Gag
  • পাটের কালো পট্টি রোগ

    কালো পট্রি রোগের লক্ষণ প্রায় কান্ড পচা রোগের মতই। তবে এতে কান্ডে কাল রং এর বেষ্টনীর মত দাগ পড়ে। আক্রান্ত স্থানে ঘষলে হাতে কালো গুড়ার মত দাগ লাগে। সাধারণতঃ গাছের মাঝামাঝি বয়স থেকে রোগ বেশী দেখা দেয়। এ রোগে গাছ ভেঙ্গে পড়ে না তবে গোটা গাছটি শুকিয়ে মরে যায়, ফলে আঁশ নিম্নমানের হয় ও ফলন কম হয়। সাধারণত তোষা পাটে এ রোগের প্রকোপ বেশী দেখা যায়। খরার সময় এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশী হয়। সাধারণত জুন মাস থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্তে এ রোগের প্রকোপ দেখা যায়। 

    প্রতিকার:

    ১. এ রোগের প্রতিকারের জন্য জমি পরিষ্কার পরিছন্ন এবং আগাছা ও আর্বজনামুক্ত রাখতে হবে। 

    ২. শুরুর দিকে আক্রান্ত গাছগুলোকে তুলে দূরে মাটিতে পুতে ফেলে কিংবা পুড়ে ফেলে এ রোগ দমন করা যায়। 

    ৩. মেনকোজেন গ্রুপের ছত্রাক নাশকযেমন: ডাইথেন এম-৪৫ প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২০ গ্রাম মিশিয়ে গাছের গোড়ায় পর পর দু’দিন প্রয়োগ করলে রোগের ব্যাপকতা কমে যায়।

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. ক্ষেতের আশ পাশ অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ০. বীজ বপনের আগে বীজ শোধন করে নিতে হবে। বীজ শোধনের জন্য ভিটাভেক্স ২০০ (০.৪%)/প্রোভেক্স-২০০ (০.৪%) এর ব্যবহারে যথেষ্ট সুফল দেয়। পাটের প্রধান ছত্রাকজনিত রোগগুলো বীজ ও মাটিবাহী। বপনের আগে বীজ শোধনের ফলে রোগের প্রকোপ অনেক কমে যায়। শোধন করা সম্ভব না হলে বপনের আগে বীজ রোদে ভালভাবে শুকাতে হবে। 

    ১. পাটের জমির পানি নিস্কাসনের ব্যবস্থা রাখুন 

    ২.আক্রান্ত জমিতে ২-৩ বছর তোষা পাটের আবাদ না করে দেশী পাটের আবাদ করা যেতে পারে।

    ৩. পাট কাটার পর গাছের গোড়া, শিকড় ও অন্যান্য পরিত্যাক্ত অংশ সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। 

    ৪. নীরোগ পাট গাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করতে হবে। গাছের ৭০% ফল পাকলেই বীজ কেটে ফেলা উচিত। দেরী করলে ছত্রাক সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

    ​পাটের বিছা পোকা দমন

  • Share The Gag
  • ​পাটের বিছা পোকা দমন

    পাতার উল্টো পিঠের সবুজ অংশ খেয়ে পাতাকে সাদা পাতলা পর্দার মত করে ফেলে।এরা সারা মাঠে ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো পাতা খেয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। 

    প্রতিকার:

    ১. প্রাথমিক পাটের পাতায় ডিমের গাদা বা পোকা দেখলে তা তুলে ধ্বংস করা।

    ২. ডিম অথবা আক্রমণের প্রথম অবস্থায় কীড়াগুলো যখন পাতায় দলবদ্ধ অবস্থায় থাকে তখন পোকা সমেত পাতাটি তুলে পায়ে মাড়িয়ে বা গর্তে চাপা দিয়ে মারা।

    ৩.পাট ক্ষেতের আশে পাশে বা অন্য আগাছা থাকলে তা পরিস্কার করা।

    ৪.বিছা পোকা যাতে এক ক্ষেত হতে অন্য ক্ষেতে ছড়াতে না পারে সে জন্য প্রতিবন্ধক নালা তৈরী করা যায়।

    ৫. অধিক আক্রমণের ক্ষেতে কার্বারিল গ্রুপের কীটনাশক যেমন: ভিটাব্রিল বা ক্যালভিন বা র‌্যাভিন প্রতি লিটার পানির সাথে ৩ গ্রাম বা কুবারিল ২ গ্রাম অথবা ক্লোরপাইরিফস গ্রুপের কীটনাশক যেমন: কম্পল বা কিংগোল্ট ১ মিলি/ লি হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা 

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. ক্ষেতের আশ পাশ অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন: 

    ১. নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে আক্রমণের শুরুতেই ব্যবস্থা নিন। 

    Sunday, May 14, 2017

    ছাগল ও ভেড়ার পিপিয়ার

  • Share The Gag
  • ​পি পি আর 

    ইহা ভাইরাসজনিক একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। সকল বয়সের ছাগল-ভেড়া এ রোগে আক্রান্ত হয় এবং আমাদের দেশে ছাগলের এ রোগ যথেষ্ট হয়ে থাকে। 

    লক্ষণঃ 
    আক্রান্ত ছাগলের অবসাদ, ক্ষুদামন্দা হয়। শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। মুখে ক্ষত হয় এবং নাক দিয়ে প্রচুর শ্লেম্মা বের হয়। শ্বাস-প্রশ্বাস কষ্টকর ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়। তীব্র ডায়েরিয়া দেখা দেয় এবং মৃত্যু ঘটে। 

    করণীয়ঃ 

    অসুস্থ পশুকে দ্রুত সুস্থ পশুকে আলাদা করতে হবে। বাসস্থান পরিস্কার রাখতে হবে। ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ার এ রোগের কোন সফল চিকিৎসা নেই। সুস্থ পশুকে নিয়মিত টিকা দিয়ে এ রোগ প্রতিরোধ করা যায়। 

    চিকিৎসাঃ 

    প্রকৃত চিকিৎসা না থাকলেও সহায়ক চিকিৎসা হিসাবে এন্টিবায়োটিক, এন্টিহিস্টামিনিক এবং প্রয়োজনে স্যালাইন ব্যবহার করে ফল পাওয়া যেতে পারে।

    গবাদিপশুর জলাতঙ্ক লক্ষণ ও করণীয়

  • Share The Gag
  • জলাতংক 

    মানুষসহ সকল গবাদিপশুর ভাইরাসজনিত একটি মারত্মক রোগ। আক্রান্ত পশুর লালাতে এ রোগজীবাণু থাকে এবং আক্রান্ত পশুর কামড়ে সুস্থ পশু বা মানুষ এ রোগ জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়। লক্ষণ দেখা দিলে বুঝতে হবে মৃত্যুই এ রোগের নিশ্চিত পরিনতি। শিয়াল ও বাঁদুর এ রোগজীবাণুর বাহক এবং প্রধানতঃ কুকুর আক্রান্ত প্রাণী। 

    লক্ষণঃ 



    পশু কান সজাগ ও চোখ বড় করে রাখে। মুখ দিয়ে প্রচুর লালা ঝরে। পানি পিপাসা হয়, তবে পান করতে পারে না। ভীষণভাবে অশান্ত হয়ে উঠে। শক্ত রশি ছাড়া আটকে রাখা যায় না। সামনে যা পায় তা’ই কামড়ানোর চেষ্টা করে। আক্রান্ত পশু পরিশেষে নিস্তেজ ও অবশ হয়ে মারা যায়। 

    করণীয়ঃ 

    আক্রান্ত পশুকে মেরে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। বেওয়ারিশ কুকুর নিধন করতে হবে। গৃহপালিত কুকুরকে নিয়মিত প্রতিষেধক টিকা প্রদান করতে হবে। চিকিৎসা অর্থহীন এবং কোন অবস্থায়ই ঔষধ খাওয়ানোর জন্য পশুর মুখে হাত দেয়া যাবে না। 

    প্রতিশেধকঃ 

    পোষা কুকুর / বিড়ালকে নিয়মিত প্রতিশেধক টিকা দিতে হবে। টিকা দেয়া হয়নি এমন পশুর কামড়ে মানুষ / পশু আক্রানত্ম হলে অনতিবিলম্বে নির্ধারিত মাত্রায় প্রতিশেধক টিকা দিতে হবে।

    পেয়ারার ফলছিদ্রকারি পোকা দমন

  • Share The Gag
  • পেয়ারার ফলছিদ্রকারি পোকা

    এ পোকা ফল ছিদ্র করে ফলের ভিতরে ঢুকে ফলের মাংসল অংশ খেতে থাকে এবং ফল ভেতরে পঁচে যায় ।

    এর প্রতিকার হল:

    ১. ফল ব্যাগিং করা বা পলিথিন দিয়ে প্যাচানো

    ২. নষ্ট ফল বাগান থেকে অপসারণ করা।

    ৩. টাফগার ২ মি.লি. / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে শেষ বিকেলে স্প্রে করা।
    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. বাগান অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১.ফল সংগ্রহ শেষ হলে গাছের মরা ডালপালা, ফলের বোটা, রোগ বা পোকা আক্রান্ত ডাল পালা ও অতিঘন ডাল পালা ছাটাই করে পরিস্কার করে দিন

    ২. পরিস্কার করার পর একটি ছত্রাক নাশক ও একটি কীটনাশক দ্বারা পুরো গাছ ভালভাবে স্প্রে করুন

    ৩. নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।

    ডালিমের এনথ্রাকনোজ রোগ সমাধান

  • Share The Gag
  • ডালিমের এনথ্রাকনোজ রোগ

    ডালিমের এনথ্রাকনোজ হলে কচি পাতায় অনিয়মিত দাগ দেখা যায় । কচি ফল কাল হয়ে শুকিয়ে ফেটে যায় এবং কখনও কখনও ঝড়ে যায় ।

    প্রতিকার:

    ১. সময়মত প্রুনিং করে গাছ ও বাগান পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা

    ২. গাছের নিচে ঝড়ে পড়া পাতা, ফল অপসারণ করা।

    ৩. কার্বেন্ডাজিম বা ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক ২ গ্রাম / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে ১৫ দিন পরপর ৩-৪ বার স্প্রে করা ।

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. বাগান অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১.ফল সংগ্রহ শেষ হলে গাছের মরা ডালপালা,ফলের বোটা, রোগ বা পোকা আক্রান্ত ডাল পালা ও অতিঘন ডাল পালা ছাটাই করে পরিস্কার করে দিন

    ২. পরিস্কার করার পর একটি ছত্রাক নাশক ও একটি কীটনাশক দ্বারা পুরো গাছ ভালভাবে স্প্রে করুন

    ৩. নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।

    Tuesday, May 9, 2017

    আদার কন্দ ছিদ্রকারি পোকা

  • Share The Gag
  • আদার কন্দ ছিদ্রকারি পোকা

    পোকার ডিম থেকে বের হওয়ার পর সদ্যজাত লার্ভা রাইজোম ছিদ্র করে ভেতরে ঢুকে এবং রাইজোমের অভ্যন্তরীণ অংশ খায়। আক্রান্ত গাছ হলুদ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে রাইজোমে পচন ধরে। আক্রমণের মাত্রা বেশি হলে গাছ থেকে কোনো ফলন পাওয়া যায় না। এ পোকা আদার রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ পোকা ডিম পাড়া এবং বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হওয়ার জন্য ছত্রাক আক্রান্ত আদা গাছ পছন্দ করে। রোগাক্রান্ত রাইজোমের মধ্যে পোকার লার্ভা এবং পিউপা দেখা যায়। এ ছাড়াও পূর্ণ বয়স্ক পোকাগুলো আদা গাছে ব্যাকটেরিয়াল উইল্টের বাহক হিসেবে কাজ করে।

    প্রতিকার :

    ০ লার্ভা ও পিউপাসহ পচা রাইজোম সংগ্রহ এবং ধ্বংস করে ফেলতে হবে।

    ০ গাছের গোড়ার মাটি নিয়মিত উলোট-পালোট করতে হবে, কারণ পোকা মাটিতে ডিম পাড়ে।

    ০ যেহেতু রোগাক্রান্ত রাইজোমে পোকার আক্রমণ হয় এ জন্য ফসলকে রোগমুক্ত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    ০ অত্যধিক আক্রান্ত এলাকায় আক্রমণের শুরুতে নিম্নলিখিত কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। কার্বোসালফান (মার্শাল ২০ ইসি, সানসালফান ২০ ইসি, জেনারেল ২০ ইসি বা অন্য নামের) অথবা ফেনিট্রোথিয়ন (ফেনিটকস ৫০ ইসি, সুমিথিয়ন ৫০ ইসি, ইমিথিয়ন ৫০ ইসি, সোভাথিয়ন ৫০ ইসি বা অন্য নামের) প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হিসেবে আদা ক্ষেতে স্প্রে করতে হবে। স্প্রে করার সময় খেয়াল রাখতে হবে গাছের গোড়ার মাটি যেন ভিজে যায়। ।

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. আদা লাগানোর পর পিলাই ( গাছ বের হবার পর লাগানো আদা ) তুলবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১. স্বাস্থ্যবান এবং রোগমুক্ত রাইজোম বীজের জন্য নির্বাচন করে বপন করুন
    ২. উন্নত জাতের আদা বপন করুন ।

    মরিচের ফলছিদ্রকারি পোকা দমন

  • Share The Gag
  • মরিচের ফলছিদ্রকারি পোকা

    লক্ষণ :

    পোকার কীড়া কচি ফল ও ডগা ছিদ্র করে ও ভিতরে কুরে কুরে খায় । এরা ফুলের কুঁড়িও খায়

    প্রতিকার:

    •ক্ষেত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা ।

    • আক্রান্ত ডগা ও ফল সংগ্রহ করে নষ্ট করা
    • চারা রোপনের ১৫ দিন পর থেকে ক্ষেত ঘন ঘন পর্যাবেক্ষন করা ।
    • জৈব বালাইনাশক ব্যবহার যেমন নিমবিসিডিন ৩ মিঃলিঃ / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্পে করা ।
    • শতকরা ১০ ভাগের বেশি ক্ষতি হলে যে কোন একটি বালাইনাশক ব্যবহার করা । যেমন রিপকর্ড ১ মিঃলিঃ বা ডেসিস ০.৫মিলি বা ফাসটেক ০.৫ মিঃলিঃ বা সবিক্রন -২ মিঃলিঃ বা সুমিথিয়ন-২ মিঃলিঃ বা ডায়াজিনন ২ মিঃলিঃ /লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্পে করা ।
    পরবর্তীতে যা যা করবেন না:

    ১. স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই সবজি খাবেন না বা বিক্রি করবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১. আগাম বীজ বপন করা
    ২. সুষম সার ব্যবহার করা

    Friday, May 5, 2017

    পেঁপের পটাশ সারের ঘাটতি

  • Share The Gag
  • পেঁপের পটাশ সারের ঘাটতি

    সমস্যার লক্ষণঃ

    পটাশের ঘাটতি হলে পেপের পুরাতন পাতার শিরার মধ্যবর্তী অংশ হলুদ হয়ে যায়। পাতা কিনারা থেকে শুকাতে শুরু করে আস্তে আস্তে কেন্দ্রের দিকে অগ্রসর হয়।

    সমস্যা দেখা দেয়ার পূর্বে করণীয়ঃ

    ১. মাটি পরীক্ষা করে জমিতে সার প্রয়োগ করুন
    ২. সুষম সার ব্যবহার করা
    ৩. একই জমিতে বার বার একই ফসল চাষ করবেন না।

    সমস্যা দেখা দেয়ার পর করণীয়ঃ

    # গাছের বয়স অনুসারে গাছ প্রতি ৫০-১০০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করা।

    Wednesday, May 3, 2017

    ভুট্টার ইক্ষু বিটল পোকা

  • Share The Gag
  • ভুট্টার ইক্ষু বিটল পোকা

    পোকা আক্রমণের লক্ষণঃ

    এ পোকা চারা গাছের মাটির নিচে গাছের অংশ বিশেষ বা শিকড় কেটে দেয় । পাতায় সারের ঘাটতি জনিত লক্ষণের ন্যায় পাতার পার্শ্বে হলুদ লম্বা দাগ দেখা যায় ।

    আক্রমণের পূর্বে করণীয়ঃ

    ১. উত্তমরুপে জমি চাষ দিয়ে পোকা পাখিদের খাবার সুযোগ করে দিন।
    ২. চারা গজানোর পর প্রতিদিন সকালে ক্ষেত পরিদর্শন করুন;
    ৩. পূর্বে আখ চাষ করা হয়েছে এমন জমিতে ভুট্রা চাষ করা যাবে না;

    আক্রমণের পর করণীয়ঃ

    ১। সারিতে গাছের গোড়ায় মাটি তোলার সময় পোকা বের হলে মেরে ফেলা;
    ২। কেরোসিন মিশ্রিত পানি সেচ দেয়া;
    ৩। পাখি বসার জন্য ক্ষেতে ডালপালা পুতে দেয়া;
    ৪। রাতে ক্ষেতে মাঝে মাঝে আবর্জনা জড়ো করে রাখলে তার নিচে কীড়া এসে জমা হবে, সকালে সেগুলোকে মেরে ফেলা;
    ৫। এ পোকার জন্য কোন অনুমোদিত কীটনাশক নেই। তবে কলার বিটলের জন্য অনুমোদিত কীটনাশক হলো ঃ























    গ্রুপের নামবানিজ্যিক নামফসল
    প্রফেনফস (৪০%) + সাইপারমেথ্রিন (২.৫%)সবিক্রণ ৪২৫ ইসি (এপি-৩২২) প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারেকলা
    থিয়ামিথোক্সামএকতারা ২৫ wg (এপি-৪২৮) প্রতি লিটার পানিতে ০.২ গ্রাম হারেকলা
    আইসোপ্রোকার্ব (এমআইপিসি)মিপসিন ৭৫ ডব্লিউ পি (এপি-৫৩৯) প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারেকলা

    ভুট্টার উঁড়চুঙ্গা পোকা

  • Share The Gag
  • ভুট্টার উঁড়চুঙ্গা পোকা

    পোকা আক্রমণের লক্ষণঃ

    ভূট্টার উঁড়চুঙ্গা (Mole cricket) মাটির নিচে সুড়ঙ্গ করে এবং গাছের সম্পুর্ন অংশ কেটে দেয় বা অংশিক কেটে ক্ষতি করে।

    আক্রমণের পূর্বে করণীয়ঃ

    ১. উত্তমরুপে জমি চাষ দিয়ে পোকা পাখিদের খাবার সুযোগ করে দিন।
    ২. চারা লাগানোর প্রতিদিন সকালে ক্ষেত পরিদর্শন করুন এবং শুরুতেই ব্যবস্থা নিন

    আক্রমণের পর করণীয়ঃ

    ১। মাটি খুরে পোকা বের করে মেরে ফেলা ।
    ২। কেরোসিন মিশ্রিত পানি সেচ দেয়া।
    ৩। পাখি বসার জন্য ক্ষেতে ডালপালা পুতে দেয়া।
    ৪। রাতে ক্ষেতে মাঝে মাঝে আবর্জনা জড়ো করে রাখলে তার নিচে কীড়া এসে জমা হবে, সকালে সেগুলোকে মেরে ফেলা।
    ৫। অধিক আক্রমণের ক্ষেত্রে কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে । এ পোকার জন্য অনুমোদিত কীটনাশক নেই। তবে পাটের উঁড়চুঙ্গার জন্য অনুমোদিত কীটনাশক হলোঃ সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের রিপকর্ড ১০ ইসি (এপি-৩৩৫) বিঘা প্রতি ৭৪ মিলি।

    ভুট্টার ঘাসফড়িং

  • Share The Gag
  • ভুট্টার ঘাসফড়িং

    পোকা আক্রমণের লক্ষণঃ

    পিছনের দুটো পা লম্বা হওয়ার কারণে এরা লাফিয়ে চলে । এদের গায়ের রং হালকা সবুজ অথবা হলদে বাদামী রং এর হয়ে থাকে । বিভিন্ন প্রজাতি এক সাথে অনেক সংখ্যায় ক্ষেত আক্রমণ করে বাচ্চা ও পূর্ণবয়স্ক উভয়ই ফসলের ক্ষতি করে । মধ্যশিরা বাদে সম্পূর্ণ পাতা খেয়ে ফেলতে পারে ।

    আক্রমণের পূর্বে করণীয়ঃ

    • ডাল পুঁতে পোকা খেকো পাখি বসার ব্যবস্থা করা ।

    আক্রমণের পর করণীয়ঃ

    * আলোর ফাঁদ ব্যবহার করা ।
    * শতকরা ২৫ ভাগ ভূট্টা ক্ষতি গ্রস্থ হলে কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে।এ পোকার জন্য অনুমোদিত কীটনাশক নেই।
    * তবে ধানের সবুজ পাতা ফড়িং এর জন্য কার্বারিল গ্রুপের সেভিন ৮৫ এসপি (এপি-৩৩৮) বিঘা প্রতি ২২৭.৫ মিলি হারে অথবা আইসোপ্রোকার্ব (এমআইপিসি) গ্রুপর মিপসিন ৭৫ wp (এপি-৫৩৯)/ম্যালাথিয়ন গ্রুপের ফাইফানন ৫৭ ইসি (এপি-১০) বিঘা প্রতি ১৫০ গ্রাম প্রয়োগ করতে বলা হয়েছে।

    Tuesday, May 2, 2017

    ভুট্টার লেদা পোকা

  • Share The Gag
  • ভুট্টার লেদা পোকা

    পোকা আক্রমণের লক্ষণঃ

    এরা পাতা কেটে কেটে খায় । কীড়া ও পূর্ণবয়স্ক উভয়ই পাতায় পাশ থেকে খেতে থাকে ।

    আক্রমণের পূর্বে করণীয়ঃ

    ১. উত্তমরুপে জমি চাষ দিয়ে পোকা পাখিদের খাবার সুযোগ করে দিন।

    ২. নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে আক্রমণের শুরুতেই ব্যবস্থা নিন

    আক্রমণের পর করণীয়ঃ

    * আলোর ফাঁদের সাহায্যে পূর্নবয়স্ক মথ ধরে মেরে ফেলতে হবে;
    * পাখির পোকা খাওয়ার জন্য ডালপালা পুঁতে দিয়ে ও এদের সংখ্যা কমানো যায়;
    * শতকরা ২৫ ভাগ পাতার ক্ষতি হলে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে । এ পোকার জন্য অনুমোদিত কোন কীটনাশক নেই।
    * তবে ভুট্রার কাটু্ই পোকার জন্য ল্যামডা সাইহ্যালোথ্রিন গ্রুপের ক্যারাটে ২.৫ ইসি (এপি-২৬৩) ১০০.৫ মিলি হারে এবং তামাকের জন্য অসফেনকার্ব (বিপিএমসি) গ্রুপের কিলার ৫০ ইসি (এপি-৩৮৭) প্রতি বিঘা জমির জন্য ১৩৪ মিলি হারে প্রয়োগ করতে বলা হয়েছে।

    ভুট্টার ফ্লি বিটল পোকা

  • Share The Gag
  • ভুট্টার ফ্লি বিটল পোকা

    পূর্ণ বয়স্ক ও বাচ্চা উভয়ই ক্ষতি করে । পূর্ণ বয়স্করা চারা গাছের বেশি ক্ষতি করে । এরা পাতা ছোট ছোট ছিদ্র করে খায় । আক্রান্ত পাতায় অসংখ্য ছিদ্র হয় ।

    আক্রমণের পূর্বে করণীয়ঃ 

    • পরিস্কার পরিচ্ছন্ন চাষাবাদ ।

    • আগাম ভুট্টা বপন করুন

    • উন্নত জাতের ভুট্টা বপন করুন ।

    • চারা গাছ জাল দিয়ে ঢেকে দেওয়া ।


    আক্রমণের পর করণীয়ঃ

    • হাত জাল দ্বারা পোকা সংগ্রহ;

    • আক্রান্ত গাছে ছাই ছিটানো;

    • ০.৫% ঘনত্বের সাবান পানি অথবা ৫ মিলি তরল সাবান প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা;

    • ৫০০ গ্রাম নিম বীজের শাঁস পিষে ১০ লিটার পানিতে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে তা ছেঁকে আক্রান্ত ক্ষেতে স্প্রে করলে উপকার পাওয়া যেতে পারে ।

    • এ পোকার জন্য অনুমোদিত কোন কীটনাশক নেই। তবে কলার বিটলের জন্য অনুমোদিত কীটনাশক হলো ঃ

























    গ্রুপের নামবানিজ্যিক নামসুপারিশকৃত ফসল
    প্রফেনফস (৪০%) + সাইপারমেথ্রিন (২.৫%)সবিক্রণ ৪২৫ ইসি (এপি-৩২২) প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারেকলা
    থিয়ামিথোক্সামএকতারা ২৫ wg (এপি-৪২৮) প্রতি লিটার পানিতে ০.২ গ্রাম হারেকলা
    আইসোপ্রোকার্ব (এমআইপিসি)মিপসিন ৭৫ ডব্লিউ পি (এপি-৫৩৯) প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারেকলা

    .

    Saturday, April 29, 2017

    লিচুর ফল ছিদ্রকারী পোকা দমন

  • Share The Gag
  • লিচুর ফল ছিদ্রকারী পোকা

    লক্ষণ:

    এ পোকা ফলের বোঁটার কাছে ছিদ্র করে ভিতরে ঢোকে এবং বীজকে আক্রমণ করে । পরে ছিদ্রের মুখে বাদামী রংয়ের এক প্রকার করাতের গুড়ার মত মিহি গুড়া উৎপন্ন করে । এতে ফল নষ্ট এবং বাজার মূল্যে কমে যায় ।

    প্রতিকার:

    • লিচু বাগান নিয়মিত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা ।


    • আক্রান্ত ফল সংগ্রহ করে মাটিতে পুঁতে ফেলা ।


    • লিচু গাছ তলায় শুকানো খড়ে আগুন দিয়ে তাতে ধুপ দিয়ে ধোঁয়া দিতে হবে । এতে এ পোকা মথ বা কীড়া বিতড়িত হবে । ফলে লিচুর মধ্যে ডিম পারবে না ।


    • বোম্বাই জাতে এ পোকার আক্রমণ বেশি হয় তাই আক্রমণ প্রবণ এলাকায় চায়না ৩ জাত রোপন করা ।


    • আক্রমণ বেশি হলে ২ মিলি লেবাসিড বা সুমিথিয়ন বা ডায়াজিনন ৬০ইসি সবিক্রন বা কট ১০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা ।


    আমড়ার আঠা ঝড়া রোগ

  • Share The Gag
  • আমড়ার আঠা ঝড়া রোগ

    আমের কান্ড বা মোটা ডালের কিছু যায়গা থেকে প্রথমে হালকা বাদামী বা গাঢ় বাদামী আঠা বা রস বের হতে দেখা যায় । বেশি আক্রান্ত হলে পুরো ডালটি এমনকি পুরো গাছটি মারা যায়।
    এর প্রতিকার হল:

    ১. আক্রান্ত গাছে সুষম মাত্রায় জৈব সার ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা এবং নিয়মিত সেচ প্রদান করা।
    ২. আঠা ঝড়া দেখামাত্র কিছুটা সুস্থ অংশসহ বাকল / ছাল তুলে ফেলা এবং কর্তিত অংশে বোর্দো মিশ্রণ বা কপার অক্সিক্লোরাইট জাতীয় ছত্রাক নাশক যেমন- কুপ্রাভিট ৭ গ্রাম / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।
    ৩. নতুন পাতা বের হলে ব্যাভিস্টিন ১ গ্রাম / লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করা ।

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না :

    ১. বাগান অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না:

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১.ফল সংগ্রহ শেষ হলে গাছের মরা ডালপালা, ফলের বোটা, রোগ বা পোকা আক্রান্ত ডাল পালা ও অতিঘন ডাল পালা ছাটাই করে পরিস্কার করে দিন
    ২. পরিস্কার করার পর একটি ছত্রাক নাশক ও একটি কীটনাশক দ্বারা পুরো গাছ ভালভাবে স্প্রে করুন
    ৩. নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।

    Saturday, April 22, 2017

    পেয়ারার শুয়া পোকা

  • Share The Gag
  • পেয়ারার শুয়া পোকা

    এ পোকা গাছকে অংশিক বা সম্পুর্ণ পাতাশুন্য করে ফেলে। আনেক সময় মারাত্বক আক্রমনে গাছে ফল আসেনা। এর প্রতিকার হল ১. পোকা সহ পাতা সংগ্রহ করে পিশে পোকা মেরে ফেলা ২. সুমিথিয়ন ২ মি.লি. / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।

    পরবর্তীতে যা যা করবেন না :

    ১. বাগান অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না

    পরবর্তীতে যা যা করবেন:

    ১.ফল সংগ্রহ শেষ হলে গাছের মরা ডালপালা, ফলের বোটা, রোগ বা পোকা আক্রান্ত ডাল পালা ও অতিঘন ডাল পালা ছাটাই করে পরিস্কার করে দিন

    ২. পরিস্কার করার পর একটি ছত্রাক নাশক ও একটি কীটনাশক দ্বারা পুরো গাছ ভালভাবে স্প্রে করুন

    ৩. নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।

    পানের সাদা ও কালো মাছি

  • Share The Gag
  • পানের সাদা ও কালো মাছি:

    এ পোকায় আক্রান্ত হলে গাছের পাতা হালকা রংয়ের হয়ে যায়। পাতার নিচ দিকে পোকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায় । এর প্রতিকার হল :
    ১. পোকাসহ আক্রান্ত পাতা তুলে পোকা মেরে ফেলা
    ২. বরজ ও আশ পাশের জায়গা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা
    ৩. আক্রমণ বেশি হলে এদের দমনের জন্য মারশাল ২০ ইসি ১ মি.লি. / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।