হাওর এলাকায় স্বল্প সুদে কৃষি ঋণ বিতরণ করা হবে
কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, সম্প্রতি পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকার মানুষের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠার লক্ষ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কৃষি ঋণ মওকুফ এবং কৃষি ঋণ আদায় স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়াও স্বল্প সুদে কৃষকদের মধ্যে কৃষি ঋণ বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এতথ্য জানান।
সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক ও শফিকুল ইসলাম শিমুলের পৃথক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো জানান, ক্ষতিগ্রস্ত হাওর অঞ্চরের মানুষের পাশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মায়ের মমতা নিয়ে পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। হাওর অঞ্চলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত যা যা প্রয়োজন তার সবই করা হবে।
জাসদের সংসদ সদস্য লুৎফা তাহেরের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী জানান, হাওর অঞ্চলের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে তুলতে সরকার নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ওই এলাকায় ব্রি ধান-৪৮ জাতের (আউশ) বীজ বিনামূল্যে বিতরণসহ নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ইউনিয়নভিত্তিক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। হাওর এলাকায় দ্রুততার সঙ্গে আউশ ধান বপনের কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। সবজি উদপাদনের জন্য ভাসমান বেড পদ্ধতিতে হাওর এলাকায় চালু করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
আলু উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ ৭মঃ সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে কৃষি মন্ত্রী জানান, আলু উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আলু উৎপাদন হয় ৯৪ লাখ ৭৪ হাজার মেট্রিক টন। চলতি অর্থবছরে এর উৎপাদন ১ কোটি ১০ লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাবে।
সারা দেশে ভুমির ডিজিটাল জরিপঃ ভূমির অপব্যবহার রোধ ও ভূমি ব্যবস্থাপনা শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে দ্রুতই সারাদেশে ডিজিটাল জরিপ চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন ভূমি মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ। জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানান, আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত এটা সারাদেশে চালু করতে। ইতোমধ্যে তিনটি জেলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
মন্ত্রী আরো জানান, ডিজিটাল জরিপের বিষয়টি আমাদের আগে থেকে অভিজ্ঞতা ছিলো না। যে কারণে উন্নত দেশগুলোর অভিজ্ঞতা অর্জন করে কাজ করতে সময় লেগেছে। আমরা চেষ্টা করছি সারাদেশে ডিজিটাল জরিপ চালু করতে। ইতোমধ্যে জামালপুর জেলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সরকারি দলের আরেক সদস্য নবী নেওয়াজের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, প্রত্যেক এলাকায় ভূমি ব্যবস্থাপনা কমিটির উপদেষ্টা সংসদ সদস্যরা। কাজেই প্রত্যেক সংসদ সদস্যের এলাকায় ভূমির সঠিক ব্যবহার ও খাস জমি বন্দোবস্তে তাদের মতামত দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
Sunday, May 7, 2017
রংপুরে মহামারি আকারে ধানে ব্লাস্ট, কৃষি কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 1:49 AM
রংপুরে মহামারি আকারে ধানে ব্লাস্ট, কৃষি কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল
শষ্য ভান্ডার খ্যাত রংপুরে বোরো ধান ক্ষেতে নেক ব্লাস্ট রোগ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। মাঠের পর মাঠ ধান ক্ষেতের পাতা পুড়ে যাচ্ছে। ধান গাছের গোড়ায় পচন ধরে শীষ মরে যাচ্ছে। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক দিয়েও কাজ হচ্ছে না। ফলে চলতি মৌসুমে ধানের ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। এ অবস্থায় কৃষি বিভাগ রংপুরের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করেছে।
কৃষি বিভাগের মতে, এবার জেলায় ১ লাখ ৩৩ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করেন কৃষকরা। প্রয়োজনীয় সার কীটনাশক ব্যবহারের পর ফলনও ভালোই হওয়ার আশা করছিলেন কৃষকরা। কিন্তু গত ১৫ দিন ধরে হঠাৎ করে বোরো ধান ক্ষেতে কার্ন্টে পোকা , ন্যাদা পোকার আক্রমণ শুরু হয়। এরপর হঠাৎ করেই ধানের পাতা পুড়ে যাচ্ছে। ফলে ধানের শীষ গজানোর পরেও গাছের নিচে পচন ধরায় গাছ মরে যাচ্ছে। শীষ মরে যাচ্ছে। ফলে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। রংপুর সদর উপজেলাসহ কাউনিয়া মিঠাপুকুর, পীরগজ্ঞ, বদরগজ্ঞ ও গঙ্গাচড়া উপজেলার শতকরা ৩০ থেকে ৪০ ভাগ ধানক্ষেত নেক ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। কৃষকরা বলছেন, এক জমিতে নেক ব্লাস্ট রোগ থাকলেও রাতারাতি পাশের ক্ষেতটিও আক্রান্ত হয়ে পড়ছে।
সরেজমিন মঙ্গলবার রংপুর নগরীর বড়বাড়ি, দেওডোবাসহ আশপাশের এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, ধান না পাকলেও আগাম ধান কেটে ফেলছেন কৃষকরা। অনেকে আবার ধান গাছ কেটে রাস্তায় ফেলে রাখছেন। কৃষক আবেদ আলী ও সালাম মিয়া জানান, তারা দুজনে মিলে চার বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছেন। প্রয়োজনীয় সার কীটনাশক দিয়েছেন জমিতে। কিন্তু গত ১৫ দিন ধরে হঠাৎ করে ধান গাছের পাতা পুড়ে যাচ্ছে। গাছের গোড়ায় পচন ধরছে। বেশির ভাগ শীষে ধান নেই। ফলে উপায় না দেখে কাঁচা ধান কেটে ফেলছেন।
তারা জানান, যেখানে এক বিঘা জমিতে ৪০ থেকে ৫০ মন ধান পাবার কথা সেখানে ১০ মন ধান পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ আছে।
বড়বাড়ি এলাকার কৃষক সালেহা বেগম জানান, তার ক্ষেতের ধান পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেছে। চড়া সুদে ঋণ নিয়েছেন। এখন সেই ঋণ কিভাবে শোধ করবেন আর সন্তানদের লেখাপড়ার খরচই বা কিভাবে জোগাড় করবেন?
দেওডোবা এলাকার ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ ধান ক্ষেতের পাতা জ্বলে গেছে। গোড়ায় পচন ধরেছে। শীষ আছে কিন্তু ধানের পরিমাণ খুবই কম। ওই গ্রামের বৃদ্ধা মনোয়ারা বেগম জানান, চার বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছেন। কিন্তু সব জমির ধান কাটলেও পাঁচ মন ধান পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না।
বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ধান ক্ষেতে প্রথমে কারেন্ট পোকা এরপর লেদা পোকার আক্রমণ দেখা দেয়। এরপর ধান গাছ আপনাআপনি পুড়ে যাচ্ছে। এর কারণ কী তা বুঝতে পারছেন না।
তারা অভিযোগ করেন, কৃষি বিভাগের লোকজন সময় মতো ব্যবস্থাপত্র দিলে তারা হয়তো ধানক্ষেত রক্ষা করতে পারতেন।
রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক স ম আশরাফ আলী জানান, এপ্রিল মাসের শেষের দিকে টানা ৯ দিন বৃষ্টি হওয়ায় ধান গাছে দেওয়া কীটনাশক পানিতে ধুয়ে যাওয়ায় ক্ষেতগুলোতে ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ধানক্ষেত রক্ষায় প্রয়োজনীয় কীটনাশকসহ পরামর্শদানের জন্য গ্রামে গ্রামে প্রচারপত্র বিলি ও মাইকিং করা হচ্ছে।
সোর্স- বাংলা ট্রিবিউন।
শষ্য ভান্ডার খ্যাত রংপুরে বোরো ধান ক্ষেতে নেক ব্লাস্ট রোগ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। মাঠের পর মাঠ ধান ক্ষেতের পাতা পুড়ে যাচ্ছে। ধান গাছের গোড়ায় পচন ধরে শীষ মরে যাচ্ছে। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক দিয়েও কাজ হচ্ছে না। ফলে চলতি মৌসুমে ধানের ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। এ অবস্থায় কৃষি বিভাগ রংপুরের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করেছে।
কৃষি বিভাগের মতে, এবার জেলায় ১ লাখ ৩৩ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করেন কৃষকরা। প্রয়োজনীয় সার কীটনাশক ব্যবহারের পর ফলনও ভালোই হওয়ার আশা করছিলেন কৃষকরা। কিন্তু গত ১৫ দিন ধরে হঠাৎ করে বোরো ধান ক্ষেতে কার্ন্টে পোকা , ন্যাদা পোকার আক্রমণ শুরু হয়। এরপর হঠাৎ করেই ধানের পাতা পুড়ে যাচ্ছে। ফলে ধানের শীষ গজানোর পরেও গাছের নিচে পচন ধরায় গাছ মরে যাচ্ছে। শীষ মরে যাচ্ছে। ফলে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। রংপুর সদর উপজেলাসহ কাউনিয়া মিঠাপুকুর, পীরগজ্ঞ, বদরগজ্ঞ ও গঙ্গাচড়া উপজেলার শতকরা ৩০ থেকে ৪০ ভাগ ধানক্ষেত নেক ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। কৃষকরা বলছেন, এক জমিতে নেক ব্লাস্ট রোগ থাকলেও রাতারাতি পাশের ক্ষেতটিও আক্রান্ত হয়ে পড়ছে।
সরেজমিন মঙ্গলবার রংপুর নগরীর বড়বাড়ি, দেওডোবাসহ আশপাশের এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, ধান না পাকলেও আগাম ধান কেটে ফেলছেন কৃষকরা। অনেকে আবার ধান গাছ কেটে রাস্তায় ফেলে রাখছেন। কৃষক আবেদ আলী ও সালাম মিয়া জানান, তারা দুজনে মিলে চার বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছেন। প্রয়োজনীয় সার কীটনাশক দিয়েছেন জমিতে। কিন্তু গত ১৫ দিন ধরে হঠাৎ করে ধান গাছের পাতা পুড়ে যাচ্ছে। গাছের গোড়ায় পচন ধরছে। বেশির ভাগ শীষে ধান নেই। ফলে উপায় না দেখে কাঁচা ধান কেটে ফেলছেন।
তারা জানান, যেখানে এক বিঘা জমিতে ৪০ থেকে ৫০ মন ধান পাবার কথা সেখানে ১০ মন ধান পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ আছে।
বড়বাড়ি এলাকার কৃষক সালেহা বেগম জানান, তার ক্ষেতের ধান পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেছে। চড়া সুদে ঋণ নিয়েছেন। এখন সেই ঋণ কিভাবে শোধ করবেন আর সন্তানদের লেখাপড়ার খরচই বা কিভাবে জোগাড় করবেন?
দেওডোবা এলাকার ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ ধান ক্ষেতের পাতা জ্বলে গেছে। গোড়ায় পচন ধরেছে। শীষ আছে কিন্তু ধানের পরিমাণ খুবই কম। ওই গ্রামের বৃদ্ধা মনোয়ারা বেগম জানান, চার বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছেন। কিন্তু সব জমির ধান কাটলেও পাঁচ মন ধান পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না।
বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ধান ক্ষেতে প্রথমে কারেন্ট পোকা এরপর লেদা পোকার আক্রমণ দেখা দেয়। এরপর ধান গাছ আপনাআপনি পুড়ে যাচ্ছে। এর কারণ কী তা বুঝতে পারছেন না।
তারা অভিযোগ করেন, কৃষি বিভাগের লোকজন সময় মতো ব্যবস্থাপত্র দিলে তারা হয়তো ধানক্ষেত রক্ষা করতে পারতেন।
রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক স ম আশরাফ আলী জানান, এপ্রিল মাসের শেষের দিকে টানা ৯ দিন বৃষ্টি হওয়ায় ধান গাছে দেওয়া কীটনাশক পানিতে ধুয়ে যাওয়ায় ক্ষেতগুলোতে ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ধানক্ষেত রক্ষায় প্রয়োজনীয় কীটনাশকসহ পরামর্শদানের জন্য গ্রামে গ্রামে প্রচারপত্র বিলি ও মাইকিং করা হচ্ছে।
সোর্স- বাংলা ট্রিবিউন।
Saturday, May 6, 2017
জেনে নেই টমেটোর গুনাগুন
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 11:18 PM
সবজি হিসেবে টমেটোর কোনো জুড়ি নেই। একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবারে জন্য গোটা বিশ্বেই টমেটো সমাদৃত। এছাড়া টমেটোতে থাকা ভিটামিন এ, বি, সি, কে, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, লাইকোপিন, ক্রোমিয়ামসহ অন্যান্য পুষ্টি উপাদান মানব দেহের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।
১. গবেষণায় দেখা গেছে দিনে অন্তত ১টি টমেটো শরীরের ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ভিটামিন সি’র অভাব দূর হয়।
২. বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্য যুদ্ধ টমেটোকেন্দ্রিক। তবে তা খাওয়ার জন্য নয়। টমেটো একে অন্যের গায়ে নিক্ষেপ করা হয়। আনুমানিক ৪০ টন ওজনের ১৫০,০০০টি টমেটো নিক্ষিপ্ত করা হয় একটি টমেটো উৎসবে। আর টমেটো উৎসবের নিয়ম হলো টমেটো নিক্ষেপ করার আগে এগুলোকে চটকিয়ে নিতে হবে।
৩. উদ্ভিদবিদ্যায় টমেটো একটি ফল কিন্তু মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এর রায়ে বলা হয়েছে টমেটো একটি সবজি।
৪. টমেটো নিউ জার্সির প্রধান সবজি এবং আরকানের প্রধান ফল ও সবজি।
৫. আমেরিকায় পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ওজনের টমেটোটি উৎপাদিত হয়েছে,যার ওজন প্রায় ৩.১৫কেজি।
৬. ক্যালিফোর্নিয়ায় পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক টমেটো উৎপাদিত হয়।
৭. ব্রিটিশ এবং উত্তর আমেরিকার ১৮২০ জন পর্যন্ত লোক মনে করেন যে টমেটো বিষাক্ত।
৮. টমেটো একটি বিষাক্ত ফলওয়ালা বুনো গাছের সদস্য এবং এর পাতাও বিষাক্ত।
৯. ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে আধা ইঞ্চি টমেটো সস বোতলে ভরতে এক সেকেন্ড সময় লাগে।
১০. টমেটো জুস ওহিওর একটি রাষ্ট্রীয় পানীয়।
১১. একজন ব্যক্তির জন্য একটি টমেটো গাছ ১৫ কেজি টমেটো উৎপাদন করতে পারে।
১২. টমেটো ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে।
১৩. কখনোই টমেটো ফ্রিজে সংরক্ষণ করা উচিত নয় কারণ এতে টমেটোর পুষ্টিমান কমে যায়।
১. গবেষণায় দেখা গেছে দিনে অন্তত ১টি টমেটো শরীরের ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ভিটামিন সি’র অভাব দূর হয়।
২. বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্য যুদ্ধ টমেটোকেন্দ্রিক। তবে তা খাওয়ার জন্য নয়। টমেটো একে অন্যের গায়ে নিক্ষেপ করা হয়। আনুমানিক ৪০ টন ওজনের ১৫০,০০০টি টমেটো নিক্ষিপ্ত করা হয় একটি টমেটো উৎসবে। আর টমেটো উৎসবের নিয়ম হলো টমেটো নিক্ষেপ করার আগে এগুলোকে চটকিয়ে নিতে হবে।
৩. উদ্ভিদবিদ্যায় টমেটো একটি ফল কিন্তু মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এর রায়ে বলা হয়েছে টমেটো একটি সবজি।
৪. টমেটো নিউ জার্সির প্রধান সবজি এবং আরকানের প্রধান ফল ও সবজি।
৫. আমেরিকায় পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ওজনের টমেটোটি উৎপাদিত হয়েছে,যার ওজন প্রায় ৩.১৫কেজি।
৬. ক্যালিফোর্নিয়ায় পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক টমেটো উৎপাদিত হয়।
৭. ব্রিটিশ এবং উত্তর আমেরিকার ১৮২০ জন পর্যন্ত লোক মনে করেন যে টমেটো বিষাক্ত।
৮. টমেটো একটি বিষাক্ত ফলওয়ালা বুনো গাছের সদস্য এবং এর পাতাও বিষাক্ত।
৯. ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে আধা ইঞ্চি টমেটো সস বোতলে ভরতে এক সেকেন্ড সময় লাগে।
১০. টমেটো জুস ওহিওর একটি রাষ্ট্রীয় পানীয়।
১১. একজন ব্যক্তির জন্য একটি টমেটো গাছ ১৫ কেজি টমেটো উৎপাদন করতে পারে।
১২. টমেটো ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে।
১৩. কখনোই টমেটো ফ্রিজে সংরক্ষণ করা উচিত নয় কারণ এতে টমেটোর পুষ্টিমান কমে যায়।
পেঁপে ফুল নিয়ন্ত্রণ করবে আপনার ডায়াবেটিস!
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 12:02 PM
পেঁপে ফুল নিয়ন্ত্রণ করবে আপনার ডায়াবেটিস!
প্রচলিত নাম :পেঁপে। ইউনানী নাম:পাপিতা, আরানড খরবূযা। আয়ুর্বেদিক নাম:অমৃততুম্বী। একটি সব্জি। (Carica papaya) যা সারাবছর পাওয়া যায়
পেঁপে একটি ছোট আকৃতির অশাখ বৃক্ষবিশেষ। লম্বা বোটাঁযুক্ত ছত্রাকার পাতা বেশ বড় হয় এবং সর্পিল আকারে কান্ডের উপরি অংশে সজ্জিত থাকে। প্রায় সারা বছরেই ফুল ও ফল হয়। কাচাঁ ফল সবুজ, পাকা ফল হলুদ বা পীত বর্ণের। এটি পথ্য হিসেবে ও ব্যবহার হয়। কাচা পাকা দু ভাবেই খাওয়া যায়, তরে কাচা অবস্থায় সব্জি এবং পাকলে ফল। কাচা ফল বাইরের দিক গাঢ় কালচে সবুজ এবং পাকলে খোসা সহ কমলা রং ধারন করে।
বাংলাদেসশের একটি অতি পরিচিত ফল পেঁপে। এটিকে আমরা একটি সুসাদু ফল হিসেবেই জানি। কিন্তু এই গাছ ও ফলের রয়েছে নানা ভেষজ গুণ। আশুন গল্পে গল্পে আজ জেনে নেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পেঁপে ফুলের কার্যকারিতা সম্পর্কে।এক বৃদ্ধা প্রতিদিন তার বাড়ির পাশের কয়েকটি পেঁপে গাছের কাছে যান আর পেঁপের ফুলগুলো ছিঁড়ে নিয়ে আসেন।
জেনে নিন পেঁপে পাতা নির্যাসের স্বাস্থ্য উপকারিতা:
সেগুলো সবজির মতো রান্না করে খান। ছোটবেলা বিষয়টি খেয়াল করতেন তার নাতী হোইনু হাউজেল। বড় হয়ে পেঁপের ফুলের রহস্য বের করতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তিনি জানতে পারেন, তার দাদীর ডায়াবেটিস ছিলো। পেঁপে গাছের ফুলগুলো তার দেহে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতো। ওই বৃদ্ধা এমন বহু জিনিস ব্যবহার করতেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য।
রোগ নিরাময়ে এসব খাদ্যের কাজ বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করা কঠিন হলেও আসল ব্যাপরটি হলো, তা দারুন কাজ করে। তা ছাড়া পুরনো মানুষদের ব্যবহার করা এসব বহু সবজি বা প্রাকৃতিক জিনিস পরবর্তীতে আধুনিক চিকিৎসার অ্যান্টিডোট হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। হাউজেলের দাদী সারা জীবন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং সুস্থভাবে বেঁচে ছিলেন। তার মায়েরও ডায়াবেটিস এবং তিনি দাদীর শেখানো খাদ্যদ্রব্যগুলো পথ্য হিসাবে খাচ্ছেন এবং দিব্যি ভালো আছেন।
এ বিষয়ে ‘নিউট্রি হেলথ’ এর মহাব্যবস্থাপক ড. শিখা শর্মা বলেন, পেঁপের ফুল বিষয়ে আমিও যথেষ্ট সচেতন। এটি আসলেই লিভারের সমস্যায় কাজ করে এবং ফুসফুসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। পেঁপে গাছের ফুলই নয়, পেঁপের সঙ্গে এর পাতাও কিন্তু পেকে যায়। এই তিনটি জিনিসই ভিটামিন এবং স্বাস্থ্যকর উপাদানে ভরপুর।
আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে, পেঁপে গাছের ফুল ভিটামিন এ, সি এবং ই-তে পরিপূর্ণ। স্বাস্থ্যকর বিপাক ক্রিয়ার জন্য এটি ফাইবারসমৃদ্ধ খাবারও বটে। আবার এতে ফোলেট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এমন অবস্থায় থাকে যা দেহে কোলেস্টরেলের জারণক্রিয়াকে প্রতিহত করে। এমনকি অ্যাথেরোস্কেলোসিস, স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে সরাসরি কাজ করে।
সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য পেঁপের হেয়ার মাস্ক
হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো ও ডায়াবেটিসের মাত্রা ঠিক রাখার জাদুকরী ক্ষমতা রয়েছে এতে। শুধু আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান নয়, পেঁপে গাছের গুণ সেই প্রাচীন মায়ান সভ্যতার মানুষরাও বুঝতে পেরেছিলেন। দক্ষিণ পূর্ব মেক্সিকো এবং সেন্ট্রাল আমেরিকার কিছু অংশে ‘ট্রি অব লাইফ’ গণ্য করে পূজো দেওয়া হতো পেঁপে গাছকে।
এই গাছ থেকে পাতা, ফুল এবং পেঁপে খেয়ে তাদের রোগ ভালো হয়ে যেতো। তাই গাছটি সরাসরি ঈশ্বর দিয়েছেন বলে বিশ্বাস করতেন তারা। গুজব রয়েছে যে, এসব কারণেই ক্রিস্টোফার কলম্বাসের প্রিয় ফল ছিলো পেঁপে। বিশেষ করে ডায়াবেটিসের রোগীরা পেঁপে ফুল খেয়ে দেখতে পারেন, এ পরামর্শ আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান দেয়। হাউজেল তার দাদীর কাছ থেকে শেখা এই ফুল রান্নার পদ্ধতিও শিখিয়ে দিচ্ছেন আপনাদের।
পেঁপে ফুল যখন খাবারঃ
এখানে পেঁপের ফুল ও পেঁপের এমন দুটো সাধারণ রেসিপি দেওয়া হলো। স্রেফ খাবার হিসাবে নয়, এগুলো রীতিমতো পথ্য হিসাবে খাওয়া হয়। প্রথমে ফুলগুলো ছিঁড়ে আনতে হবে। এরপর তার পরিষ্কার পানিতে ভালো করে ধুতে হবে। ধোয়ার পর পানি শুকিয়ে নিতেন হাউজেলের দাদী। এরপর একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে ফুলগুলো ভাজতেন। ফুলগুলো বেশ পরিপুষ্ট এবং টাটকা চেহারার থাকে। তেলে ছাড়ার পর যখন ফুলগুলো তার পরিপুষ্টভাব হারাবে তখন চুলো নিভিয়ে দিন। এতে লবণ বা হালকা গুলমরিচ মিশিয়ে এমনিতেই খেতে পারেন অথবা ভাতের সঙ্গেও নিতে পারেন। একেবারে সাদামাটা পদ্ধতিতে রান্না করা এই খাবার ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিস্ময়কর রকমের উপকারী। এতে হালকা তেতো স্বাদ রয়েছে যা খেতে ভালো লাগে। আরেকটি রেসিপি যা আদতে পেঁপের সালাদ বলা যায়। পেঁপে এমন একটি ফল যা কাঁচা বা পাকা উভয় অস্থাতেই সমান উপকারী। আমাদের দেশেও নানা পদ্ধতিতে এটি রান্না করা হয়। ভারতের মণিপুরী এবং থাইল্যান্ডে এই সালাদ জনপ্রিয় পথ্য।
যা লাগবে-
১। মাঝারি আকারের একটি কাঁচা পেঁপে,
২। ২ টেবিল চামচ তিল,
৩। ২-৩টি বা প্রয়োজন মতো কাঁচা মরিচ,
৪। রোদে শোকানো অথবা প্রক্রিয়াজাত মাছ,
৫। প্রয়োজন মতো লবণ এবং
৬। প্রয়োজন মতো ধনের পাতা।
এটি তৈরির পদ্ধতি একেবারে সহজ। পেঁপে ছিলে নিয়ে পানিতে বার বার ধুয়ে নিন। ছোট ছোট স্টাইস করুন। মরিচ এবং মাছ বেঁটে নিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টে লবণ ও তিল মিশিয়ে নিন। এবার একটি গামলায় সব মিশিয়ে নিয়ে সালাদটি উপভোগ করুন।
প্রচলিত নাম :পেঁপে। ইউনানী নাম:পাপিতা, আরানড খরবূযা। আয়ুর্বেদিক নাম:অমৃততুম্বী। একটি সব্জি। (Carica papaya) যা সারাবছর পাওয়া যায়
পেঁপে একটি ছোট আকৃতির অশাখ বৃক্ষবিশেষ। লম্বা বোটাঁযুক্ত ছত্রাকার পাতা বেশ বড় হয় এবং সর্পিল আকারে কান্ডের উপরি অংশে সজ্জিত থাকে। প্রায় সারা বছরেই ফুল ও ফল হয়। কাচাঁ ফল সবুজ, পাকা ফল হলুদ বা পীত বর্ণের। এটি পথ্য হিসেবে ও ব্যবহার হয়। কাচা পাকা দু ভাবেই খাওয়া যায়, তরে কাচা অবস্থায় সব্জি এবং পাকলে ফল। কাচা ফল বাইরের দিক গাঢ় কালচে সবুজ এবং পাকলে খোসা সহ কমলা রং ধারন করে।
বাংলাদেসশের একটি অতি পরিচিত ফল পেঁপে। এটিকে আমরা একটি সুসাদু ফল হিসেবেই জানি। কিন্তু এই গাছ ও ফলের রয়েছে নানা ভেষজ গুণ। আশুন গল্পে গল্পে আজ জেনে নেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পেঁপে ফুলের কার্যকারিতা সম্পর্কে।এক বৃদ্ধা প্রতিদিন তার বাড়ির পাশের কয়েকটি পেঁপে গাছের কাছে যান আর পেঁপের ফুলগুলো ছিঁড়ে নিয়ে আসেন।
জেনে নিন পেঁপে পাতা নির্যাসের স্বাস্থ্য উপকারিতা:
সেগুলো সবজির মতো রান্না করে খান। ছোটবেলা বিষয়টি খেয়াল করতেন তার নাতী হোইনু হাউজেল। বড় হয়ে পেঁপের ফুলের রহস্য বের করতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তিনি জানতে পারেন, তার দাদীর ডায়াবেটিস ছিলো। পেঁপে গাছের ফুলগুলো তার দেহে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতো। ওই বৃদ্ধা এমন বহু জিনিস ব্যবহার করতেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য।
রোগ নিরাময়ে এসব খাদ্যের কাজ বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করা কঠিন হলেও আসল ব্যাপরটি হলো, তা দারুন কাজ করে। তা ছাড়া পুরনো মানুষদের ব্যবহার করা এসব বহু সবজি বা প্রাকৃতিক জিনিস পরবর্তীতে আধুনিক চিকিৎসার অ্যান্টিডোট হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। হাউজেলের দাদী সারা জীবন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং সুস্থভাবে বেঁচে ছিলেন। তার মায়েরও ডায়াবেটিস এবং তিনি দাদীর শেখানো খাদ্যদ্রব্যগুলো পথ্য হিসাবে খাচ্ছেন এবং দিব্যি ভালো আছেন।
এ বিষয়ে ‘নিউট্রি হেলথ’ এর মহাব্যবস্থাপক ড. শিখা শর্মা বলেন, পেঁপের ফুল বিষয়ে আমিও যথেষ্ট সচেতন। এটি আসলেই লিভারের সমস্যায় কাজ করে এবং ফুসফুসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। পেঁপে গাছের ফুলই নয়, পেঁপের সঙ্গে এর পাতাও কিন্তু পেকে যায়। এই তিনটি জিনিসই ভিটামিন এবং স্বাস্থ্যকর উপাদানে ভরপুর।
আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে, পেঁপে গাছের ফুল ভিটামিন এ, সি এবং ই-তে পরিপূর্ণ। স্বাস্থ্যকর বিপাক ক্রিয়ার জন্য এটি ফাইবারসমৃদ্ধ খাবারও বটে। আবার এতে ফোলেট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এমন অবস্থায় থাকে যা দেহে কোলেস্টরেলের জারণক্রিয়াকে প্রতিহত করে। এমনকি অ্যাথেরোস্কেলোসিস, স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে সরাসরি কাজ করে।
সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য পেঁপের হেয়ার মাস্ক
হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো ও ডায়াবেটিসের মাত্রা ঠিক রাখার জাদুকরী ক্ষমতা রয়েছে এতে। শুধু আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান নয়, পেঁপে গাছের গুণ সেই প্রাচীন মায়ান সভ্যতার মানুষরাও বুঝতে পেরেছিলেন। দক্ষিণ পূর্ব মেক্সিকো এবং সেন্ট্রাল আমেরিকার কিছু অংশে ‘ট্রি অব লাইফ’ গণ্য করে পূজো দেওয়া হতো পেঁপে গাছকে।
এই গাছ থেকে পাতা, ফুল এবং পেঁপে খেয়ে তাদের রোগ ভালো হয়ে যেতো। তাই গাছটি সরাসরি ঈশ্বর দিয়েছেন বলে বিশ্বাস করতেন তারা। গুজব রয়েছে যে, এসব কারণেই ক্রিস্টোফার কলম্বাসের প্রিয় ফল ছিলো পেঁপে। বিশেষ করে ডায়াবেটিসের রোগীরা পেঁপে ফুল খেয়ে দেখতে পারেন, এ পরামর্শ আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান দেয়। হাউজেল তার দাদীর কাছ থেকে শেখা এই ফুল রান্নার পদ্ধতিও শিখিয়ে দিচ্ছেন আপনাদের।
পেঁপে ফুল যখন খাবারঃ
এখানে পেঁপের ফুল ও পেঁপের এমন দুটো সাধারণ রেসিপি দেওয়া হলো। স্রেফ খাবার হিসাবে নয়, এগুলো রীতিমতো পথ্য হিসাবে খাওয়া হয়। প্রথমে ফুলগুলো ছিঁড়ে আনতে হবে। এরপর তার পরিষ্কার পানিতে ভালো করে ধুতে হবে। ধোয়ার পর পানি শুকিয়ে নিতেন হাউজেলের দাদী। এরপর একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে ফুলগুলো ভাজতেন। ফুলগুলো বেশ পরিপুষ্ট এবং টাটকা চেহারার থাকে। তেলে ছাড়ার পর যখন ফুলগুলো তার পরিপুষ্টভাব হারাবে তখন চুলো নিভিয়ে দিন। এতে লবণ বা হালকা গুলমরিচ মিশিয়ে এমনিতেই খেতে পারেন অথবা ভাতের সঙ্গেও নিতে পারেন। একেবারে সাদামাটা পদ্ধতিতে রান্না করা এই খাবার ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিস্ময়কর রকমের উপকারী। এতে হালকা তেতো স্বাদ রয়েছে যা খেতে ভালো লাগে। আরেকটি রেসিপি যা আদতে পেঁপের সালাদ বলা যায়। পেঁপে এমন একটি ফল যা কাঁচা বা পাকা উভয় অস্থাতেই সমান উপকারী। আমাদের দেশেও নানা পদ্ধতিতে এটি রান্না করা হয়। ভারতের মণিপুরী এবং থাইল্যান্ডে এই সালাদ জনপ্রিয় পথ্য।
যা লাগবে-
১। মাঝারি আকারের একটি কাঁচা পেঁপে,
২। ২ টেবিল চামচ তিল,
৩। ২-৩টি বা প্রয়োজন মতো কাঁচা মরিচ,
৪। রোদে শোকানো অথবা প্রক্রিয়াজাত মাছ,
৫। প্রয়োজন মতো লবণ এবং
৬। প্রয়োজন মতো ধনের পাতা।
এটি তৈরির পদ্ধতি একেবারে সহজ। পেঁপে ছিলে নিয়ে পানিতে বার বার ধুয়ে নিন। ছোট ছোট স্টাইস করুন। মরিচ এবং মাছ বেঁটে নিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টে লবণ ও তিল মিশিয়ে নিন। এবার একটি গামলায় সব মিশিয়ে নিয়ে সালাদটি উপভোগ করুন।
Friday, May 5, 2017
পেঁপের পটাশ সারের ঘাটতি
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 11:35 AM
পেঁপের পটাশ সারের ঘাটতি
সমস্যার লক্ষণঃ
পটাশের ঘাটতি হলে পেপের পুরাতন পাতার শিরার মধ্যবর্তী অংশ হলুদ হয়ে যায়। পাতা কিনারা থেকে শুকাতে শুরু করে আস্তে আস্তে কেন্দ্রের দিকে অগ্রসর হয়।
সমস্যা দেখা দেয়ার পূর্বে করণীয়ঃ
১. মাটি পরীক্ষা করে জমিতে সার প্রয়োগ করুন
২. সুষম সার ব্যবহার করা
৩. একই জমিতে বার বার একই ফসল চাষ করবেন না।
সমস্যা দেখা দেয়ার পর করণীয়ঃ
# গাছের বয়স অনুসারে গাছ প্রতি ৫০-১০০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করা।
সমস্যার লক্ষণঃ
পটাশের ঘাটতি হলে পেপের পুরাতন পাতার শিরার মধ্যবর্তী অংশ হলুদ হয়ে যায়। পাতা কিনারা থেকে শুকাতে শুরু করে আস্তে আস্তে কেন্দ্রের দিকে অগ্রসর হয়।
সমস্যা দেখা দেয়ার পূর্বে করণীয়ঃ
১. মাটি পরীক্ষা করে জমিতে সার প্রয়োগ করুন
২. সুষম সার ব্যবহার করা
৩. একই জমিতে বার বার একই ফসল চাষ করবেন না।
সমস্যা দেখা দেয়ার পর করণীয়ঃ
# গাছের বয়স অনুসারে গাছ প্রতি ৫০-১০০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করা।
পেঁপের বোরন সারের ঘাটতি
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 11:30 AM
পেঁপের বোরন সারের ঘাটতি
সমস্যার লক্ষণঃ
বোরনের ঘাটতি হলে পেপের ফলে আকার ছোট হয় ও আকার বিকৃতি ঘটে।
সমস্যার সমন্বিত ব্যবস্থাপনাঃ
সমস্যা দেখা দেয়ার পূর্বে করণীয়ঃ
১. মাটি পরীক্ষা করে জমিতে সার প্রয়োগ করুন
২. সুষম সার ব্যবহার করা
৩. একই জমিতে বার বার একই ফসল চাষ করবেন না।
সমস্যা দেখা দেয়ার পর করণীয়ঃ
বিঘা প্রতি ৮০০ গ্রাম হারে বোরন সার (১৭%) প্রয়োগ করা
সমস্যার লক্ষণঃ
বোরনের ঘাটতি হলে পেপের ফলে আকার ছোট হয় ও আকার বিকৃতি ঘটে।
সমস্যার সমন্বিত ব্যবস্থাপনাঃ
সমস্যা দেখা দেয়ার পূর্বে করণীয়ঃ
১. মাটি পরীক্ষা করে জমিতে সার প্রয়োগ করুন
২. সুষম সার ব্যবহার করা
৩. একই জমিতে বার বার একই ফসল চাষ করবেন না।
সমস্যা দেখা দেয়ার পর করণীয়ঃ
বিঘা প্রতি ৮০০ গ্রাম হারে বোরন সার (১৭%) প্রয়োগ করা
বন্যাপ্রবণ এলাকায় কৃষক ভাইদের করণীয়
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 11:23 AM
বন্যাপ্রবণ এলাকায় কৃষক ভাইদের করণীয়
রোপা আমনঃ
- পানিতে ডুবে যাবার পর যেসব ক্ষেতে ধানের চারা বেঁচে আছে, সেসব ক্ষেতের পানি নামার সাথে সাথে হালকা ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করুন। চারার পাতায় পলিমাটি লেগে থাকলে পানি ছিটিয়ে ধুয়ে দিন।
- আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত জমির এক পাশের চারা তুলে নিয়ে অপর পাশের ফাঁকা জায়গাগুলো পূরণ করে দিন। সৃষ্ট খালি জায়গায় পানি সরে গেলে পুনরায় ধানের চারা লাগিয়ে দিন।
- বন্যামুক্ত উঁচু জায়গায় বীজতলা তৈরি করে নাবি জাতের ধান বিআর২২/বিআর২৩/বিনাশাইল/নাইজারশাইল জাতের বীজ ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত বীজতলায় বপন করতে পারেন।
- উফশী চারা না পাওয়া গেলে স্থানীয় জাতের আমন ধান (গাইঞ্জা, সাইটা, গড়িয়া) এর গজানো বীজ আশ্বিনের মাঝামাঝি পর্যন্ত ছিটিয়ে বপন করুন।
- বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উঁচু জমির অভাবে ভাসমান বীজতলা তৈরি করতে পারেন।
- নাবী রোপণের বেলায় প্রতি গুছিতে ৬/৭ টি করে বয়স্ক চারা রোপণ করুন।
আউশ ধান ও পাটঃ
- আউশ ধান শতকরা ৮০ ভাগ পাকলেই কেটে সংগ্রহ করা যায়। ডুবে গেলে বা ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে জরুরি ভিত্তিতে আউশ ধান ও পাট কেটে নিন।
আগাম রবি ফসলঃ
- পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে পাতা জাতীয় সবজি যেমন-গিমাকলমি, লালশাক, ডাঁটাশাক, পালংশাক এসবের চাষ করুন;
- চারা রোপণ উপযোগী সবজির জমিতে, বাড়ির আঙ্গিনায় বা বাঁধের ধারে সবজির চারা উৎপাদন করুন। শুকনো জায়গার অভাব হলে টব, মাটির চাড়ি, কাঠের বাক্স, কাটা ড্রাম, ভাসমান কচুরীপানার স্তুপ, কলার ভেলা এসবে আগাম শীতকালীন সবজির চারা উৎপাদন করা যায়।
- বন্যার পানি সরে গেলে জো আসার পর বিনা চাষে ভুট্রা ও সরিষার বীজ এবং আলু, চীনাবাদাম, রসুন বুনা যায়
- বন্যার পানি নেমে গেলে ভেজা মাটিতে মাসকলাই, খেসারি, ভুট্রা বীজ বুনে দিতে পারেন। পরে একই জমিতে অন্যান্য রবি ফসলের আবাদ করা যাবে;
- রোপিত ফলের চারার গোড়ায় পানি জমে থাকলে নালা কেটে পানি নিকাশের ব্যবস্থা নিন;
- আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ শাকসবজি, ফল ও অন্যান্য ফসলী জমির রস কমানোর জন্য মাটি আলগা করে ছাই মিশিয়ে দিন এবং সামান্য ইউরিয়া ও পটাশ সার প্রয়োগ করুন;
- বেডে তৈরি শিম, লাউ প্রভৃতি সবজি চারার গোড়ায় পানি এলে চারাগুলো মাটির পাত্রে বা কলাগাছের খোলে ভাসিয়ে রাখার ব্যবস্থা করুন, যাতে পানি সরে গেলে আবার মাটিতে লাগানো যায়;
Subscribe to:
Posts (Atom)