সবজি হিসেবে টমেটোর কোনো জুড়ি নেই। একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবারে জন্য গোটা বিশ্বেই টমেটো সমাদৃত। এছাড়া টমেটোতে থাকা ভিটামিন এ, বি, সি, কে, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, লাইকোপিন, ক্রোমিয়ামসহ অন্যান্য পুষ্টি উপাদান মানব দেহের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।
১. গবেষণায় দেখা গেছে দিনে অন্তত ১টি টমেটো শরীরের ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ভিটামিন সি’র অভাব দূর হয়।
২. বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্য যুদ্ধ টমেটোকেন্দ্রিক। তবে তা খাওয়ার জন্য নয়। টমেটো একে অন্যের গায়ে নিক্ষেপ করা হয়। আনুমানিক ৪০ টন ওজনের ১৫০,০০০টি টমেটো নিক্ষিপ্ত করা হয় একটি টমেটো উৎসবে। আর টমেটো উৎসবের নিয়ম হলো টমেটো নিক্ষেপ করার আগে এগুলোকে চটকিয়ে নিতে হবে।
৩. উদ্ভিদবিদ্যায় টমেটো একটি ফল কিন্তু মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এর রায়ে বলা হয়েছে টমেটো একটি সবজি।
৪. টমেটো নিউ জার্সির প্রধান সবজি এবং আরকানের প্রধান ফল ও সবজি।
৫. আমেরিকায় পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ওজনের টমেটোটি উৎপাদিত হয়েছে,যার ওজন প্রায় ৩.১৫কেজি।
৬. ক্যালিফোর্নিয়ায় পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক টমেটো উৎপাদিত হয়।
৭. ব্রিটিশ এবং উত্তর আমেরিকার ১৮২০ জন পর্যন্ত লোক মনে করেন যে টমেটো বিষাক্ত।
৮. টমেটো একটি বিষাক্ত ফলওয়ালা বুনো গাছের সদস্য এবং এর পাতাও বিষাক্ত।
৯. ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে আধা ইঞ্চি টমেটো সস বোতলে ভরতে এক সেকেন্ড সময় লাগে।
১০. টমেটো জুস ওহিওর একটি রাষ্ট্রীয় পানীয়।
১১. একজন ব্যক্তির জন্য একটি টমেটো গাছ ১৫ কেজি টমেটো উৎপাদন করতে পারে।
১২. টমেটো ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে।
১৩. কখনোই টমেটো ফ্রিজে সংরক্ষণ করা উচিত নয় কারণ এতে টমেটোর পুষ্টিমান কমে যায়।
Saturday, May 6, 2017
পেঁপে ফুল নিয়ন্ত্রণ করবে আপনার ডায়াবেটিস!
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 12:02 PM
পেঁপে ফুল নিয়ন্ত্রণ করবে আপনার ডায়াবেটিস!
প্রচলিত নাম :পেঁপে। ইউনানী নাম:পাপিতা, আরানড খরবূযা। আয়ুর্বেদিক নাম:অমৃততুম্বী। একটি সব্জি। (Carica papaya) যা সারাবছর পাওয়া যায়
পেঁপে একটি ছোট আকৃতির অশাখ বৃক্ষবিশেষ। লম্বা বোটাঁযুক্ত ছত্রাকার পাতা বেশ বড় হয় এবং সর্পিল আকারে কান্ডের উপরি অংশে সজ্জিত থাকে। প্রায় সারা বছরেই ফুল ও ফল হয়। কাচাঁ ফল সবুজ, পাকা ফল হলুদ বা পীত বর্ণের। এটি পথ্য হিসেবে ও ব্যবহার হয়। কাচা পাকা দু ভাবেই খাওয়া যায়, তরে কাচা অবস্থায় সব্জি এবং পাকলে ফল। কাচা ফল বাইরের দিক গাঢ় কালচে সবুজ এবং পাকলে খোসা সহ কমলা রং ধারন করে।
বাংলাদেসশের একটি অতি পরিচিত ফল পেঁপে। এটিকে আমরা একটি সুসাদু ফল হিসেবেই জানি। কিন্তু এই গাছ ও ফলের রয়েছে নানা ভেষজ গুণ। আশুন গল্পে গল্পে আজ জেনে নেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পেঁপে ফুলের কার্যকারিতা সম্পর্কে।এক বৃদ্ধা প্রতিদিন তার বাড়ির পাশের কয়েকটি পেঁপে গাছের কাছে যান আর পেঁপের ফুলগুলো ছিঁড়ে নিয়ে আসেন।
জেনে নিন পেঁপে পাতা নির্যাসের স্বাস্থ্য উপকারিতা:
সেগুলো সবজির মতো রান্না করে খান। ছোটবেলা বিষয়টি খেয়াল করতেন তার নাতী হোইনু হাউজেল। বড় হয়ে পেঁপের ফুলের রহস্য বের করতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তিনি জানতে পারেন, তার দাদীর ডায়াবেটিস ছিলো। পেঁপে গাছের ফুলগুলো তার দেহে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতো। ওই বৃদ্ধা এমন বহু জিনিস ব্যবহার করতেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য।
রোগ নিরাময়ে এসব খাদ্যের কাজ বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করা কঠিন হলেও আসল ব্যাপরটি হলো, তা দারুন কাজ করে। তা ছাড়া পুরনো মানুষদের ব্যবহার করা এসব বহু সবজি বা প্রাকৃতিক জিনিস পরবর্তীতে আধুনিক চিকিৎসার অ্যান্টিডোট হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। হাউজেলের দাদী সারা জীবন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং সুস্থভাবে বেঁচে ছিলেন। তার মায়েরও ডায়াবেটিস এবং তিনি দাদীর শেখানো খাদ্যদ্রব্যগুলো পথ্য হিসাবে খাচ্ছেন এবং দিব্যি ভালো আছেন।
এ বিষয়ে ‘নিউট্রি হেলথ’ এর মহাব্যবস্থাপক ড. শিখা শর্মা বলেন, পেঁপের ফুল বিষয়ে আমিও যথেষ্ট সচেতন। এটি আসলেই লিভারের সমস্যায় কাজ করে এবং ফুসফুসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। পেঁপে গাছের ফুলই নয়, পেঁপের সঙ্গে এর পাতাও কিন্তু পেকে যায়। এই তিনটি জিনিসই ভিটামিন এবং স্বাস্থ্যকর উপাদানে ভরপুর।
আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে, পেঁপে গাছের ফুল ভিটামিন এ, সি এবং ই-তে পরিপূর্ণ। স্বাস্থ্যকর বিপাক ক্রিয়ার জন্য এটি ফাইবারসমৃদ্ধ খাবারও বটে। আবার এতে ফোলেট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এমন অবস্থায় থাকে যা দেহে কোলেস্টরেলের জারণক্রিয়াকে প্রতিহত করে। এমনকি অ্যাথেরোস্কেলোসিস, স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে সরাসরি কাজ করে।
সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য পেঁপের হেয়ার মাস্ক
হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো ও ডায়াবেটিসের মাত্রা ঠিক রাখার জাদুকরী ক্ষমতা রয়েছে এতে। শুধু আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান নয়, পেঁপে গাছের গুণ সেই প্রাচীন মায়ান সভ্যতার মানুষরাও বুঝতে পেরেছিলেন। দক্ষিণ পূর্ব মেক্সিকো এবং সেন্ট্রাল আমেরিকার কিছু অংশে ‘ট্রি অব লাইফ’ গণ্য করে পূজো দেওয়া হতো পেঁপে গাছকে।
এই গাছ থেকে পাতা, ফুল এবং পেঁপে খেয়ে তাদের রোগ ভালো হয়ে যেতো। তাই গাছটি সরাসরি ঈশ্বর দিয়েছেন বলে বিশ্বাস করতেন তারা। গুজব রয়েছে যে, এসব কারণেই ক্রিস্টোফার কলম্বাসের প্রিয় ফল ছিলো পেঁপে। বিশেষ করে ডায়াবেটিসের রোগীরা পেঁপে ফুল খেয়ে দেখতে পারেন, এ পরামর্শ আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান দেয়। হাউজেল তার দাদীর কাছ থেকে শেখা এই ফুল রান্নার পদ্ধতিও শিখিয়ে দিচ্ছেন আপনাদের।
পেঁপে ফুল যখন খাবারঃ
এখানে পেঁপের ফুল ও পেঁপের এমন দুটো সাধারণ রেসিপি দেওয়া হলো। স্রেফ খাবার হিসাবে নয়, এগুলো রীতিমতো পথ্য হিসাবে খাওয়া হয়। প্রথমে ফুলগুলো ছিঁড়ে আনতে হবে। এরপর তার পরিষ্কার পানিতে ভালো করে ধুতে হবে। ধোয়ার পর পানি শুকিয়ে নিতেন হাউজেলের দাদী। এরপর একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে ফুলগুলো ভাজতেন। ফুলগুলো বেশ পরিপুষ্ট এবং টাটকা চেহারার থাকে। তেলে ছাড়ার পর যখন ফুলগুলো তার পরিপুষ্টভাব হারাবে তখন চুলো নিভিয়ে দিন। এতে লবণ বা হালকা গুলমরিচ মিশিয়ে এমনিতেই খেতে পারেন অথবা ভাতের সঙ্গেও নিতে পারেন। একেবারে সাদামাটা পদ্ধতিতে রান্না করা এই খাবার ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিস্ময়কর রকমের উপকারী। এতে হালকা তেতো স্বাদ রয়েছে যা খেতে ভালো লাগে। আরেকটি রেসিপি যা আদতে পেঁপের সালাদ বলা যায়। পেঁপে এমন একটি ফল যা কাঁচা বা পাকা উভয় অস্থাতেই সমান উপকারী। আমাদের দেশেও নানা পদ্ধতিতে এটি রান্না করা হয়। ভারতের মণিপুরী এবং থাইল্যান্ডে এই সালাদ জনপ্রিয় পথ্য।
যা লাগবে-
১। মাঝারি আকারের একটি কাঁচা পেঁপে,
২। ২ টেবিল চামচ তিল,
৩। ২-৩টি বা প্রয়োজন মতো কাঁচা মরিচ,
৪। রোদে শোকানো অথবা প্রক্রিয়াজাত মাছ,
৫। প্রয়োজন মতো লবণ এবং
৬। প্রয়োজন মতো ধনের পাতা।
এটি তৈরির পদ্ধতি একেবারে সহজ। পেঁপে ছিলে নিয়ে পানিতে বার বার ধুয়ে নিন। ছোট ছোট স্টাইস করুন। মরিচ এবং মাছ বেঁটে নিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টে লবণ ও তিল মিশিয়ে নিন। এবার একটি গামলায় সব মিশিয়ে নিয়ে সালাদটি উপভোগ করুন।
প্রচলিত নাম :পেঁপে। ইউনানী নাম:পাপিতা, আরানড খরবূযা। আয়ুর্বেদিক নাম:অমৃততুম্বী। একটি সব্জি। (Carica papaya) যা সারাবছর পাওয়া যায়
পেঁপে একটি ছোট আকৃতির অশাখ বৃক্ষবিশেষ। লম্বা বোটাঁযুক্ত ছত্রাকার পাতা বেশ বড় হয় এবং সর্পিল আকারে কান্ডের উপরি অংশে সজ্জিত থাকে। প্রায় সারা বছরেই ফুল ও ফল হয়। কাচাঁ ফল সবুজ, পাকা ফল হলুদ বা পীত বর্ণের। এটি পথ্য হিসেবে ও ব্যবহার হয়। কাচা পাকা দু ভাবেই খাওয়া যায়, তরে কাচা অবস্থায় সব্জি এবং পাকলে ফল। কাচা ফল বাইরের দিক গাঢ় কালচে সবুজ এবং পাকলে খোসা সহ কমলা রং ধারন করে।
বাংলাদেসশের একটি অতি পরিচিত ফল পেঁপে। এটিকে আমরা একটি সুসাদু ফল হিসেবেই জানি। কিন্তু এই গাছ ও ফলের রয়েছে নানা ভেষজ গুণ। আশুন গল্পে গল্পে আজ জেনে নেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পেঁপে ফুলের কার্যকারিতা সম্পর্কে।এক বৃদ্ধা প্রতিদিন তার বাড়ির পাশের কয়েকটি পেঁপে গাছের কাছে যান আর পেঁপের ফুলগুলো ছিঁড়ে নিয়ে আসেন।
জেনে নিন পেঁপে পাতা নির্যাসের স্বাস্থ্য উপকারিতা:
সেগুলো সবজির মতো রান্না করে খান। ছোটবেলা বিষয়টি খেয়াল করতেন তার নাতী হোইনু হাউজেল। বড় হয়ে পেঁপের ফুলের রহস্য বের করতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তিনি জানতে পারেন, তার দাদীর ডায়াবেটিস ছিলো। পেঁপে গাছের ফুলগুলো তার দেহে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতো। ওই বৃদ্ধা এমন বহু জিনিস ব্যবহার করতেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য।
রোগ নিরাময়ে এসব খাদ্যের কাজ বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করা কঠিন হলেও আসল ব্যাপরটি হলো, তা দারুন কাজ করে। তা ছাড়া পুরনো মানুষদের ব্যবহার করা এসব বহু সবজি বা প্রাকৃতিক জিনিস পরবর্তীতে আধুনিক চিকিৎসার অ্যান্টিডোট হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। হাউজেলের দাদী সারা জীবন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং সুস্থভাবে বেঁচে ছিলেন। তার মায়েরও ডায়াবেটিস এবং তিনি দাদীর শেখানো খাদ্যদ্রব্যগুলো পথ্য হিসাবে খাচ্ছেন এবং দিব্যি ভালো আছেন।
এ বিষয়ে ‘নিউট্রি হেলথ’ এর মহাব্যবস্থাপক ড. শিখা শর্মা বলেন, পেঁপের ফুল বিষয়ে আমিও যথেষ্ট সচেতন। এটি আসলেই লিভারের সমস্যায় কাজ করে এবং ফুসফুসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। পেঁপে গাছের ফুলই নয়, পেঁপের সঙ্গে এর পাতাও কিন্তু পেকে যায়। এই তিনটি জিনিসই ভিটামিন এবং স্বাস্থ্যকর উপাদানে ভরপুর।
আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে, পেঁপে গাছের ফুল ভিটামিন এ, সি এবং ই-তে পরিপূর্ণ। স্বাস্থ্যকর বিপাক ক্রিয়ার জন্য এটি ফাইবারসমৃদ্ধ খাবারও বটে। আবার এতে ফোলেট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এমন অবস্থায় থাকে যা দেহে কোলেস্টরেলের জারণক্রিয়াকে প্রতিহত করে। এমনকি অ্যাথেরোস্কেলোসিস, স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে সরাসরি কাজ করে।
সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য পেঁপের হেয়ার মাস্ক
হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো ও ডায়াবেটিসের মাত্রা ঠিক রাখার জাদুকরী ক্ষমতা রয়েছে এতে। শুধু আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান নয়, পেঁপে গাছের গুণ সেই প্রাচীন মায়ান সভ্যতার মানুষরাও বুঝতে পেরেছিলেন। দক্ষিণ পূর্ব মেক্সিকো এবং সেন্ট্রাল আমেরিকার কিছু অংশে ‘ট্রি অব লাইফ’ গণ্য করে পূজো দেওয়া হতো পেঁপে গাছকে।
এই গাছ থেকে পাতা, ফুল এবং পেঁপে খেয়ে তাদের রোগ ভালো হয়ে যেতো। তাই গাছটি সরাসরি ঈশ্বর দিয়েছেন বলে বিশ্বাস করতেন তারা। গুজব রয়েছে যে, এসব কারণেই ক্রিস্টোফার কলম্বাসের প্রিয় ফল ছিলো পেঁপে। বিশেষ করে ডায়াবেটিসের রোগীরা পেঁপে ফুল খেয়ে দেখতে পারেন, এ পরামর্শ আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান দেয়। হাউজেল তার দাদীর কাছ থেকে শেখা এই ফুল রান্নার পদ্ধতিও শিখিয়ে দিচ্ছেন আপনাদের।
পেঁপে ফুল যখন খাবারঃ
এখানে পেঁপের ফুল ও পেঁপের এমন দুটো সাধারণ রেসিপি দেওয়া হলো। স্রেফ খাবার হিসাবে নয়, এগুলো রীতিমতো পথ্য হিসাবে খাওয়া হয়। প্রথমে ফুলগুলো ছিঁড়ে আনতে হবে। এরপর তার পরিষ্কার পানিতে ভালো করে ধুতে হবে। ধোয়ার পর পানি শুকিয়ে নিতেন হাউজেলের দাদী। এরপর একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে ফুলগুলো ভাজতেন। ফুলগুলো বেশ পরিপুষ্ট এবং টাটকা চেহারার থাকে। তেলে ছাড়ার পর যখন ফুলগুলো তার পরিপুষ্টভাব হারাবে তখন চুলো নিভিয়ে দিন। এতে লবণ বা হালকা গুলমরিচ মিশিয়ে এমনিতেই খেতে পারেন অথবা ভাতের সঙ্গেও নিতে পারেন। একেবারে সাদামাটা পদ্ধতিতে রান্না করা এই খাবার ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিস্ময়কর রকমের উপকারী। এতে হালকা তেতো স্বাদ রয়েছে যা খেতে ভালো লাগে। আরেকটি রেসিপি যা আদতে পেঁপের সালাদ বলা যায়। পেঁপে এমন একটি ফল যা কাঁচা বা পাকা উভয় অস্থাতেই সমান উপকারী। আমাদের দেশেও নানা পদ্ধতিতে এটি রান্না করা হয়। ভারতের মণিপুরী এবং থাইল্যান্ডে এই সালাদ জনপ্রিয় পথ্য।
যা লাগবে-
১। মাঝারি আকারের একটি কাঁচা পেঁপে,
২। ২ টেবিল চামচ তিল,
৩। ২-৩টি বা প্রয়োজন মতো কাঁচা মরিচ,
৪। রোদে শোকানো অথবা প্রক্রিয়াজাত মাছ,
৫। প্রয়োজন মতো লবণ এবং
৬। প্রয়োজন মতো ধনের পাতা।
এটি তৈরির পদ্ধতি একেবারে সহজ। পেঁপে ছিলে নিয়ে পানিতে বার বার ধুয়ে নিন। ছোট ছোট স্টাইস করুন। মরিচ এবং মাছ বেঁটে নিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টে লবণ ও তিল মিশিয়ে নিন। এবার একটি গামলায় সব মিশিয়ে নিয়ে সালাদটি উপভোগ করুন।
Friday, May 5, 2017
পেঁপের পটাশ সারের ঘাটতি
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 11:35 AM
পেঁপের পটাশ সারের ঘাটতি
সমস্যার লক্ষণঃ
পটাশের ঘাটতি হলে পেপের পুরাতন পাতার শিরার মধ্যবর্তী অংশ হলুদ হয়ে যায়। পাতা কিনারা থেকে শুকাতে শুরু করে আস্তে আস্তে কেন্দ্রের দিকে অগ্রসর হয়।
সমস্যা দেখা দেয়ার পূর্বে করণীয়ঃ
১. মাটি পরীক্ষা করে জমিতে সার প্রয়োগ করুন
২. সুষম সার ব্যবহার করা
৩. একই জমিতে বার বার একই ফসল চাষ করবেন না।
সমস্যা দেখা দেয়ার পর করণীয়ঃ
# গাছের বয়স অনুসারে গাছ প্রতি ৫০-১০০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করা।
সমস্যার লক্ষণঃ
পটাশের ঘাটতি হলে পেপের পুরাতন পাতার শিরার মধ্যবর্তী অংশ হলুদ হয়ে যায়। পাতা কিনারা থেকে শুকাতে শুরু করে আস্তে আস্তে কেন্দ্রের দিকে অগ্রসর হয়।
সমস্যা দেখা দেয়ার পূর্বে করণীয়ঃ
১. মাটি পরীক্ষা করে জমিতে সার প্রয়োগ করুন
২. সুষম সার ব্যবহার করা
৩. একই জমিতে বার বার একই ফসল চাষ করবেন না।
সমস্যা দেখা দেয়ার পর করণীয়ঃ
# গাছের বয়স অনুসারে গাছ প্রতি ৫০-১০০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করা।
পেঁপের বোরন সারের ঘাটতি
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 11:30 AM
পেঁপের বোরন সারের ঘাটতি
সমস্যার লক্ষণঃ
বোরনের ঘাটতি হলে পেপের ফলে আকার ছোট হয় ও আকার বিকৃতি ঘটে।
সমস্যার সমন্বিত ব্যবস্থাপনাঃ
সমস্যা দেখা দেয়ার পূর্বে করণীয়ঃ
১. মাটি পরীক্ষা করে জমিতে সার প্রয়োগ করুন
২. সুষম সার ব্যবহার করা
৩. একই জমিতে বার বার একই ফসল চাষ করবেন না।
সমস্যা দেখা দেয়ার পর করণীয়ঃ
বিঘা প্রতি ৮০০ গ্রাম হারে বোরন সার (১৭%) প্রয়োগ করা
সমস্যার লক্ষণঃ
বোরনের ঘাটতি হলে পেপের ফলে আকার ছোট হয় ও আকার বিকৃতি ঘটে।
সমস্যার সমন্বিত ব্যবস্থাপনাঃ
সমস্যা দেখা দেয়ার পূর্বে করণীয়ঃ
১. মাটি পরীক্ষা করে জমিতে সার প্রয়োগ করুন
২. সুষম সার ব্যবহার করা
৩. একই জমিতে বার বার একই ফসল চাষ করবেন না।
সমস্যা দেখা দেয়ার পর করণীয়ঃ
বিঘা প্রতি ৮০০ গ্রাম হারে বোরন সার (১৭%) প্রয়োগ করা
বন্যাপ্রবণ এলাকায় কৃষক ভাইদের করণীয়
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 11:23 AM
বন্যাপ্রবণ এলাকায় কৃষক ভাইদের করণীয়
রোপা আমনঃ
- পানিতে ডুবে যাবার পর যেসব ক্ষেতে ধানের চারা বেঁচে আছে, সেসব ক্ষেতের পানি নামার সাথে সাথে হালকা ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করুন। চারার পাতায় পলিমাটি লেগে থাকলে পানি ছিটিয়ে ধুয়ে দিন।
- আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত জমির এক পাশের চারা তুলে নিয়ে অপর পাশের ফাঁকা জায়গাগুলো পূরণ করে দিন। সৃষ্ট খালি জায়গায় পানি সরে গেলে পুনরায় ধানের চারা লাগিয়ে দিন।
- বন্যামুক্ত উঁচু জায়গায় বীজতলা তৈরি করে নাবি জাতের ধান বিআর২২/বিআর২৩/বিনাশাইল/নাইজারশাইল জাতের বীজ ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত বীজতলায় বপন করতে পারেন।
- উফশী চারা না পাওয়া গেলে স্থানীয় জাতের আমন ধান (গাইঞ্জা, সাইটা, গড়িয়া) এর গজানো বীজ আশ্বিনের মাঝামাঝি পর্যন্ত ছিটিয়ে বপন করুন।
- বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উঁচু জমির অভাবে ভাসমান বীজতলা তৈরি করতে পারেন।
- নাবী রোপণের বেলায় প্রতি গুছিতে ৬/৭ টি করে বয়স্ক চারা রোপণ করুন।
আউশ ধান ও পাটঃ
- আউশ ধান শতকরা ৮০ ভাগ পাকলেই কেটে সংগ্রহ করা যায়। ডুবে গেলে বা ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে জরুরি ভিত্তিতে আউশ ধান ও পাট কেটে নিন।
আগাম রবি ফসলঃ
- পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে পাতা জাতীয় সবজি যেমন-গিমাকলমি, লালশাক, ডাঁটাশাক, পালংশাক এসবের চাষ করুন;
- চারা রোপণ উপযোগী সবজির জমিতে, বাড়ির আঙ্গিনায় বা বাঁধের ধারে সবজির চারা উৎপাদন করুন। শুকনো জায়গার অভাব হলে টব, মাটির চাড়ি, কাঠের বাক্স, কাটা ড্রাম, ভাসমান কচুরীপানার স্তুপ, কলার ভেলা এসবে আগাম শীতকালীন সবজির চারা উৎপাদন করা যায়।
- বন্যার পানি সরে গেলে জো আসার পর বিনা চাষে ভুট্রা ও সরিষার বীজ এবং আলু, চীনাবাদাম, রসুন বুনা যায়
- বন্যার পানি নেমে গেলে ভেজা মাটিতে মাসকলাই, খেসারি, ভুট্রা বীজ বুনে দিতে পারেন। পরে একই জমিতে অন্যান্য রবি ফসলের আবাদ করা যাবে;
- রোপিত ফলের চারার গোড়ায় পানি জমে থাকলে নালা কেটে পানি নিকাশের ব্যবস্থা নিন;
- আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ শাকসবজি, ফল ও অন্যান্য ফসলী জমির রস কমানোর জন্য মাটি আলগা করে ছাই মিশিয়ে দিন এবং সামান্য ইউরিয়া ও পটাশ সার প্রয়োগ করুন;
- বেডে তৈরি শিম, লাউ প্রভৃতি সবজি চারার গোড়ায় পানি এলে চারাগুলো মাটির পাত্রে বা কলাগাছের খোলে ভাসিয়ে রাখার ব্যবস্থা করুন, যাতে পানি সরে গেলে আবার মাটিতে লাগানো যায়;
Thursday, May 4, 2017
মুখী কচুর চাষ পদ্ধতি
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 7:18 AM
মুখী কচুর জাত পরিচিতি
দেশি জাতঃ মুখী কচু বাংলাদেশের গুড়া কচু, কুড়ি কচু, ছড়া কচু, দুলি কচু, বিন্নি কচু, ইত্যাদি নামে ও পরিচিত। এছাড়াও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উন্নত জাতে মুখী কচু উদ্ভাবন করেছে, যেগুলোর বর্ণনা নিম্নরুপঃমুখী কচুর বপন/রোপণ প্রযুক্তি
রোপণের সময়ঃমধ্য-মাঘ থেকে মধ্য-ফাল্গুন (ফেব্রুয়ারি) মুখী কচু রোপণের উপযুক্ত সময়।
রোপণ পদ্ধতিঃএকক সারি পদ্ধতিঃ উর্বর মাটির জন্য সারি থেকে সারির দূরত্ব ২ ফুট এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ১.৫ ফুট। অনুর্বর মাটির বেলায় সারি থেকে সারির দূরত্ব ২ ফুট এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ১ ফুট ৪ ইঞ্চি রাখতে হয়।
ডাবল সারি পদ্ধতিঃ এ পদ্ধতিতে সারি থেকে সারির দূরত্ব ২.৫ ফুট এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ২.০ ফুট বেশি উপযোগী বলে প্রমাণিত হয়েছে। আড়াই ফুট দূরে দূরে লম্বালম্বি দাগ টানতে হয়। এই দাগের উভয় পাশে ৪ ইঞ্চি দূর দিয়ে ২ ফুট পর পর বীজ লাগিয়ে যেতে হয়। এতে দুই সারির মধ্যে দূরত্ব ২২ ইঞ্চি এবং এক সারির দুই লাইনের মধ্যে দুরত্ব হয় ৮ ইঞ্চি। এই পদ্ধতিতে বীজ লাগালে ফলন প্রায় ৪০-৫০% বেড়ে যায়। দুই সারির ৩ টি বীজ সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ উৎপন্ন করবে।
বীজের হারঃমুখীর ছড়া বিঘা প্রতি ৬০-৮০ কেজি (১৫-২০ গ্রাম ওজনের মুখী) প্রয়োজন হবে।
মুখী কচুর ভাল ফলন পাওয়ার জন্য প্রতি শতাংশ (ডেসিমাল) মাঝারি উর্বর জমির জন্য নিম্নোক্ত হারে সার প্রয়োগ করতে হবেঃ
প্রয়োগ পদ্ধতিঃ
সমুদয় গোবর, টিএসপি, জিপসাম, দস্তা ও বোরণ সার এবং অর্ধেক ইউরিয়া ও অর্ধেক পটাশ সার জমি তৈরির আগে শেষ চাষের সময় মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। অবশিষ্ট ইউরিয়া ও পটাশ সার চারা রোপণের ৩৫-৪০ দিন এবং ৬৫-৭৫ দিন এর মধ্যে পার্শ্বে প্রয়োগের মাধ্যমে উপরি প্রয়োগ করতে হবে।
মুখী কচু চাষে অন্যান্য প্রযুক্তি:
আগাছা দমনঃ
মুখী কচু ৬-৯ মাসের ফসল। গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালের উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় জমিতে প্রচুর আগাছা জন্মে। পুরো উৎপাদন মৌসুমে ৪-৬ বার আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। প্রতিবার উপরি সার প্রয়োগের আগে অবশ্যই আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। চারা লাগানোর দুই মাস পর হতে প্রতি মাসে আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
পানি সেচ ও নিষ্কাশনঃ
মুখী কচু খরা মৌসুমে লাগানো হলে বীজ অঙ্কুরোদগমের জন্য তো বটেই প্রাথমিক বৃদ্ধি পর্যায়ে মাটির প্রকারভেদে ১০-২০ দিন পর পর সেচ দিতে হবে। বর্ষাকালে সেচ দেয়ার দরকার পড়ে না তবে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করতে হবে। মনে রাখতে হবে মুখী কচুর উচ্চ ফলনের জন্য প্রয়োজনীয় সেচ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থা যথাসময়ে গ্রহণ করতে হবে।
গাছের গোড়ায় মাটি তোলাঃ
রোপনের ৪০-৪৫ এবং ৯০-১০০ দিন পর দুই সারির মাঝের মাটি কুপিয়ে ঝুরঝুরে করে গাছের গোড়ায় তুলে দিতে হবে।
মুখী কচুর সংগ্রহ ও পরবর্তী করণীয়:
ফসল সংগ্রহঃ
মুখি কচু ৬-৯ মাসের ফসল। কন্দ রোপনের ৬ মাস পর সেপ্টেম্বর (মধ্য ভাদ্র) মাসে আগাম ফসল তোলার উপযোগী। এরপর গাছের পাতা হলুদ বর্ণ ধারণ ও গাছ ধীরে ধীরে মারা গেলে মুখি কচু তুলতে হয়। কোদাল দিয়ে মাটি খুড়েঁ মুখী সংগ্রহ করা হয়।
ফলনঃ
উচ্চ ফলনশীল বিলাসী জাতে গড় ফলন বিঘা প্রতি ১০৫-১২৫ মণ (মোট ফলনের ৭৫-৮৫% মুখি/corm এবং বাকীটা গুড়িকন্দ/cormel)।
পরিবহণ পদ্ধতিঃ চটের বস্তা/বাঁশের খাচাতে করে সাধারনত পরিনহন করা হয়।
পরিবহণের মাধ্যমঃ ভ্যান / গরুগাড়ী / ট্রাকটোর এর মাধ্যমে পরিবহন করা হয়ে থাকে।
প্যাকেজিং পদ্ধতিঃ স্হানীয় পর্যায়ে বাজারজাত করার জন্য বর্তমানে চটের বস্তা ও বাঁশের তৈরী খাঁচা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
সংরক্ষণ পদ্ধতিঃ
স্বল্প পরিসরেঃ ভালোভাবে সতর্কতার সাথে গুড়ি তুলতে হবে। কাটা, পচা, ক্ষতযুক্ত, ছোট-মাঝারি-বড় আকার দেখে আলাদা করে রাখতে হবে। ঠান্ডা ও ছায়াময় এবং বাতাস চলাচলের সুবিধাযুক্ত স্হানে স্তুপ করে বা মেঝেতে ছড়িয়ে মুখীকচু শুকানো যায়। ছায়ায় শুকানোর পর নাড়াচড়া করলে গুড়ির গায়ের মাটিসহ অন্যান্য ময়লা পড়ে গিয়ে গুড়ি পরিষ্কার হয়ে যাবে। এরপর ঘরের ছায়াযুক্ত স্হানে মাচা বা কাঠের উপর রেখে শুকনো ঠান্ডা পরিষ্কার বালি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। এভাবে মুখীকচু ৪/৬ মাস পর্যন্ত অনায়াসে সংরক্ষণ করা যায়।
দেশি জাতঃ মুখী কচু বাংলাদেশের গুড়া কচু, কুড়ি কচু, ছড়া কচু, দুলি কচু, বিন্নি কচু, ইত্যাদি নামে ও পরিচিত। এছাড়াও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উন্নত জাতে মুখী কচু উদ্ভাবন করেছে, যেগুলোর বর্ণনা নিম্নরুপঃমুখী কচুর বপন/রোপণ প্রযুক্তি
রোপণের সময়ঃমধ্য-মাঘ থেকে মধ্য-ফাল্গুন (ফেব্রুয়ারি) মুখী কচু রোপণের উপযুক্ত সময়।
রোপণ পদ্ধতিঃএকক সারি পদ্ধতিঃ উর্বর মাটির জন্য সারি থেকে সারির দূরত্ব ২ ফুট এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ১.৫ ফুট। অনুর্বর মাটির বেলায় সারি থেকে সারির দূরত্ব ২ ফুট এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ১ ফুট ৪ ইঞ্চি রাখতে হয়।
ডাবল সারি পদ্ধতিঃ এ পদ্ধতিতে সারি থেকে সারির দূরত্ব ২.৫ ফুট এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ২.০ ফুট বেশি উপযোগী বলে প্রমাণিত হয়েছে। আড়াই ফুট দূরে দূরে লম্বালম্বি দাগ টানতে হয়। এই দাগের উভয় পাশে ৪ ইঞ্চি দূর দিয়ে ২ ফুট পর পর বীজ লাগিয়ে যেতে হয়। এতে দুই সারির মধ্যে দূরত্ব ২২ ইঞ্চি এবং এক সারির দুই লাইনের মধ্যে দুরত্ব হয় ৮ ইঞ্চি। এই পদ্ধতিতে বীজ লাগালে ফলন প্রায় ৪০-৫০% বেড়ে যায়। দুই সারির ৩ টি বীজ সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ উৎপন্ন করবে।
বীজের হারঃমুখীর ছড়া বিঘা প্রতি ৬০-৮০ কেজি (১৫-২০ গ্রাম ওজনের মুখী) প্রয়োজন হবে।
মুখী কচুর সার ব্যবস্থাপনা
মুখী কচুর ভাল ফলন পাওয়ার জন্য প্রতি শতাংশ (ডেসিমাল) মাঝারি উর্বর জমির জন্য নিম্নোক্ত হারে সার প্রয়োগ করতে হবেঃ
| সারের নাম | সারের পরিমাণ | মন্তব্য |
| পচা গোবর/কম্পোস্ট | ৪০-৫০ কেজি | অধিকতর তথ্য জানতে এখানে ক্লিক করুন। এলাকা বা মৃত্তিকা ভেদে সারের পরিমাণে কম-বেশী হতে পারে। |
| ইউরিয়া | ১.২০-১.৪০ কেজি | |
| টিএসপি | ০.৬১-০.৮১ কেজি | |
| এমওপি/পটাশ | ১.২০-১.৪০ কেজি | |
| জিপসাম | ০.৪-০.৫৩ কেজি | |
| দস্তা | ০.০৪-০.০৬ কেজি | |
| বোরণ | ০.০৪-০.০৫ কেজি |
প্রয়োগ পদ্ধতিঃ
সমুদয় গোবর, টিএসপি, জিপসাম, দস্তা ও বোরণ সার এবং অর্ধেক ইউরিয়া ও অর্ধেক পটাশ সার জমি তৈরির আগে শেষ চাষের সময় মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। অবশিষ্ট ইউরিয়া ও পটাশ সার চারা রোপণের ৩৫-৪০ দিন এবং ৬৫-৭৫ দিন এর মধ্যে পার্শ্বে প্রয়োগের মাধ্যমে উপরি প্রয়োগ করতে হবে।
মুখী কচু চাষে অন্যান্য প্রযুক্তি:
আগাছা দমনঃ
মুখী কচু ৬-৯ মাসের ফসল। গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালের উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় জমিতে প্রচুর আগাছা জন্মে। পুরো উৎপাদন মৌসুমে ৪-৬ বার আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। প্রতিবার উপরি সার প্রয়োগের আগে অবশ্যই আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। চারা লাগানোর দুই মাস পর হতে প্রতি মাসে আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
পানি সেচ ও নিষ্কাশনঃ
মুখী কচু খরা মৌসুমে লাগানো হলে বীজ অঙ্কুরোদগমের জন্য তো বটেই প্রাথমিক বৃদ্ধি পর্যায়ে মাটির প্রকারভেদে ১০-২০ দিন পর পর সেচ দিতে হবে। বর্ষাকালে সেচ দেয়ার দরকার পড়ে না তবে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করতে হবে। মনে রাখতে হবে মুখী কচুর উচ্চ ফলনের জন্য প্রয়োজনীয় সেচ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থা যথাসময়ে গ্রহণ করতে হবে।
গাছের গোড়ায় মাটি তোলাঃ
রোপনের ৪০-৪৫ এবং ৯০-১০০ দিন পর দুই সারির মাঝের মাটি কুপিয়ে ঝুরঝুরে করে গাছের গোড়ায় তুলে দিতে হবে।
মুখী কচুর সংগ্রহ ও পরবর্তী করণীয়:
ফসল সংগ্রহঃ
মুখি কচু ৬-৯ মাসের ফসল। কন্দ রোপনের ৬ মাস পর সেপ্টেম্বর (মধ্য ভাদ্র) মাসে আগাম ফসল তোলার উপযোগী। এরপর গাছের পাতা হলুদ বর্ণ ধারণ ও গাছ ধীরে ধীরে মারা গেলে মুখি কচু তুলতে হয়। কোদাল দিয়ে মাটি খুড়েঁ মুখী সংগ্রহ করা হয়।
ফলনঃ
উচ্চ ফলনশীল বিলাসী জাতে গড় ফলন বিঘা প্রতি ১০৫-১২৫ মণ (মোট ফলনের ৭৫-৮৫% মুখি/corm এবং বাকীটা গুড়িকন্দ/cormel)।
পরিবহণ পদ্ধতিঃ চটের বস্তা/বাঁশের খাচাতে করে সাধারনত পরিনহন করা হয়।
পরিবহণের মাধ্যমঃ ভ্যান / গরুগাড়ী / ট্রাকটোর এর মাধ্যমে পরিবহন করা হয়ে থাকে।
প্যাকেজিং পদ্ধতিঃ স্হানীয় পর্যায়ে বাজারজাত করার জন্য বর্তমানে চটের বস্তা ও বাঁশের তৈরী খাঁচা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
সংরক্ষণ পদ্ধতিঃ
স্বল্প পরিসরেঃ ভালোভাবে সতর্কতার সাথে গুড়ি তুলতে হবে। কাটা, পচা, ক্ষতযুক্ত, ছোট-মাঝারি-বড় আকার দেখে আলাদা করে রাখতে হবে। ঠান্ডা ও ছায়াময় এবং বাতাস চলাচলের সুবিধাযুক্ত স্হানে স্তুপ করে বা মেঝেতে ছড়িয়ে মুখীকচু শুকানো যায়। ছায়ায় শুকানোর পর নাড়াচড়া করলে গুড়ির গায়ের মাটিসহ অন্যান্য ময়লা পড়ে গিয়ে গুড়ি পরিষ্কার হয়ে যাবে। এরপর ঘরের ছায়াযুক্ত স্হানে মাচা বা কাঠের উপর রেখে শুকনো ঠান্ডা পরিষ্কার বালি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। এভাবে মুখীকচু ৪/৬ মাস পর্যন্ত অনায়াসে সংরক্ষণ করা যায়।
পরিত্যাক্ত জমিতে পেঁপে চাষ করে কোটিপতি
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 2:14 AM
পরিত্যাক্ত জমিতে পেঁপে চাষ করে কোটিপতি
শুনতে অবাক মনে হয় সত্যি আসুন দেখি দিপ্ত টিভির এই ভিডিও প্রতিবেদন টি।
https://youtu.be/T1A3VXmKDYI
শুনতে অবাক মনে হয় সত্যি আসুন দেখি দিপ্ত টিভির এই ভিডিও প্রতিবেদন টি।
https://youtu.be/T1A3VXmKDYI
Subscribe to:
Posts (Atom)