চাষ করুন জাম্বো ঘাস
জাম্বো ঘাস
দুগ্ধ খামারীদের মধ্যে জাম্বো ঘাসের চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভাঙ্গুড়া উপজেলা পাবনা জেলার একটি ছোট উপজেলা যা প্রায় প্রতি বছর বন্যা কবলিত হয়ে থাকে। ফলে কৃষকদের গাভী পালনে খুব সমস্যা দেখা দেয়। এতদ্বসত্বেও তারা অন্ততপক্ষে গোয়াল ঘরের স্থান বন্যামুক্ত রাখার জন্য মাটি ফেলে উঁচু করেছে। বন্যার পানি সাধারণত জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকে এবং অক্টোবর থেকে আবার নামতে শুরু করে। ফলে, কৃষকরা তাদের জমিতে মাস কলাই, খেসারী ইত্যাদি ছিটিয়ে বপন করে যা গরুকে খাওনোই ছিল তাদের ঐতিহ্য। কিন্তু গত ২০০৭ সালে কৃষকরা উচ্চ মূল্যে যে মাস কলাই ও খেসারী বীজ ক্রয় করে বপন করেছিল তা পর পর দু’বার বন্যার পানিতে ডুবে তাদের মারাত্নক আর্থিক ক্ষতি হয়। কৃষকরা এতে অত্যন্ত হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ে এবং গাভী পালনের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব গড়ে উঠতে থাকে। এই অবস্থায় তাদেরকে উচ্চ ফলনশীল ঘাস চাষের প্রতি আহবান জানানো হয়। এরই ফলশ্রুতিতে এখানে উচ্চফলনশীল জাম্বো ঘাস চাষ শুরু হয় ব্যাপকভাবে। কৃষক ভাইয়েরা নতুন ঘাস জাম্বো চাষ করে আর্থিকভাবে যথেষ্ট লাভবান হয়েছেন। জাম্বো ঘাস একটি স্থায়ী সবুজ ঘাস যা যে কোনো আবহাওয়াতে জন্মাতে পারে। তবে যেখানে অল্প বৃষ্টিপাত হয় সেখানে ভাল হয়।
জাম্বো ঘাস চাষ প্রক্রিয়া:
মাটি:
বেলে মাটি ব্যতীত সব ধরনের মাটিতেই জাম্বো ঘাস চাষ করা যায়। তবে এটেল ও দোআঁশ মাটিতে ফলন বেশি হয়। মাটির PH ৬-৮ এর মধ্যে হলে ভাল হয়।
বপনের সময়:
সারা বৎসর এই ঘাস চাষ করা যায়। তবে নভেম্বর-ডিসেম্বরে চাষ করলে বন্যার পানি আসার পূর্ব পর্যন্ত প্রায় চার থেকে পাঁচ বার কাটা যায়।
জমি তৈরি:
২-৩ বার মাটি চাষ করে ঘাস রোপণ করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।
বপন পদ্ধতি ও বীজের পরিমাণ:
এই ঘাসের বীজ ১ ফুট পরপর লাইন করে ৬ ইঞ্চি পরপর ২টি বীজ প্রতি গর্তে বপন করা যায়। এছাড়া ছিটিয়েও বপন করা যায়। প্রতি বিঘা জমিতে লাইন করে বপন করলে ৩-৪ কেজি বীজ লাগে। এছাড়া ছিটিয়ে বোনা হলে ৫-৬ কেজি বীজের দরকার হয়।
সার প্রয়োগ:
বিঘা প্রতি গোবর সার ১৫০০-২০০০ কেজি, ডিএপি সার ১৫-২০ কেজি ও ইউরিয়া সার ৫ কেজি প্রয়োগ করতে হয়। প্রতি মাসে ঘাস কাটার পর ৫ কেজি ইউরিয়া সার ছিটিয়ে সেচ দিলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।
কাটিং:
বপন করার ৪৫/৫০ দিন পর প্রথম বার কাটা যায় এবং পরে প্রতি মাসে ১ বার করে কাটা যায়। ১ বিঘা জমিতে উৎপাদন প্রায় ৮০০০-১০০০০ কেজি হয়ে থাকে যার মূল্য প্রায় ৫০০০-৬০০০ হাজার টাকা।
ঘাসের পরিচর্চা:
এই ঘাসের জন্য কোনো পরিচর্যার প্রয়োজন পড়ে না। প্রতিবার কাটার ৭ দিন পর সেচ দিতে হয় এবং ইউরিয়া সার দিলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।
ঘাসের গুণাগুণ:
জাম্বো ঘাস গরুর খাদ্য হিসাবে অতি উত্তম। এ ঘাস ৯-১৮% আমিষ সমৃদ্ধ এবং এর পরিপাচ্যতা (digestibility) ৫৬-৬২%। প্রতি ৩০ দিন অন্তর ২-৩ ফুট হলে কাটা যায়। গরুকে ছোট করে কেটে খাওয়ানো উচিত। এই ঘাসকে সাইলেজ করেও সংরক্ষণ করা যায়। এই ঘাস গরুকে খাওয়ানো হলে গরুর দুধ বৃদ্ধি পায় এবং দুধের চর্বির পরিমাণ (fat %) বেশি হয়। ফলে কৃষকরা লাভবান হন।
খেসারীর সাথে জাম্বো ঘাস চাষ:
বন্যার পানি যখন নেমে যায় তখন জমিতে পলিমাটি পড়ে। কৃষকরা সাধারণত সেখানে খেসারী ছিটিয়ে বপন করেন। সেই বিনা চাষে খেসারীর সাথে প্রতি বিঘা জমিতে দুই-আড়াই কেজি জাম্বো ঘাসের বীজ ছিটিয়ে বপন করলে খেসারী ও জাম্বো ঘাসের উৎপাদন ভাল হয়। পরীক্ষামূলকভাবে দেখা গেছে, জাম্বো ঘাসকে অবলম্বন করে লতিয়ে লতিয়ে খেসারী গাছ বড় হতে থাকে। খেসারী এবং জাম্বো ঘাস ৪৫/৫০ দিনে কাটা যায়। খেসারী লিগুউমিনাস জাতীয় হওয়ায় এদের শিকড়ে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রোজেন বিদ্যমান থাকে। ফলে, কম পরিমাণ ইউরিয়া সার ব্যবহার করে বেশি পরিমাণ জাম্বো ঘাস উৎপাদন করা সম্ভব। এজন্য কৃষকদের উচিত বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় সাথে সাথে খেসারী ও জাম্বো ঘাসের বীজ বপন করা। এতে গো-খাদ্যের অভাব দূর করা যায়। কারণ বন্যার সময় ঘাস নষ্ট হয়ে যায় এবং গবাদিপশু ঠিক মতো খাদ্য পায় না। এছাড়া পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন প্রতিকূলতার ফলে এদের স্বাস্থ্যও খারাপ হয়ে যায়। এ কারণে এদের দুধ উৎপাদনও হ্রাস পায়। তাই খেসারী ও জাম্বো ঘাস এক সাথে চাষ করলে কৃষকের গো-সম্পদ রক্ষা করা যাবে।
ভুট্টার সাথে জাম্বোর চাষ:
যে সমস্ত জমিতে আমন ধান কাটা হয় সে সমস্ত জমিতে কৃষকরা ভুট্টার সাথে জাম্বো ঘাসের চাষ করতে পারেন। জমি তৈরি করে ২-৩ চাষ দিয়ে প্রয়োজনীয় গোবর ও ইউরিয়া সার ব্যবহার করতে হবে। জাম্বো ঘাসের বীজ বিঘা প্রতি ৫/৬ কেজি ও ভুট্টার বীজ ৩/৪ কেজি ছিটিয়ে রোপণ করলে ৪৫/৫০ দিনের মধ্যে প্রথম কাটা যায়। ভুট্টা ও জাম্বো ঘাসের উৎপাদন বিঘা প্রতি ২০০ কেজি করা সম্ভব। যেহেতু জাম্বো ঘাসের প্রথমে বীজ থেকে একটি কুঁড়ি বের হয় সেজন্য প্রথম কাটায় উৎপাদন কম হয়। কিন্তু জাম্বো ও ভুট্টা ঘাসের মিশ্র চাষে প্রথম।
বীজের জন্য যোগাযোগ করুন- কৃষি ষ্টোর- ০১৭৭১৬২৫২৫২ অথবা ০১৯৭১৬২৫২৫২।
Friday, October 21, 2016
রেডলেডি পেঁপে চাষ পদ্ধতি
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 3:29 AM
বাংলাদেশে পেঁপে খুবই জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ন। পেঁপের কতগুলো বৈশিষ্ট রয়েছে- প্রথমত এটা একটা স্বল্প মেয়াদী, দ্বিতীয়ত ইহা কেবল ফলই নয় সবজি হিসেবেও এর ব্যপক ব্যবহার রয়েছে,তৃতীয়ত পেঁপে অত্যান্ত সুসাদু , পুষ্টিকর এবং ঔষধি গুন সম্পন্ন। এদেশে বর্তমানে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁপে চাষ হয় এবং মোট উৎপাদন প্রায় ৪৮ হাজার টন। কাঁচা পেঁপেতে পেপেইন নামক হজমকারী দ্রব্য আছে।
রেডলেডি হাইব্রিড পেঁপে জাতের বৈশিষ্ট্যঃ-
বীজ সংরহঃ- ঢাকার ফুলবাড়িয়ার বীজ বিক্রয়ের মার্কেট সিদ্দিক বাজারে রেড লেডি পেঁপের বীজ পাওয়া যায়। অনেক কোম্পানী নিন্মমানের বীজ প্যাকেট জাত করে রেড লেডি বলে বিক্রি করে প্রতারনা করছে। তাই বীজ কেনার সময় ভাল ভাবে যাচাই বাছাই করে ক্রয় করতে হবে। চায়না ও তাইওয়ানের রেড লেডি বীজ পাওয়া যায় তবে তাইওয়ানের বীজ ফলাফল অনেক ভাল। তাই তাইওয়ানের বীজ ক্রয় করা ভাল।
বীজের মূল্যঃ- তাইওয়ানের রেড লেডি.২ গ্রাম বীজের প্রতি প্যাকেট ৫০০-৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বীজের হারঃ- প্রতি গ্রামে বীজের সংখ্যা ৬০-৭০টি। হেক্টর প্রতি ৭০-১০০ গ্রাম বীজের প্রয়োজন। সে হিসেবে ৩০০০-৩২০০ চারা দিয়ে ১ হেক্টর জমিতে পেঁপে চারা লাগানো যায়।
চারা তৈরিঃ- বীজ থেকে বংশ বিস্তার করা যায়। বীজের প্যাকেট কেটে ২ ঘন্টা রোদে শুকানোর পর ২ ঘন্টা রোদে শুকানোর পর ঠান্ডা জায়গায় রেখে ঠান্ডা করে ১০ থেকে ১২ ঘন্টা পানিতে ভেজানোর পর পলেথিন ব্যাগে চারা তৈরি করতে হবে। পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করলে রোপনের পর চারা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ৫X৬ সেঃ মিঃ আকারে ব্যাগে সম পরিমাণ বেলে দোয়াশ মাটি ও পচা গোবরের মিশ্রণ ভর্তি করে, ব্যাগের তলায় ২-৩ টি ছিদ্র করতে হবে। তারপর এতে সদ্য সংগৃহীত বীজ হলে একটি এবং পুরাতন বীজ হলে ২টি বীজ বপন করতে হবে। ১টি ব্যাগে এক এর অধিক চারা রাখা উচিৎ নয়।
চারা রোপনঃ- ১.৫ থেকে ২ মাস বয়সের চারা রোপন করা হয়। ২ মিটার দূরে দূরে ৬০X৬০X৬০ সেঃ মিঃ আকারে গর্ত করে রোপনের ১৫ দিন পূর্বে গর্তের মাটির সার মিশাতে হবে। পানি নিষ্কাশনের জন্য ২ সারির মাঝখানে ৫০ সেঃ মিঃ নালা রাখতে হবে।
সারের পরিমানঃ- প্রতি পেঁপে গাছে নিন্মরূপ সার ব্যবহার করতে হবে।
রোপনের সময়ঃ- চারা লাগানোর পর নতুন পাতা আসলে ইউরিয়া ও এমপি সার ৫০ গ্রাম করে প্রতি ১ মাস অন্তর প্রয়োগ করতে হবে। গাছে ফুল আসলে এ মাত্রা দ্বিগুণ হবে। শেষ ফল সংরহের পূর্বেও সার প্রয়োগ করতে হবে।
অন্তবর্তীকালীন পরিচর্যাঃ- বাগান সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। গাছের গোড়া থেকে আগাছা তুলে ফেলে দিতে হবে। গাছের গোড়া মাটি কোদাল দিয়ে হালকা করে দিতে হবে। গাছে অতিরিক্ত ফল ধরলে কিছু ফল পেরে নিয়ে হালকা করে দিলে, বাকি ফল গুলো বড় হওয়ার সুযোগ পাবে। পেঁপে গাছে বিভিন্ন হরমোন প্রয়োগ করে বেশ সুফল পাওয়া যায়।
ফল সংরহঃ- পেঁপে গাছে সাধারণত ৫-৬ মাসের মধ্য ফুল আসে এবং প্রথম ফল পাওয়া যায় ৭-৯ মাসের মধ্যে। পুষ্ট হওয়ার সময় কোন কোন ফলে হলুদ রং ধারন করবে। পুষ্ট ফলে কিছু দিয়ে খোচা দিলে থেকে পানির মত তরল আঠা বের হবে। অপুষ্ট ফল থেকে দুধের মত ঘন আঠাবের হবে।
ফলনঃ- রেডলেডি জাতের পেঁপে থেকে ৫০-১২০ টি ফল পাওয়া যায়।
বীজের জন্য যোগাযোগ করুন কৃষি ষ্টোর - ০১৭৭১৬২৫২৫২
রেডলেডি হাইব্রিড পেঁপে জাতের বৈশিষ্ট্যঃ-
- এটি তাইওয়ানের উচ্চ ফলনশীল বামন প্রজাতির পেঁপে।
- রেডলেডি জাতের প্রত্যেক টি গাছে পেঁপে ধরে ।
- রেডলেডি জাতের পেঁপে গাছ সর্বচো ১০’ ফিট হয়।
- গাছের উচ্চতা ৬০-৮০ সেঃ মিঃ হয় তখন ফল ধরা শুরু হয়।
- প্রতিটি গাছে ৫০-১২০ পর্যন্ত ফল ধারন করে।
- ৫-৬ মাসের মধ্য ফুল আসে এবং প্রথম ফল পাওয়া যায় ৭-৯ মাসের মধ্য।
- এই জাতের পেঁপে গুলি বেশ বড়।
- ফলের রং লাল-সবুজ।
- এক একটি ফলের ওজন ১..৫ থেকে ২ কেজি।
- মাংস বেশ পুরু, গাঢ় লাল, স্বাদে বেশ মিষ্টি ও সুগন্ধিযুক্ত।
- কাঁচা ও পাকা উভয়ভাবে বাজারজাত করা যায়।
- পাকা অবস্থায় সহজে নষ্ট হয় না বলেই, দূর দুরান্তে বাজারজাত করা যায়।
- এই জাতের পেঁপে রিং স্পট ভাইরাস রোগ সহ্য ক্ষমতা আছে।
- এই জাতের জীবন কাল ২ বছর অধিক।
বীজ সংরহঃ- ঢাকার ফুলবাড়িয়ার বীজ বিক্রয়ের মার্কেট সিদ্দিক বাজারে রেড লেডি পেঁপের বীজ পাওয়া যায়। অনেক কোম্পানী নিন্মমানের বীজ প্যাকেট জাত করে রেড লেডি বলে বিক্রি করে প্রতারনা করছে। তাই বীজ কেনার সময় ভাল ভাবে যাচাই বাছাই করে ক্রয় করতে হবে। চায়না ও তাইওয়ানের রেড লেডি বীজ পাওয়া যায় তবে তাইওয়ানের বীজ ফলাফল অনেক ভাল। তাই তাইওয়ানের বীজ ক্রয় করা ভাল।
বীজের মূল্যঃ- তাইওয়ানের রেড লেডি.২ গ্রাম বীজের প্রতি প্যাকেট ৫০০-৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বীজের হারঃ- প্রতি গ্রামে বীজের সংখ্যা ৬০-৭০টি। হেক্টর প্রতি ৭০-১০০ গ্রাম বীজের প্রয়োজন। সে হিসেবে ৩০০০-৩২০০ চারা দিয়ে ১ হেক্টর জমিতে পেঁপে চারা লাগানো যায়।
চারা তৈরিঃ- বীজ থেকে বংশ বিস্তার করা যায়। বীজের প্যাকেট কেটে ২ ঘন্টা রোদে শুকানোর পর ২ ঘন্টা রোদে শুকানোর পর ঠান্ডা জায়গায় রেখে ঠান্ডা করে ১০ থেকে ১২ ঘন্টা পানিতে ভেজানোর পর পলেথিন ব্যাগে চারা তৈরি করতে হবে। পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করলে রোপনের পর চারা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ৫X৬ সেঃ মিঃ আকারে ব্যাগে সম পরিমাণ বেলে দোয়াশ মাটি ও পচা গোবরের মিশ্রণ ভর্তি করে, ব্যাগের তলায় ২-৩ টি ছিদ্র করতে হবে। তারপর এতে সদ্য সংগৃহীত বীজ হলে একটি এবং পুরাতন বীজ হলে ২টি বীজ বপন করতে হবে। ১টি ব্যাগে এক এর অধিক চারা রাখা উচিৎ নয়।
চারা রোপনঃ- ১.৫ থেকে ২ মাস বয়সের চারা রোপন করা হয়। ২ মিটার দূরে দূরে ৬০X৬০X৬০ সেঃ মিঃ আকারে গর্ত করে রোপনের ১৫ দিন পূর্বে গর্তের মাটির সার মিশাতে হবে। পানি নিষ্কাশনের জন্য ২ সারির মাঝখানে ৫০ সেঃ মিঃ নালা রাখতে হবে।
সারের পরিমানঃ- প্রতি পেঁপে গাছে নিন্মরূপ সার ব্যবহার করতে হবে।
রোপনের সময়ঃ- চারা লাগানোর পর নতুন পাতা আসলে ইউরিয়া ও এমপি সার ৫০ গ্রাম করে প্রতি ১ মাস অন্তর প্রয়োগ করতে হবে। গাছে ফুল আসলে এ মাত্রা দ্বিগুণ হবে। শেষ ফল সংরহের পূর্বেও সার প্রয়োগ করতে হবে।
অন্তবর্তীকালীন পরিচর্যাঃ- বাগান সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। গাছের গোড়া থেকে আগাছা তুলে ফেলে দিতে হবে। গাছের গোড়া মাটি কোদাল দিয়ে হালকা করে দিতে হবে। গাছে অতিরিক্ত ফল ধরলে কিছু ফল পেরে নিয়ে হালকা করে দিলে, বাকি ফল গুলো বড় হওয়ার সুযোগ পাবে। পেঁপে গাছে বিভিন্ন হরমোন প্রয়োগ করে বেশ সুফল পাওয়া যায়।
ফল সংরহঃ- পেঁপে গাছে সাধারণত ৫-৬ মাসের মধ্য ফুল আসে এবং প্রথম ফল পাওয়া যায় ৭-৯ মাসের মধ্যে। পুষ্ট হওয়ার সময় কোন কোন ফলে হলুদ রং ধারন করবে। পুষ্ট ফলে কিছু দিয়ে খোচা দিলে থেকে পানির মত তরল আঠা বের হবে। অপুষ্ট ফল থেকে দুধের মত ঘন আঠাবের হবে।
ফলনঃ- রেডলেডি জাতের পেঁপে থেকে ৫০-১২০ টি ফল পাওয়া যায়।
বীজের জন্য যোগাযোগ করুন কৃষি ষ্টোর - ০১৭৭১৬২৫২৫২
বরবটি চাষ
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 2:56 AM
বরবটি
Vigna sesquipedalis
বরবটি আমিষ সমৃদ্ধ একটি সবজি। প্রায় সারা বছরই এটি ফলানো যায়। তবে খরিপ তথা গ্রীষ্মকালে ভাল হয়। খুব শীতে ভাল হয় না।
মাটিঃ
দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি বরবটি চাষের জন্য উপযোগী।
জাতঃ
কেগরনাটকীই অনেকদিন পর্যন্ত বরবটি একটি উন্নত জাত হিসেবে চাষ হয়ে আসছে। এখন অবশ্য বেশ কয়েকটি জাত চলে এসেছে। লাল বেণী,তকি, ১০৭০, বনলতা, ঘৃতসুন্দরী, গ্রীন লং, গ্রীন ফলস এফ১, সামুরাই এফ১ ইত্যাদি কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কয়েকটি জাত। কেগরনাটকী জাতটি পৌষ-মাঘ মাস ছাড়া সারা বছরই চাষ করা যায়। মধ্য মাঘ থেকে মধ্য আশ্বিনে চাষ করা যায় ঘৃতসুন্দরী, গ্রীন লং। মধ্য ফাল্গুন থেকে মধ্য আশ্বিন পর্যন্ত চাষ করা যায় ১০৭০ জাতটি। উল্লেখিত জাতগুলোর রমধ্যে কেগরনাটকী ও লাল বেণী জাতের ফলন সবচেয়ে বেশি। তবে খেতে ভাল ঘৃতসুন্দরী।
সময়ঃ
বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে সাধারণতঃ বীজবপন করা হয়। তাছাড়া আশ্বিন-অগ্রাহায়ণ মাসেও বীপবপন কর হয়। অন্যান্য সময়ও বোনা যেতে পারে।
বীজের পরিমাণঃ
জমি তৈরিঃ
সারের মাত্রাঃ
বীজ বপনঃ
পারিচর্যাঃ
প্রতি শতকে ১০০-১২৫ গ্রাম, হেক্টর প্রতি ৮-১০ কেজি।
জমি তৈরিঃ
৪ - ৫ টি চাষ ও মই দিয়ে ভালভাবে জমি তৈরি করতে হয়।
সারের মাত্রাঃ
সারের নাম সারের পরিমাণ
প্রতি শতকে প্রতি হেক্টরে
ইউরিয়া ১০০ গ্রাম ২৫০ কেজি
টি এস পি ৯০ গ্রাম ২২৫ কেজি
এমওপি ৭৫ গ্রাম ১৮৫ কেজি
গোবর ২০ কেজি ৫ টন
সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ
গোবর, টিএসপি সম্পূর্ণ পরিমাণ ও অর্ধেক এমওপি সার শেষ চাষের সময় জমিতে প্রয়োগ করতে হয়। পরে বীজ বোনার ২০ দিন পর ১০০ গ্রাম ইউরিয়া ও বাকি অর্ধেক এমওপি সার জমিতে উপরি প্রয়োগ করতে হবে।
বীজ বপনঃ
২ মিটার দূরত্বে সারি করে ২৫-৩০ সেমি. দূরে দূরে বীজ বুনতে হয়। জাত হিসেবে সারির দূরত্ব ১ মিটার বাড়ানো বা কমানো যায়।
পারিচর্যাঃ
চারা বড় হলে মাচা বা বাউনি দিতে হবে। জমিতে পানির যাতে অভাব না হয় সে জন্য প্রয়োজন অনুসারে সবসময় সেচ দিতে হবে। আগাছা পরিষ্কার রাখতে হবে। পোকামাকড় ও রোগ ব্যবস্থাপনা শিমের মতই। জাব পোকা, ফল ছিদ্রকারী পোকা ও মোজেইক রোগ বরবটি চাষের বড় সমস্যা।
ফসল সংগ্রহ ও ফলনঃ
বীজ বোনার ৫০ - ৬০ দিন পর থেকেই বরবটি সংগ্রহ করা যায়। শতক প্রতি ফলন ৩০ - ৬০ কেজি, হেক্টর প্রতি১০ - ১২ টন।
Friday, October 7, 2016
সয়াবিন চাষ
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 7:32 AM
বাংলাদেশে সয়াবীন একটি সম্ভাবনাময় ফসল। আমিষ ও ভোজ্য তেল উৎপাদনে সয়াবীন এখন অনেক দেশেই একটি প্রধান ফসল।
পুষ্টি উপাদান/মূল্য ও ভেষজগুণঃ প্রোটিন বিদ্যমান। অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড থাকে বিধায় হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্ত চাপ রোগীদের জন্য বিশেষ উপকারী।
ব্যবহারঃ সয়াবিন ডাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া পিয়াজু, বড়া, দুধ, চাপাতি, পরটা, পাউরুটি, বিস্কুট, পিঠাসহ আরও অনেক খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে পোল্ট্রি শিল্পে সয়াবিন ব্যবহৃত হচ্ছে।
উপযুক্ত জমি ও মাটিঃ দো-আঁশ, বেলে-দো-আঁশ ও এঁটেল দো-আঁশ মাটি সয়াবিন চাষের উপযোগী।
জাত পরিচিতিঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট সয়াবিনের ৩টি জাত উদ্ভাবন করেছেন। জাতগুলোর বৈশিষ্ট্য নিম্নে উল্লেখ করা হলো।
সোহাগ (পিবি-১): সংগৃহীত জার্মপ্লাজম থেকে বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৯৯১ সালে সরকার কর্তৃক জাতটির অনুমোদন দেয়া হয়।ফুলের রং বেগুনী। বীজের রং উজ্জ্বল হলদে। বীজ সংরক্ষণ ক্ষমতা ভালো। ১০০ বীজের ওজন ১১-১২ গ্রাম। এজাতটি পাতার হলদে মোজাইক রোগ সহনশীল। জীবনকাল রবি মৌসুমে ১০০-১১০ দিন এবং খরিপ মৌসুমে ৮০-৯০ দিন। হেক্টর প্রতি ফলন ১.৫-২.০ টন।
বাংলাদেশ সয়াবিন-৪ (জি-২): ১৯৯৪ সালে জাতটির অনুমোদন দেয়া হয়। এ জাতের বীজের আকার ছোট। ১০০ বীজের ওজন ৫-৭ গ্রাম। বীজের রং হলদে। জাতটি পাতার হলদে মোজাইক রোগ সহনশীল। জাতটির জীবনকাল ৯০-১২০ দিন। হেক্টর প্রতি ফলন ১.৮-২.০ টন।
বারি সয়াবিন-৫: ২০০২ সালে জাতটির অনুমোদন দেয়া হয়। এজাতটি সব মৌসুমেই চাষ করা যায়। এ জাতের প্রতিটি গাছে ফলের সংখ্যা ২৫-৩২ টি। শুটিতে বীজের সংখ্যা ২-৩ টি। বীজের আকার সোহাগের চেয়ে সামান্য ছোট এবং বাংলাদেশ সয়াবিন-৪ এর বীজের চেয়ে বড়। বীজের রং ক্রীম এবং শত বীজের ওজন ৯-১৪ গ্রাম। জীবনকাল ৯০- ১০০ দিন। হেক্টর প্রতি ফলন ১.৬-২.০ টন।
বারি সয়াবীন-৬: জাতটি বাংলাদেশের সব জায়গায় রবি ও খরিফ-২ মৌসুমে চাষ উপযোগী। রবি মৌসুমে মধ্য ডিসেম্ভর থেকে মধ্য জানুয়ারি এবং খরিফ-২ মৌসুমে জুলাই মাসে বপনের উপযুক্ত সময়। জাতটি বপন থেকে পরিপক্ক হতে ১০০-১১০ দিন সময় লাগে। জাতে ২০-২১% তেল এবং ৪২-৪৪% প্রোটিন থাকে। জাতটিতে মোজাইক ভাইরাসের আক্রমণ কম হয়। জাতটির হেক্টর প্রতি ফলন ১.৮০-২.২০ টন।
বীজ বপনঃ বাংলাদেশে রবি এবং খরিপ উভয় মৌসুমেই সয়াবিনের চাষ করা যায়। তবে পৌষ মাসে (মধ্য ডিসেম্বর থেকে মধ্য জানুয়ারী) বপন করা ভাল। অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে শ্রাবণ মাস থেকে মধ্য ভাদ্র মাস পর্যন্ত বপন করা যায়।
বীজের হারঃ সোহাগ- ৮০ কেজি/হেঃ। জি-২ - ৪০-৪৫ কেজি/হেঃ।
বপন পদ্ধতিঃ সয়াবিন সারি করে বপন করা ভালো। তবে ছিটিয়েও বুনা যায়। সারিতে বপন করলে সারি থেকে সারির দূরত্ব রবি মৌসুমে ৩০ সে.মি. এবং খরিপ মৌসুমে ৪০ সে.মি. দিতে হবে। গাছ থেকে গাছের দূরত্ব হবে ৫-৬ সে.মি.। বীজ বপনের গভীরতা হবে ৩-৪ সে.মি.।
সার ব্যবস্থাপনাঃ
হেক্টর প্রতি সারের পরিমাণ নিম্নরূপঃ
সারের নাম | প্রতি হেক্টরে (কেজি) |
ইউরিয়া | ৫০-৬০ কেজি |
টিএসপি | ১৫০-১৫ কেজি |
এমওপি | ১০০-১২০ কেজি |
জিপসাম | ৮০-১১৫ কেজি |
শেষ চাষের সময় সবটুকু সার জমিতে প্রয়োগ করে মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে।
অণুজীব সার প্রয়োগঃ ছায়াযুক্ত স্থানে এক কেজি বীজের মধ্যে ৬৫-৭৫ গ্রাম অণুজীব সার মিশিয়ে ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে বীজ সাথে সাথে বপন করতে হবে। সাধারণত এই সার ব্যবহার করলে ইউরিয়া সার ব্যবহারের প্রয়োজন হয়না।
সেচ ও আগাছা ব্যবস্থাপনাঃ রবি মৌসুমে বীজ বপনের ২৫-৩০ দিনের মধ্যে (ফুল আসার সময়)। প্রথম সেচ এবং দ্বিতীয় সেচ বীজ বপনের ৫৫-৬০ দিনের মধ্যে (শুটি গঠনের সময়) দিতে হবে। খরিপ মৌসুমে সেচের প্রয়োজন হয়না তবে প্রয়োজনে সম্পূরক সেচ দেয়া যেতে পারে। চারা গজানোর ২০-২৫ দিন পর আগাছা দমন করতে হবে।
রোগবালাই ব্যবস্থাপনাঃ
পোকার নামঃ বিছা পোকা
সয়াবিনের একটি মারাত্মক পোকা। ছোট অবস্থায় এরা দলবদ্ধভাবে থাকে। কীড়া বা বিছা হলুদ রংয়ের এবং গায়ে কাঁটা থাকে। এরা সাধারণত গাছের পাতায় আক্রমণ করে। এ পোকার কীড়া দলবদ্ধভাবে থেকে পাতার সবুজ অংশ খেয়ে পাতাকে পাতলা সাদা পর্দার মতো করে ফেলে।
ব্যবস্থাপনাঃ পোকা দেখার সংগে সংগে গাছ থেকে পোকাসহ পাতা সংগ্রহ করে পোকা মেরে ফেলতে হবে। সেচ নালায় কেরোসিন মিশ্রিত পানি থাকলে কীড়া পানিতে পড়ে মারা যায়। প্রতি লিটার পানিতে ডায়াজিনন-৬০ ইসি ২ মিলি হারে মিশিয়ে বিকালে জমি করতে হবে।
রোগের নামঃ হলুদ মোজাইক ভাইরাস
সয়াবিনের সবুজ পত্র ফলকের উপরিভাগে উজ্জ্বল সোনালী বা হলুদ রংয়ের চক্রাকার দাগের উপস্থিতি দেখা যায়। তখন হলদে পাতাযুক্ত আক্রান্ত গাছ সাধারণত খাটো এবং বামনাকৃতি হয়ে থাকে। মেঘলা আবহাওয়ায় এ রোগটি বৃদ্ধি পায়। জাব পোকার মাধ্যমে বিস্তার ঘটে।
ব্যবস্থাপনাঃ বালাই সহনশীল জাত যেমন বাংলাদেশ সয়াবিন-৪এর আবাদ করা। আক্রান্ত গাছ বাছাই করে (রগিং) তুলে মাটির নিচে পুঁতে রাখা। রোগমুক্ত বীজ বপন। ২ মিলি হারে মিশিয়ে জমিতে ভালোভাবে সেপ্র করতে হবে।
রোগের নামঃ কান্ড পঁচা রোগ
এ রোগ সাধারণত স্কেলেরোশিয়াম রলফসি/ফিউজারিয়াম/রাইজোকটনিয়া নামক ছত্রাকের সাহায্যে রোগ ছড়ায়। আক্রান্ত গাছের কান্ড এবং মূলে কালো দাগ পড়ে। পরবর্তীতে চারা বা গাছ ধীরে ধীরে শুকিয়ে যায় এবং অবশেষে মারা যায়। ছত্রাকের সাহায্যে বিসত্মার।
ব্যবস্থাপনাঃ বীজ বপনের পূর্বে ভিটাভেক্স-২০০ দিয়ে (২.৫ গ্রাম/কেজি) বীজ শোধন করে বীজ বপন করতে হবে। গভীরভাবে জমি চাষ করতে হবে। জমি হতে ফসলের পরিত্যক্ত আঁশ, আগাছা, আবর্জনা পরিষ্কার করে রোগের উৎস নষ্ট করতে হবে।
ফসল তোলাঃ সয়াবীন বীজ বোনা থেকে ফসল কাটা পর্যন্ত ৯০-১২০ দিন সময় লাগে। ফসল পরিপক্ক হলে শুটিসহ গাছ হলদে হয়ে আসে এবং পাতা ঝড়ে পড়তে শুরু করে। এ সময় গাছ কেটে ফসল সংগ্রহ করতে হয়।
Wednesday, October 5, 2016
কাঁঠাল চাষ
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 11:26 AM
পুষ্টি মূল্য: আমিষ ও ভিটামিন এ সমৃদ্ধ।
ভেষজ গুণ: কাঁঠালের শাঁস ও বীজকে চীন দেশে বলবর্ধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কাঁঠালের শিকড়ের রস জ্বর ও পাতলা পায়খানা নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়।
উপযুক্ত জমি ও মাটি:পানি দাঁড়ায় না এমন উঁচু ও মাঝারি সুনিষ্কাষিত উর্বর জমি কাঁঠালের জন্য উপযোগি।
জাত পরিচিতি: কাঁঠালের কোনো অনুমোদিত জাত নেই। তবে তিন ধরণের কাঁঠাল চাষ হয়-খাজা, আদারসা ও গালা।
চারা তৈরি: সাধারণত কাঁঠালের বীজ থেকেই চারা তৈরি করা হয়। ভাল পাকা কাঁঠাল থেকে পুষ্ট বড় বীজ বের করে ছাই মাকিয়ে ২/৩ দিন ছায়ায় শুকিয়ে বীজতলায় বপন করলে ২০-২৫ দিনে চারা গজাবে। জ্জ মাসের চারা সতর্কতার সাথে তুলে মূল জমিতে রোপণ করতে হয়। এছাড়া গুটি কলম, ডাল কলম, চোখ কলম, চারা কলম এর মাধ্যমেও চারা তৈরি করা যায়।
চারা রোপণ:
ষড়ভূজী পদ্ধতিতে সুস', সবল ও রোগমুক্ত চারা বা কলম মধ্য জ্যৈষ্ঠ থেকে মধ্য শ্রাবণ মাসে রোপণ করতে হয়। গাছ ও লাইনের দূরত্ব ১২ মিটার করে রাখা দরকার।
সার ব্যবস্থাপনা: রোপণের সময় প্রতি গর্তে গোবর ৩৫ কেজি, টিএসপি সার ২১০ গ্রাম, এমওপি সার ২১০ গ্রাম সার প্রয়োগ করতে হয়। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে প্রতি গাছের জন্র সারের পরিমান বৃদ্ধি করা দরকার।
সেচ ও আগাছা ব্যবস্থাপনা: চারা/ কলমের তাড়াতাড়ি বাড়বাড়তি হওয়ার জন্য পরিমিত ও সময় মতো সেচ প্রদান করা দরকার।
পোকা মাকড় ব্যবস্থাপনা:
কাঁঠাল পচা রোগ: এক ধরণের ছত্রাকের আক্রমণে এ রোগ হয। এ রোগের আক্রমণে কচ ফলের গায়ে বাদমি রঙের দাগের সৃষ্টি হয় এবং শেষ পর্যন্ত আক্রান্ত ফল গাছ থেকে ঝড়ে পড়ে।
প্রতিকার: গাছের নিচে ঝড়ে পড়া পাতা ও ফল পুড়ে ফেলতে হয়। ফলিকুর ছত্রাকনাশক ০.০৫% হারে পানিতে মিশিয়ে গাছে ফুল আসার পর থেকে ১৫ দিন পর পর ৩ বার সেপ্র করা দরকার।
মুচিঝরা রোগ: ছত্রাকের আক্রমণের কারনে ছোট অবস্থাতেই কালো হয়ে ঝড়ে পড়ে।
প্রতিকার: ডাইথেন এম ৪৫ অথবা রিডোমিল এম জেড ৭৫, প্রতিলিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম করে মিশিয়ে সেপ্র করতে হবে।
ফসল তোলা: ফল পাকতে ১২০-১৫০ দিন সময় লাগে। সাধারণত জ্যৈষ্ঠ- আষাঢ় মাসে কাঁঠাল সংগ্রহ করা হয়।
ভেষজ গুণ: কাঁঠালের শাঁস ও বীজকে চীন দেশে বলবর্ধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কাঁঠালের শিকড়ের রস জ্বর ও পাতলা পায়খানা নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়।
উপযুক্ত জমি ও মাটি:পানি দাঁড়ায় না এমন উঁচু ও মাঝারি সুনিষ্কাষিত উর্বর জমি কাঁঠালের জন্য উপযোগি।
জাত পরিচিতি: কাঁঠালের কোনো অনুমোদিত জাত নেই। তবে তিন ধরণের কাঁঠাল চাষ হয়-খাজা, আদারসা ও গালা।
চারা তৈরি: সাধারণত কাঁঠালের বীজ থেকেই চারা তৈরি করা হয়। ভাল পাকা কাঁঠাল থেকে পুষ্ট বড় বীজ বের করে ছাই মাকিয়ে ২/৩ দিন ছায়ায় শুকিয়ে বীজতলায় বপন করলে ২০-২৫ দিনে চারা গজাবে। জ্জ মাসের চারা সতর্কতার সাথে তুলে মূল জমিতে রোপণ করতে হয়। এছাড়া গুটি কলম, ডাল কলম, চোখ কলম, চারা কলম এর মাধ্যমেও চারা তৈরি করা যায়।
চারা রোপণ:
ষড়ভূজী পদ্ধতিতে সুস', সবল ও রোগমুক্ত চারা বা কলম মধ্য জ্যৈষ্ঠ থেকে মধ্য শ্রাবণ মাসে রোপণ করতে হয়। গাছ ও লাইনের দূরত্ব ১২ মিটার করে রাখা দরকার।
সার ব্যবস্থাপনা: রোপণের সময় প্রতি গর্তে গোবর ৩৫ কেজি, টিএসপি সার ২১০ গ্রাম, এমওপি সার ২১০ গ্রাম সার প্রয়োগ করতে হয়। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে প্রতি গাছের জন্র সারের পরিমান বৃদ্ধি করা দরকার।
সেচ ও আগাছা ব্যবস্থাপনা: চারা/ কলমের তাড়াতাড়ি বাড়বাড়তি হওয়ার জন্য পরিমিত ও সময় মতো সেচ প্রদান করা দরকার।
পোকা মাকড় ব্যবস্থাপনা:
কাঁঠাল পচা রোগ: এক ধরণের ছত্রাকের আক্রমণে এ রোগ হয। এ রোগের আক্রমণে কচ ফলের গায়ে বাদমি রঙের দাগের সৃষ্টি হয় এবং শেষ পর্যন্ত আক্রান্ত ফল গাছ থেকে ঝড়ে পড়ে।
প্রতিকার: গাছের নিচে ঝড়ে পড়া পাতা ও ফল পুড়ে ফেলতে হয়। ফলিকুর ছত্রাকনাশক ০.০৫% হারে পানিতে মিশিয়ে গাছে ফুল আসার পর থেকে ১৫ দিন পর পর ৩ বার সেপ্র করা দরকার।
মুচিঝরা রোগ: ছত্রাকের আক্রমণের কারনে ছোট অবস্থাতেই কালো হয়ে ঝড়ে পড়ে।
প্রতিকার: ডাইথেন এম ৪৫ অথবা রিডোমিল এম জেড ৭৫, প্রতিলিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম করে মিশিয়ে সেপ্র করতে হবে।
ফসল তোলা: ফল পাকতে ১২০-১৫০ দিন সময় লাগে। সাধারণত জ্যৈষ্ঠ- আষাঢ় মাসে কাঁঠাল সংগ্রহ করা হয়।
Monday, October 3, 2016
এ সি আই ওয়েষ্ট কন্সার্ন জৈব সার মাটির প্রাণ
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 10:37 AM
এ সি আই ওয়েষ্ট কন্সার্ন জৈব সার মাটির প্রাণ
অর্গানিক জৈবসার।
উপাদানঃ কার্বনঃ
নাইট্রোজেন অনুপাত (সর্বোচ্চ) – ২০ঃ১
জৈব কার্বন- ১০-২৫%, পি এইচ মান- ৬.০-৮.৫ আদ্রতা (সর্বোচ্চ) – ১৫-২০%।
নাইট্রোজেন- ০.৫-৪.০% , ফসফরাস- ০.৫-৩%, সালফার -০.১-৫%, পটাশিয়াম- ০.৫-৩.০% ও অন্যান্য অনুখাদ্য সমূহ।
প্রয়োগ মাত্রাঃ ফসল ভেদে হেক্টর প্রতি৪৫০-৫০০ কেজি জৈবসার জমি তৈরি করার শেষ চাষে বা ফসলের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে। ফল ও অন্যান্য গাছের ক্ষেত্রে বয়স ভেদে ২-৫ কেজি প্রয়োগ করতে হবে। তবে উর্বরতার তারতম্য অনুযায়ী জৈব সার ব্যব০হারের পরিমান কম-বেশী হতে পারে।
প্রয়োগ পদ্ধতিঃ জমি তৈরির শেষ চাষে অথবা ফসলের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। ফল ও অন্যান্য গাছের ক্ষেত্রে চারা রোপন করার সময় ও বর্ষা শুরুর আগে বা বর্ষার শেষে গাছের চারপাশে বৃত্তাকারে প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
প্যাক সাইজ- ১ কেজি, ৫ কেজি এবং ৪০ কেজি।
উপকারিতাঃ ফসলের পুষ্টি উপাদানের আঁধার ঘর হিসেবে কাজ করে। প্রয়োগকৃত অন্যান্য সার গাছ সহজে গ্রহণ করতে পারে, ফলে ২০-২৫ ভাগ রাসায়নিক সার কম লাগে। উপকারী অনুজীবের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। মাটির পানি ধরন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। অত্যন্ত উন্নত্মানের বিধায় প্রয়োগমাত্রা কম ও খরচ কম।
১ কেজি প্যাকের দাম - ৪৫ টাকা যা ছাঁদ বাগান প্রেমী বন্ধুদের জন্য অনেক উপযোগী একটি জৈবসার, ৫ কেজি প্যাক এর দাম ১৩৫ টাকা এবং এই জৈব সার যাদের পরিমাণে বেশী প্রয়োজন হয় তাদের জন্য এ সি আই করেছে ৪০ কেজির বস্তা এবং দাম ও অনেক সাশ্রয়ী দাম ৬০০ টাকা। ঢাকা সিটিতে যাদের এই জৈব সার প্রয়োজন হয় তারা অনেকেই অনলাইনে বিডি গার্ডেনার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রয় করে থাকেন তারা সারা বাংলাদেশে ও অর্ডার অনুযায়ী কুরিয়ারের মাধ্যমে পণ্য পাঠিয়ে থাকেন।
এই সার ক্রয়ে ইচ্ছুক বন্ধুরা যোগাযোগ করুন - ০১৯৮৬২০২৫৮৫ নাম্বারে।
অর্গানিক জৈবসার।
উপাদানঃ কার্বনঃ
নাইট্রোজেন অনুপাত (সর্বোচ্চ) – ২০ঃ১
জৈব কার্বন- ১০-২৫%, পি এইচ মান- ৬.০-৮.৫ আদ্রতা (সর্বোচ্চ) – ১৫-২০%।
নাইট্রোজেন- ০.৫-৪.০% , ফসফরাস- ০.৫-৩%, সালফার -০.১-৫%, পটাশিয়াম- ০.৫-৩.০% ও অন্যান্য অনুখাদ্য সমূহ।
প্রয়োগ মাত্রাঃ ফসল ভেদে হেক্টর প্রতি৪৫০-৫০০ কেজি জৈবসার জমি তৈরি করার শেষ চাষে বা ফসলের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে। ফল ও অন্যান্য গাছের ক্ষেত্রে বয়স ভেদে ২-৫ কেজি প্রয়োগ করতে হবে। তবে উর্বরতার তারতম্য অনুযায়ী জৈব সার ব্যব০হারের পরিমান কম-বেশী হতে পারে।
প্রয়োগ পদ্ধতিঃ জমি তৈরির শেষ চাষে অথবা ফসলের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। ফল ও অন্যান্য গাছের ক্ষেত্রে চারা রোপন করার সময় ও বর্ষা শুরুর আগে বা বর্ষার শেষে গাছের চারপাশে বৃত্তাকারে প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
প্যাক সাইজ- ১ কেজি, ৫ কেজি এবং ৪০ কেজি।
উপকারিতাঃ ফসলের পুষ্টি উপাদানের আঁধার ঘর হিসেবে কাজ করে। প্রয়োগকৃত অন্যান্য সার গাছ সহজে গ্রহণ করতে পারে, ফলে ২০-২৫ ভাগ রাসায়নিক সার কম লাগে। উপকারী অনুজীবের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। মাটির পানি ধরন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। অত্যন্ত উন্নত্মানের বিধায় প্রয়োগমাত্রা কম ও খরচ কম।
১ কেজি প্যাকের দাম - ৪৫ টাকা যা ছাঁদ বাগান প্রেমী বন্ধুদের জন্য অনেক উপযোগী একটি জৈবসার, ৫ কেজি প্যাক এর দাম ১৩৫ টাকা এবং এই জৈব সার যাদের পরিমাণে বেশী প্রয়োজন হয় তাদের জন্য এ সি আই করেছে ৪০ কেজির বস্তা এবং দাম ও অনেক সাশ্রয়ী দাম ৬০০ টাকা। ঢাকা সিটিতে যাদের এই জৈব সার প্রয়োজন হয় তারা অনেকেই অনলাইনে বিডি গার্ডেনার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রয় করে থাকেন তারা সারা বাংলাদেশে ও অর্ডার অনুযায়ী কুরিয়ারের মাধ্যমে পণ্য পাঠিয়ে থাকেন।
এই সার ক্রয়ে ইচ্ছুক বন্ধুরা যোগাযোগ করুন - ০১৯৮৬২০২৫৮৫ নাম্বারে।
Saturday, October 1, 2016
করবো বাগান সারা দেশ, গড়বো সবুজ বাংলাদেশ
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 11:30 PM
“করবো বাগান সারা দেশ, গড়বো সবুজ বাংলাদেশ” শ্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করলো “বিডি গার্ডেনার্স” BD GARDENERS নামে একটি সামাজিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের সকল বাগান প্রেমীদের বগান করণে সার্বিক সহযোগিতা এবং পণ্য সেবা দেয়ার লক্ষ্যেই বিডি গার্ডেনার্সের এই যাত্রা। প্রতিষ্ঠানটি ২৫৭-২৫৮ নাম্বার দি গ্রান্ড প্লাজা শপিং মল (তৃতীয় তলা) ওয়্যারলেস, মগবাজারে বাগান সহযোগিতা নেয়ার জন্য একটি লাইভ হেল্প সেন্টার এবং বাগান করার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সেবার জন্য একটি পণ্যের আউটলেট ও থাকছে। প্রতিষ্ঠানটি, গত ১ অক্টোবর, ২০১৬ ইং সকাল ১১ ঘটিকায় ঢাকার ওয়্যারলেস, মগবাজার থেকে তাদের নিজস্ব আউটলেট চালু করেন। উক্ত আউটলেট টি সবুজ ফিতা কেটে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে উদ্ভোদন করবেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর ৩৫ নাম্বার ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর জনাব, ফয়জুল মুনির চৌধুরী, এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এ সি আই লিমিটেড এর জনাব, কৃষিবিদ বশির আহমেদ, বিজনেস ডিরেক্টর “এ সি আই ফার্টিলাইজার” বিশিষ্ট কলামিষ্ট এবং উন্নয়ন কর্মী জনাব, আতাউর রহমান মিটন, কান্ট্রি ডিরেক্টর হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ, আরোও উপস্থিত ছিলেন মনোজগৎ সেন্টার এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাবা ফেরদৌস আরা চৌধুরী।

প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য দেন জনাব ইকবাল হোসেন শিমূল, নির্বাহী প্রধান বিডি গার্ডেনার্স। তিনি দেশের সকল স্তরের জনগণকে আহ্বান করেন নগর কৃষি শুধু নয় সমগ্র বাংলাদেশেই বাড়ীর ছাঁদ এবং পরিত্যক্ত স্থানে বাগান গড়ে তোলার জন্য। নগর এখন উত্তপ্ত এর জন্য গাছ লাগাতে হবে এমনটি বলেন –মনোজগৎ এর নির্বাহী প্রধান, জনাবা ফেরদৌস আরা চৌধুরী।
বিডি গার্ডেনার্স এর যাত্রা শুরু উপলক্ষ্যে নগরবাসীকে বাগান করণে উৎসাহিত করার জন্য একটি রক মেলন ফলের চারা এবং এ সি আই ফার্টিলাইজার এর পক্ষ থেকে এক প্যাকেট জৈবসার ফ্রি বিতরণ করা হয়। বিডি গার্ডেনার্স এর আহ্বানে আগত নগর কৃষক এবং বাগান প্রেমী বন্ধুদের মাঝে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে এই রক মেলন চারা এবং এ সি আই ফার্টিলাইজার এর ১ কেজি জৈবসার তুলে দেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর ৩৫ নাম্বার ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর জনাব, ফয়জুল মুনির চৌধুরী সাহেব, এ সি আই লিমিটেড এর জনাব, কৃষিবিদ বশির আহমেদ, বিজনেস ডিরেক্টর “এ সি আই ফার্টিলাইজার” বিশিষ্ট কলামিষ্ট এবং উন্নয়ন কর্মী জনাব, আতাউর রহমান মিটন, কান্ট্রি ডিরেক্টর হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ, আরোও উপস্থিত ছিলেন মনোজগৎ সেন্টার এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাবা ফেরদৌস আরা চৌধুরী।

“করবো বাগান সারা দেশ, গড়বো সবুজ বাংলাদেশ” আর সুন্দর সবুজ নগর গড়ে তোলার সার্বিক সহযোগিতা এককভাবে কোন প্রতিষ্ঠানের পক্ষেই সম্ভব নয়, তার জন্য এগিয়ে আসতে হবে দেশের সর্ব স্তরের মিডিয়া এবং অভিজ্ঞজনকে এমন আশা ব্যক্ত করে অনুষ্ঠানটি সমাপ্তি করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর ৩৫ নাম্বার ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর জনাব, ফয়জুল মুনির চৌধুরী সাহেব।
প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য দেন জনাব ইকবাল হোসেন শিমূল, নির্বাহী প্রধান বিডি গার্ডেনার্স। তিনি দেশের সকল স্তরের জনগণকে আহ্বান করেন নগর কৃষি শুধু নয় সমগ্র বাংলাদেশেই বাড়ীর ছাঁদ এবং পরিত্যক্ত স্থানে বাগান গড়ে তোলার জন্য। নগর এখন উত্তপ্ত এর জন্য গাছ লাগাতে হবে এমনটি বলেন –মনোজগৎ এর নির্বাহী প্রধান, জনাবা ফেরদৌস আরা চৌধুরী।
বিডি গার্ডেনার্স এর যাত্রা শুরু উপলক্ষ্যে নগরবাসীকে বাগান করণে উৎসাহিত করার জন্য একটি রক মেলন ফলের চারা এবং এ সি আই ফার্টিলাইজার এর পক্ষ থেকে এক প্যাকেট জৈবসার ফ্রি বিতরণ করা হয়। বিডি গার্ডেনার্স এর আহ্বানে আগত নগর কৃষক এবং বাগান প্রেমী বন্ধুদের মাঝে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে এই রক মেলন চারা এবং এ সি আই ফার্টিলাইজার এর ১ কেজি জৈবসার তুলে দেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর ৩৫ নাম্বার ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর জনাব, ফয়জুল মুনির চৌধুরী সাহেব, এ সি আই লিমিটেড এর জনাব, কৃষিবিদ বশির আহমেদ, বিজনেস ডিরেক্টর “এ সি আই ফার্টিলাইজার” বিশিষ্ট কলামিষ্ট এবং উন্নয়ন কর্মী জনাব, আতাউর রহমান মিটন, কান্ট্রি ডিরেক্টর হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ, আরোও উপস্থিত ছিলেন মনোজগৎ সেন্টার এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাবা ফেরদৌস আরা চৌধুরী।
“করবো বাগান সারা দেশ, গড়বো সবুজ বাংলাদেশ” আর সুন্দর সবুজ নগর গড়ে তোলার সার্বিক সহযোগিতা এককভাবে কোন প্রতিষ্ঠানের পক্ষেই সম্ভব নয়, তার জন্য এগিয়ে আসতে হবে দেশের সর্ব স্তরের মিডিয়া এবং অভিজ্ঞজনকে এমন আশা ব্যক্ত করে অনুষ্ঠানটি সমাপ্তি করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর ৩৫ নাম্বার ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর জনাব, ফয়জুল মুনির চৌধুরী সাহেব।
Subscribe to:
Posts (Atom)