Friday, October 21, 2016

বরবটি চাষ

  • Share The Gag
  • বরবটি


    Vigna sesquipedalis


    বরবটি আমিষ সমৃদ্ধ একটি সবজি। প্রায় সারা বছরই এটি ফলানো যায়। তবে খরিপ তথা গ্রীষ্মকালে ভাল হয়। খুব শীতে ভাল হয় না।



    মাটিঃ


    দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি বরবটি চাষের জন্য উপযোগী।



    জাতঃ


    কেগরনাটকীই অনেকদিন পর্যন্ত বরবটি একটি উন্নত জাত হিসেবে চাষ হয়ে আসছে। এখন অবশ্য বেশ কয়েকটি জাত চলে এসেছে। লাল বেণী,তকি, ১০৭০, বনলতা, ঘৃতসুন্দরী, গ্রীন লং, গ্রীন ফলস এফ১, সামুরাই এফ১ ইত্যাদি কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কয়েকটি  জাত। কেগরনাটকী জাতটি পৌষ-মাঘ মাস ছাড়া সারা বছরই চাষ করা যায়। মধ্য মাঘ থেকে মধ্য আশ্বিনে চাষ করা যায় ঘৃতসুন্দরী, গ্রীন লং। মধ্য ফাল্গুন থেকে মধ্য আশ্বিন পর্যন্ত চাষ করা যায় ১০৭০ জাতটি। উল্লেখিত জাতগুলোর রমধ্যে কেগরনাটকী ও লাল বেণী জাতের ফলন সবচেয়ে বেশি। তবে খেতে ভাল ঘৃতসুন্দরী।


    সময়ঃ


    বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে সাধারণতঃ বীজবপন করা হয়। তাছাড়া আশ্বিন-অগ্রাহায়ণ মাসেও বীপবপন কর হয়। অন্যান্য সময়ও  বোনা যেতে পারে।


    বীজের পরিমাণঃ
    প্রতি শতকে ১০০-১২৫ গ্রাম, হেক্টর প্রতি ৮-১০ কেজি।


    জমি তৈরিঃ

    ৪ - ৫ টি চাষ ও মই দিয়ে ভালভাবে জমি তৈরি করতে হয়।


    সারের মাত্রাঃ

    সারের নাম           সারের পরিমাণ  

                                প্রতি শতকে          প্রতি হেক্টরে

    ইউরিয়া                ১০০ গ্রাম            ২৫০ কেজি

    টি এস পি               ৯০ গ্রাম          ২২৫ কেজি

    এমওপি                 ৭৫ গ্রাম           ১৮৫ কেজি

    গোবর               ২০ কেজি            ৫ টন

    সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ


    গোবর, টিএসপি সম্পূর্ণ পরিমাণ ও অর্ধেক এমওপি সার শেষ চাষের সময় জমিতে প্রয়োগ করতে হয়। পরে বীজ বোনার ২০ দিন পর ১০০ গ্রাম ইউরিয়া ও বাকি অর্ধেক এমওপি সার জমিতে উপরি প্রয়োগ করতে হবে।


    বীজ বপনঃ

    ২ মিটার দূরত্বে সারি করে ২৫-৩০ সেমি. দূরে দূরে বীজ বুনতে হয়। জাত হিসেবে সারির দূরত্ব ১ মিটার বাড়ানো বা কমানো যায়।


    পারিচর্যাঃ

    চারা বড় হলে মাচা বা বাউনি দিতে হবে। জমিতে পানির যাতে অভাব না হয় সে জন্য প্রয়োজন অনুসারে সবসময় সেচ দিতে হবে। আগাছা পরিষ্কার রাখতে হবে। পোকামাকড় ও রোগ ব্যবস্থাপনা শিমের মতই। জাব পোকা, ফল ছিদ্রকারী পোকা ও মোজেইক রোগ বরবটি চাষের বড় সমস্যা।

    ফসল সংগ্রহ ও ফলনঃ

    বীজ বোনার ৫০ - ৬০ দিন পর থেকেই বরবটি সংগ্রহ করা যায়। শতক প্রতি ফলন ৩০ - ৬০ কেজি, হেক্টর প্রতি১০ - ১২ টন।


    Friday, October 7, 2016

    সয়াবিন চাষ

  • Share The Gag
  • বাংলাদেশে সয়াবীন একটি সম্ভাবনাময় ফসল। আমিষ ও ভোজ্য তেল উৎপাদনে সয়াবীন এখন অনেক দেশেই একটি প্রধান ফসল।




    পুষ্টি উপাদান/মূল্য ও ভেষজগুণঃ প্রোটিন বিদ্যমান। অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড থাকে বিধায় হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্ত চাপ রোগীদের জন্য বিশেষ উপকারী।




    ব্যবহারঃ সয়াবিন ডাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া পিয়াজু, বড়া, দুধ, চাপাতি, পরটা, পাউরুটি, বিস্কুট, পিঠাসহ আরও অনেক খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে পোল্ট্রি শিল্পে সয়াবিন ব্যবহৃত হচ্ছে।




    উপযুক্ত জমি ও মাটিঃ দো-আঁশ, বেলে-দো-আঁশ ও এঁটেল দো-আঁশ মাটি সয়াবিন চাষের উপযোগী।




    জাত পরিচিতিঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট সয়াবিনের ৩টি জাত উদ্ভাবন করেছেন। জাতগুলোর বৈশিষ্ট্য নিম্নে উল্লেখ করা হলো।




    সোহাগ (পিবি-১): সংগৃহীত জার্মপ্লাজম থেকে বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৯৯১ সালে সরকার কর্তৃক জাতটির  অনুমোদন দেয়া হয়।ফুলের রং বেগুনী। বীজের রং উজ্জ্বল হলদে। বীজ সংরক্ষণ ক্ষমতা ভালো। ১০০ বীজের ওজন ১১-১২ গ্রাম। এজাতটি পাতার হলদে মোজাইক রোগ সহনশীল। জীবনকাল রবি মৌসুমে ১০০-১১০ দিন এবং খরিপ মৌসুমে ৮০-৯০ দিন। হেক্টর প্রতি ফলন ১.৫-২.০ টন।




    বাংলাদেশ সয়াবিন-৪ (জি-২): ১৯৯৪ সালে জাতটির অনুমোদন দেয়া হয়। এ জাতের বীজের আকার ছোট।  ১০০ বীজের ওজন ৫-৭ গ্রাম। বীজের রং হলদে। জাতটি পাতার হলদে মোজাইক রোগ সহনশীল। জাতটির জীবনকাল ৯০-১২০ দিন। হেক্টর প্রতি  ফলন ১.৮-২.০ টন।




    বারি সয়াবিন-৫: ২০০২ সালে জাতটির অনুমোদন দেয়া হয়। এজাতটি সব মৌসুমেই চাষ করা যায়।  এ জাতের প্রতিটি গাছে ফলের সংখ্যা ২৫-৩২ টি। শুটিতে বীজের সংখ্যা ২-৩  টি। বীজের আকার সোহাগের চেয়ে সামান্য ছোট এবং বাংলাদেশ সয়াবিন-৪ এর  বীজের চেয়ে বড়। বীজের রং ক্রীম এবং শত বীজের ওজন ৯-১৪ গ্রাম। জীবনকাল ৯০- ১০০ দিন। হেক্টর প্রতি ফলন ১.৬-২.০ টন।




    বারি সয়াবীন-৬: জাতটি বাংলাদেশের সব জায়গায় রবি ও খরিফ-২ মৌসুমে চাষ উপযোগী। রবি মৌসুমে মধ্য ডিসেম্ভর থেকে মধ্য জানুয়ারি এবং খরিফ-২ মৌসুমে জুলাই মাসে বপনের উপযুক্ত সময়। জাতটি বপন থেকে পরিপক্ক হতে ১০০-১১০ দিন সময় লাগে। জাতে ২০-২১% তেল এবং ৪২-৪৪% প্রোটিন থাকে। জাতটিতে মোজাইক ভাইরাসের আক্রমণ কম হয়। জাতটির হেক্টর প্রতি ফলন ১.৮০-২.২০ টন।




    বীজ বপনঃ বাংলাদেশে রবি এবং খরিপ উভয় মৌসুমেই সয়াবিনের চাষ করা যায়। তবে পৌষ মাসে (মধ্য ডিসেম্বর থেকে মধ্য জানুয়ারী) বপন করা ভাল। অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে শ্রাবণ মাস থেকে মধ্য  ভাদ্র মাস পর্যন্ত বপন করা যায়।




    বীজের হারঃ সোহাগ- ৮০ কেজি/হেঃ। জি-২ - ৪০-৪৫ কেজি/হেঃ।




    বপন পদ্ধতিঃ সয়াবিন সারি করে বপন করা ভালো। তবে ছিটিয়েও বুনা যায়। সারিতে বপন করলে সারি  থেকে সারির দূরত্ব রবি মৌসুমে ৩০ সে.মি. এবং খরিপ মৌসুমে ৪০ সে.মি. দিতে  হবে। গাছ থেকে গাছের দূরত্ব হবে ৫-৬ সে.মি.। বীজ বপনের গভীরতা হবে ৩-৪ সে.মি.।




    সার ব্যবস্থাপনাঃ




    হেক্টর প্রতি সারের পরিমাণ নিম্নরূপঃ


























    সারের নাম

    প্রতি হেক্টরে (কেজি)

    ইউরিয়া

    ৫০-৬০ কেজি

    টিএসপি

    ১৫০-১৫ কেজি

    এমওপি

    ১০০-১২০ কেজি

    জিপসাম

    ৮০-১১৫ কেজি




    শেষ চাষের সময় সবটুকু সার জমিতে প্রয়োগ করে মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে।




    অণুজীব সার প্রয়োগঃ ছায়াযুক্ত স্থানে এক কেজি বীজের মধ্যে ৬৫-৭৫ গ্রাম অণুজীব সার মিশিয়ে ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে বীজ সাথে সাথে বপন করতে হবে। সাধারণত এই সার ব্যবহার করলে ইউরিয়া সার ব্যবহারের প্রয়োজন হয়না।




    সেচ ও আগাছা ব্যবস্থাপনাঃ রবি মৌসুমে বীজ বপনের ২৫-৩০ দিনের মধ্যে (ফুল আসার সময়)। প্রথম সেচ  এবং দ্বিতীয় সেচ বীজ বপনের ৫৫-৬০ দিনের মধ্যে (শুটি গঠনের সময়) দিতে   হবে। খরিপ মৌসুমে সেচের প্রয়োজন হয়না তবে প্রয়োজনে সম্পূরক সেচ দেয়া যেতে পারে। চারা গজানোর ২০-২৫ দিন পর আগাছা দমন করতে হবে।




    রোগবালাই ব্যবস্থাপনাঃ




    পোকার নামঃ  বিছা পোকা


    সয়াবিনের একটি মারাত্মক পোকা। ছোট অবস্থায় এরা দলবদ্ধভাবে থাকে। কীড়া বা বিছা হলুদ রংয়ের এবং গায়ে কাঁটা থাকে। এরা সাধারণত গাছের পাতায় আক্রমণ করে। এ পোকার কীড়া দলবদ্ধভাবে থেকে পাতার  সবুজ অংশ খেয়ে পাতাকে পাতলা সাদা পর্দার মতো করে ফেলে।




    ব্যবস্থাপনাঃ পোকা দেখার সংগে সংগে গাছ থেকে পোকাসহ পাতা সংগ্রহ করে পোকা মেরে ফেলতে হবে। সেচ নালায় কেরোসিন মিশ্রিত পানি থাকলে কীড়া পানিতে পড়ে মারা যায়। প্রতি লিটার পানিতে ডায়াজিনন-৬০ ইসি ২ মিলি হারে মিশিয়ে বিকালে জমি করতে হবে।




    রোগের নামঃ হলুদ মোজাইক ভাইরাস


    সয়াবিনের সবুজ পত্র ফলকের উপরিভাগে উজ্জ্বল সোনালী বা হলুদ রংয়ের চক্রাকার দাগের উপস্থিতি দেখা যায়। তখন হলদে পাতাযুক্ত আক্রান্ত গাছ সাধারণত খাটো এবং বামনাকৃতি হয়ে থাকে। মেঘলা আবহাওয়ায় এ রোগটি বৃদ্ধি পায়। জাব পোকার মাধ্যমে বিস্তার ঘটে।




    ব্যবস্থাপনাঃ বালাই সহনশীল জাত যেমন বাংলাদেশ সয়াবিন-৪এর আবাদ করা। আক্রান্ত গাছ বাছাই করে (রগিং) তুলে মাটির নিচে পুঁতে রাখা। রোগমুক্ত বীজ বপন। ২ মিলি হারে মিশিয়ে জমিতে ভালোভাবে সেপ্র করতে হবে।




    রোগের নামঃ কান্ড পঁচা রোগ


    এ রোগ সাধারণত স্কেলেরোশিয়াম রলফসি/ফিউজারিয়াম/রাইজোকটনিয়া নামক ছত্রাকের সাহায্যে রোগ ছড়ায়। আক্রান্ত গাছের কান্ড এবং মূলে কালো দাগ পড়ে। পরবর্তীতে চারা বা গাছ ধীরে ধীরে শুকিয়ে যায় এবং অবশেষে মারা যায়। ছত্রাকের সাহায্যে বিসত্মার।




    ব্যবস্থাপনাঃ বীজ বপনের পূর্বে ভিটাভেক্স-২০০ দিয়ে (২.৫ গ্রাম/কেজি) বীজ শোধন করে বীজ বপন করতে হবে। গভীরভাবে জমি চাষ করতে হবে। জমি হতে ফসলের পরিত্যক্ত আঁশ, আগাছা, আবর্জনা পরিষ্কার করে রোগের উৎস নষ্ট করতে হবে।




    ফসল তোলাঃ সয়াবীন বীজ বোনা থেকে ফসল কাটা পর্যন্ত ৯০-১২০ দিন সময় লাগে। ফসল পরিপক্ক হলে শুটিসহ গাছ হলদে হয়ে আসে এবং পাতা ঝড়ে পড়তে শুরু করে। এ সময় গাছ কেটে ফসল সংগ্রহ করতে হয়।

    Wednesday, October 5, 2016

    কাঁঠাল চাষ

  • Share The Gag
  • পুষ্টি মূল্য: আমিষ ও ভিটামিন এ সমৃদ্ধ।
    ভেষজ গুণ: কাঁঠালের শাঁস ও বীজকে চীন দেশে বলবর্ধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কাঁঠালের শিকড়ের রস জ্বর ও পাতলা পায়খানা নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়।
    উপযুক্ত জমি ও মাটি:পানি দাঁড়ায় না এমন উঁচু ও মাঝারি সুনিষ্কাষিত উর্বর জমি কাঁঠালের জন্য উপযোগি।

    জাত পরিচিতি: কাঁঠালের কোনো অনুমোদিত জাত নেই। তবে তিন ধরণের কাঁঠাল চাষ হয়-খাজা, আদারসা ও গালা।
    চারা তৈরি: সাধারণত কাঁঠালের বীজ থেকেই চারা তৈরি করা হয়। ভাল পাকা কাঁঠাল থেকে পুষ্ট বড় বীজ বের করে ছাই মাকিয়ে ২/৩ দিন ছায়ায় শুকিয়ে বীজতলায় বপন করলে ২০-২৫ দিনে চারা গজাবে। জ্জ মাসের চারা সতর্কতার সাথে তুলে মূল জমিতে রোপণ করতে হয়। এছাড়া গুটি কলম, ডাল কলম, চোখ কলম, চারা কলম এর মাধ্যমেও চারা তৈরি করা যায়।

    চারা রোপণ:
    ষড়ভূজী পদ্ধতিতে সুস', সবল ও রোগমুক্ত চারা বা কলম মধ্য জ্যৈষ্ঠ থেকে মধ্য শ্রাবণ মাসে রোপণ করতে হয়। গাছ ও লাইনের দূরত্ব ১২ মিটার করে রাখা দরকার।

    সার ব্যবস্থাপনা: রোপণের সময় প্রতি গর্তে গোবর ৩৫ কেজি, টিএসপি সার ২১০ গ্রাম, এমওপি সার ২১০ গ্রাম সার প্রয়োগ করতে হয়। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে প্রতি গাছের জন্র সারের পরিমান বৃদ্ধি করা দরকার।

    সেচ ও আগাছা ব্যবস্থাপনা: চারা/ কলমের তাড়াতাড়ি বাড়বাড়তি হওয়ার জন্য পরিমিত ও সময় মতো সেচ প্রদান করা দরকার।

    পোকা মাকড় ব্যবস্থাপনা:
    কাঁঠাল পচা রোগ: এক ধরণের ছত্রাকের আক্রমণে এ রোগ হয। এ রোগের আক্রমণে কচ  ফলের গায়ে বাদমি রঙের দাগের সৃষ্টি হয় এবং শেষ পর্যন্ত আক্রান্ত ফল গাছ থেকে ঝড়ে পড়ে।

    প্রতিকার: গাছের নিচে ঝড়ে পড়া পাতা ও ফল পুড়ে ফেলতে হয়। ফলিকুর ছত্রাকনাশক ০.০৫% হারে পানিতে মিশিয়ে গাছে ফুল আসার পর থেকে ১৫ দিন পর পর ৩ বার সেপ্র করা দরকার।

    মুচিঝরা রোগ: ছত্রাকের আক্রমণের কারনে ছোট অবস্থাতেই কালো হয়ে ঝড়ে পড়ে।
    প্রতিকার: ডাইথেন এম ৪৫ অথবা রিডোমিল এম জেড ৭৫, প্রতিলিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম করে মিশিয়ে সেপ্র করতে হবে।
    ফসল তোলা: ফল পাকতে ১২০-১৫০ দিন সময় লাগে। সাধারণত জ্যৈষ্ঠ- আষাঢ় মাসে কাঁঠাল সংগ্রহ করা হয়।

    Monday, October 3, 2016

    এ সি আই ওয়েষ্ট কন্সার্ন জৈব সার মাটির প্রাণ

  • Share The Gag
  • এ সি আই ওয়েষ্ট কন্সার্ন জৈব সার মাটির প্রাণ 

    অর্গানিক জৈবসার।

    উপাদানঃ কার্বনঃ

    নাইট্রোজেন অনুপাত (সর্বোচ্চ) – ২০ঃ১

    জৈব কার্বন- ১০-২৫%, পি এইচ মান- ৬.০-৮.৫ আদ্রতা (সর্বোচ্চ) – ১৫-২০%।

    নাইট্রোজেন- ০.৫-৪.০% , ফসফরাস- ০.৫-৩%, সালফার -০.১-৫%, পটাশিয়াম- ০.৫-৩.০% ও অন্যান্য অনুখাদ্য সমূহ।

    প্রয়োগ মাত্রাঃ ফসল ভেদে হেক্টর প্রতি৪৫০-৫০০ কেজি জৈবসার জমি তৈরি করার শেষ চাষে বা ফসলের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে। ফল ও অন্যান্য গাছের ক্ষেত্রে বয়স ভেদে ২-৫ কেজি প্রয়োগ করতে হবে। তবে উর্বরতার তারতম্য অনুযায়ী জৈব সার ব্যব০হারের পরিমান কম-বেশী হতে পারে।

    প্রয়োগ পদ্ধতিঃ জমি তৈরির শেষ চাষে অথবা ফসলের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। ফল ও অন্যান্য গাছের ক্ষেত্রে চারা রোপন করার সময় ও বর্ষা শুরুর আগে বা বর্ষার শেষে গাছের চারপাশে বৃত্তাকারে প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।

    প্যাক সাইজ- ১ কেজি, ৫ কেজি এবং ৪০ কেজি।

    উপকারিতাঃ ফসলের পুষ্টি উপাদানের আঁধার ঘর হিসেবে কাজ করে। প্রয়োগকৃত অন্যান্য সার গাছ সহজে গ্রহণ করতে পারে, ফলে ২০-২৫ ভাগ রাসায়নিক সার কম লাগে। উপকারী অনুজীবের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। মাটির পানি ধরন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। অত্যন্ত উন্নত্মানের বিধায় প্রয়োগমাত্রা কম ও খরচ কম।

    ১ কেজি প্যাকের দাম - ৪৫ টাকা যা ছাঁদ বাগান প্রেমী বন্ধুদের জন্য অনেক উপযোগী একটি জৈবসার, ৫ কেজি প্যাক এর দাম ১৩৫ টাকা এবং এই জৈব সার যাদের পরিমাণে বেশী প্রয়োজন হয় তাদের জন্য এ সি আই করেছে ৪০ কেজির বস্তা এবং দাম ও অনেক সাশ্রয়ী দাম ৬০০ টাকা। ঢাকা সিটিতে যাদের এই জৈব সার প্রয়োজন হয় তারা অনেকেই অনলাইনে বিডি গার্ডেনার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রয় করে থাকেন তারা সারা বাংলাদেশে ও অর্ডার অনুযায়ী কুরিয়ারের মাধ্যমে পণ্য পাঠিয়ে থাকেন।

    এই সার ক্রয়ে ইচ্ছুক বন্ধুরা যোগাযোগ করুন - ০১৯৮৬২০২৫৮৫ নাম্বারে।

     

     

     

    Saturday, October 1, 2016

    করবো বাগান সারা দেশ, গড়বো সবুজ বাংলাদেশ

  • Share The Gag
  • করবো বাগান সারা দেশ, গড়বো সবুজ বাংলাদেশ শ্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করলো  “বিডি গার্ডেনার্স” BD GARDENERS নামে একটি সামাজিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের সকল বাগান প্রেমীদের বগান করণে সার্বিক সহযোগিতা এবং পণ্য সেবা দেয়ার লক্ষ্যেই বিডি গার্ডেনার্সের এই যাত্রা। প্রতিষ্ঠানটি ২৫৭-২৫৮ নাম্বার দি গ্রান্ড প্লাজা শপিং মল (তৃতীয় তলা) ওয়্যারলেস, মগবাজারে বাগান সহযোগিতা নেয়ার জন্য একটি লাইভ হেল্প সেন্টার এবং বাগান করার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সেবার জন্য একটি পণ্যের আউটলেট ও থাকছে। প্রতিষ্ঠানটি, গত  ১ অক্টোবর, ২০১৬ ইং সকাল ১১ ঘটিকায় ঢাকার ওয়্যারলেস, মগবাজার থেকে তাদের নিজস্ব আউটলেট চালু করেন। উক্ত আউটলেট টি সবুজ ফিতা কেটে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে উদ্ভোদন করবেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর ৩৫ নাম্বার ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর জনাব, ফয়জুল মুনির চৌধুরী, এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এ সি আই লিমিটেড এর জনাব, কৃষিবিদ বশির আহমেদ, বিজনেস ডিরেক্টর “এ সি আই ফার্টিলাইজার” বিশিষ্ট কলামিষ্ট এবং উন্নয়ন কর্মী জনাব, আতাউর রহমান মিটন, কান্ট্রি ডিরেক্টর হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ, আরোও উপস্থিত ছিলেন মনোজগৎ সেন্টার এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাবা ফেরদৌস আরা চৌধুরী।

    20161001_124334

    প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য দেন জনাব ইকবাল হোসেন শিমূল, নির্বাহী প্রধান বিডি গার্ডেনার্স। তিনি দেশের সকল স্তরের জনগণকে আহ্বান করেন নগর কৃষি শুধু নয় সমগ্র বাংলাদেশেই বাড়ীর ছাঁদ এবং পরিত্যক্ত স্থানে বাগান গড়ে তোলার জন্য। নগর এখন উত্তপ্ত এর জন্য গাছ লাগাতে হবে এমনটি বলেন –মনোজগৎ এর নির্বাহী প্রধান, জনাবা ফেরদৌস আরা চৌধুরী।

    বিডি গার্ডেনার্স এর যাত্রা শুরু উপলক্ষ্যে নগরবাসীকে বাগান করণে উৎসাহিত করার জন্য একটি রক মেলন ফলের চারা এবং এ সি আই ফার্টিলাইজার এর পক্ষ থেকে এক প্যাকেট জৈবসার ফ্রি বিতরণ করা হয়। বিডি গার্ডেনার্স এর আহ্বানে আগত নগর কৃষক এবং বাগান প্রেমী বন্ধুদের মাঝে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে এই রক মেলন চারা এবং এ সি আই ফার্টিলাইজার এর ১ কেজি জৈবসার তুলে দেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর ৩৫ নাম্বার ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর জনাব, ফয়জুল মুনির চৌধুরী সাহেব, এ সি আই লিমিটেড এর জনাব, কৃষিবিদ বশির আহমেদ, বিজনেস ডিরেক্টর “এ সি আই ফার্টিলাইজার” বিশিষ্ট কলামিষ্ট এবং উন্নয়ন কর্মী জনাব, আতাউর রহমান মিটন, কান্ট্রি ডিরেক্টর হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ, আরোও উপস্থিত ছিলেন মনোজগৎ সেন্টার এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাবা ফেরদৌস আরা চৌধুরী।

    20161001_123001

    “করবো বাগান সারা দেশ, গড়বো সবুজ বাংলাদেশ” আর সুন্দর সবুজ নগর গড়ে তোলার সার্বিক সহযোগিতা এককভাবে কোন প্রতিষ্ঠানের পক্ষেই সম্ভব নয়, তার জন্য এগিয়ে আসতে হবে দেশের সর্ব স্তরের মিডিয়া এবং অভিজ্ঞজনকে এমন আশা ব্যক্ত করে অনুষ্ঠানটি সমাপ্তি করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর ৩৫ নাম্বার ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর জনাব, ফয়জুল মুনির চৌধুরী সাহেব।

    Monday, September 26, 2016

    সায়েন্টিফিক পেপার প্রেজেন্টেশন করলেন বিজ্ঞানী ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান

  • Share The Gag
  • বিজ্ঞানী ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহীতে International Conference on Botanical Pesticides and Environmental Sustainability, 2016-G , ২০১৬-এ অংশ গ্রহণ করেন এবং ২৪.০৯.২০১৬ খ্রি: তারিখে সায়েন্টিফিক পেপার উপস্থাপন করেন। তাঁর সায়েন্টিফিক পেপারের শিরোনাম ছিল “Management of foot and root rot disease of Fenugreek”

     

    তিনি ১৯৮১ সালে এস. এস. সি. পরীক্ষা পাশ করেন এবং ২০০৫ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ হতে উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিষয়ে পি-এইচ. ডি. ডিগ্রী অর্জন করেন। বিজ্ঞানী ড. খালেকুজ্জামান বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে “বিভিন্ন ফসলের রোগ, রোগ নির্ণয় ও তাদের দমন ব্যবস্থাপনার” উপর ২৩ বছর যাবৎ গবেষণা করেছেন। বর্তমানে তিনি অত্র ইনস্টিটিউটেই “মসলা ফসলের রোগ, রোগ নির্ণয় ও তাদের দমন ব্যবস্থাপনার” উপর গবেষণা করছেন। তিনি ১২টি পেশাজীবি সমিতির আজীবন সদস্য।

    তিনি বিভিন্ন ফসলের রোগ, রোগ নির্ণয়, রোগ দমন ব্যবস্থাপনা, রোগের স্কোরিং স্কেল, রোগের পূর্বাভাস, ক্রপ মডেলিং, বুনিয়াদী প্রশিক্ষন, ইনডাকশন ট্রেনিং, অফিস ব্যবস্থাপনা, গবেষনা পদ্ধতি, নার্সারী ব্যবস্থাপনা, বানিজ্যিকভাবে ফুল উৎপাদন, বীজ প্রযুক্তি, সায়েন্টিফিক রিপোর্ট রাইটিং, ইন্টারনেট, কম্পিউিটার, গ্রাফিক্স, ভিডিও এডিটিং, ডাটা প্রসেসিং, ডাটা এ্যানালাইসিস ইত্যাদি বিষয়ের উপর বিশেষভাবে প্রশিক্ষন প্রাপ্ত। তাঁর দেশী-বিদেশী ও আন্তর্জাতিক জার্নালে মোট ১৪৩ টি পূর্নাঙ্গ সায়েন্টিফিক পেপার, ১৯ টি অ্যাবস্ট্রাক্ট ও ২ টি শর্ট কমিউনিকেশন প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও কৃষিকথা, উর্বরা, কৃষি সওগাত, কৃষি বার্তা, কৃষি প্রযুক্তি, কৃষি বিপ্ল¬বসহ দেশের বিভিন্ন জাতীয়, স্থানীয় ও ইন্টারনেট পত্র-পত্রিকায় কৃষি বিয়য়ক তাঁর মোট ৬০ টি পপুলার আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর এ পর্যন্ত ৪ টি বুকলেট ও ফোল্ডার প্রকাশিত হয়েছে।

    তাঁর উদ্ভাবিত ও বাস্তবায়িত গবেষণা প্রোগ্রামের সংখ্যা ১৪২ এবং গবেষণাকৃত কৃতিত্ত্ব/ফলাফল ৭১। বিজ্ঞানী ড. খালেকুজ্জামান ‘‘বাণিজ্যিক ফল বাগান’’, ‘‘বানিজ্যিক ভিত্তিতে সবজির চাষ’’, ”সবজি বীজ উৎপাদনের কলাকৌশল”, ‘‘বসতবাড়ীর আশে-পাশে সবজি ও ফলের চাষ’’, ‘‘বসতবাড়ীর আশে-পাশে মসলার চাষ’’, ‘‘ফুল ও শোভাবর্ধণকারী গাছের চাষ” এবং ‘‘বসতবাড়ীর আশে-পাশে নার্সারীর কলাকৌশল’’ নামক ৭ টি বই-এর সহযোগী লেখক। তিনি ২০১৫ সালে কৃষি বিয়য়ক লেখার উপর কৃষি সম্মাননা পদক ও ক্রেস্ট প্রাপ্ত হয়েছেন। তিনি বিভিন্ন জার্নালের সহযোগী সম্পাদক ও পেপার রিভিউয়ারের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। বিজ্ঞানী ড. খালেকুজ্জামান বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এম. এস., এম. ফিল ও পি-এইচ. ডি. ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক ও থিসিস পরীক্ষক। বর্তমানে তিনি মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই, শিবগঞ্জ, বগুড়ায় উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব) হিসেবে কর্মরত আছেন।

     

    Thursday, September 22, 2016

    রেড লেডী এফ -১ হাইব্রিড পেঁপে বিস্তারিত

  • Share The Gag
  • এটি তাইওয়ানের উচ্চ ফলনশীল বামন প্রজাতির পেঁপে। রেডলেডি জাতের প্রত্যেক টি গাছে পেঁপে ধরে ।এই জাতের পেঁপে গুলি বেশ বড়। ফলের রং লাল-সবুজ। এক একটি ফলের ওজন ১..৫ থেকে ২ কেজি। মাংস বেশ পুরু, গাঢ় লাল, স্বাদে বেশ মিষ্টি ও সুগন্ধিযুক্ত। গাছের উচ্চতা ৬০-৮০ সেঃ মিঃ হয় তখন ফল ধরা শুরু হয় প্রতিটি গাছ ৪০ টির অধিক ফল ধারন করে। কাঁচা ও পাকা উভয়ভাবে বাজারজাত করা যায়। পাকা অবস্থায় সহজে নষ্ট হয় না বলেই, দূর দুরান্তে বাজারজাত করা যায়। এই জাতের পেঁপে রিং স্পট ভাইরাস রোগ সহ্য ক্ষমতা আছে।

    অঙ্কুরিত হার ৭৫%-৯৫% বীজের পরিমান ২ গ্রাম ( ১২০-১৪০ টি )প্রতি গাছে ফলন ৫০-১২০ পর্যন্ত ফল ধারন করেফলের আকারএক একটি ফলের ওজন ১.৫ থেকে ২ কেজি

    বীজের হার:

    প্রতি গ্রামে বীজের সংখ্যা ৬০-৭০টি। হেক্টর প্রতি ৭০-১০০ গ্রাম বীজের প্রয়োজন। সে হিসেবে ৩০০০-৩২০০ চারা দিয়ে ১হেঃ জমিতে পেঁপে চারা লাগানো যায়।

    চারা তৈরিঃ

    বীজ থেকে বংশ বিস্তার করা যায়। বীজের প্যাকেট কেটে ২ ঘন্টা রোদে শুকানোর পর ২ ঘন্টা রোদে শুকানোর পর ঠান্ডা জায়গায় রেখে ঠান্ডা করে ১০ থেকে ১২ ঘন্টা পানিতে ভেজানোর পর পলেথিন ব্যাগে চারা তৈরি করতে হবে। পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করলে রোপনের পর চারা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ৫X৬ সেঃ মিঃ আকারে ব্যাগে সম পরিমাণ বেলে দোয়াশ মাটি ও পচা গোবরের মিশ্রণ ভর্তি করে, ব্যাগের তলায় ২-৩ টি ছিদ্র করতে হবে। তারপর এতে সদ্য সংগৃহীত বীজ হলে একটি এবং পুরাতন বীজ হলে ২টি বীজ বপন করতে হবে। ১টি ব্যাগে এক এর অধিক চারা রাখা উচিৎ নয়।

    রেডলেডি হাইব্রিড পেঁপে জাতের বৈশিষ্ট্যঃ-

    এটি তাইওয়ানের উচ্চ ফলনশীল বামন প্রজাতির পেঁপে।
    রেডলেডি জাতের প্রত্যেক টি গাছে পেঁপে ধরে ।

    রেডলেডি জাতের পেঁপে গাছ সর্বচো ১০’ ফিট হয়।

    গাছের উচ্চতা ৬০-৮০ সেঃ মিঃ হয় তখন ফল ধরা শুরু হয়।
    প্রতিটি গাছে ৫০-১২০ পর্যন্ত ফল ধারন করে।

    ৫-৬ মাসের মধ্য ফুল আসে এবং প্রথম ফল পাওয়া যায় ৭-৯ মাসের মধ্য।
    এই জাতের পেঁপে গুলি বেশ বড়।
    ফলের রং লাল-সবুজ।

    এক একটি ফলের ওজন ১..৫ থেকে ২ কেজি।

    মাংস বেশ পুরু, গাঢ় লাল, স্বাদে বেশ মিষ্টি ও সুগন্ধিযুক্ত।

    কাঁচা ও পাকা উভয়ভাবে বাজারজাত করা যায়।

    পাকা অবস্থায় সহজে নষ্ট হয় না বলেই, দূর দুরান্তে বাজারজাত করা যায়।

    এই জাতের পেঁপে রিং স্পট ভাইরাস রোগ সহ্য ক্ষমতা আছে।

    এই জাতের জীবন কাল ২ বছর অধিক।
    রেডলেডি উচ্চ ফলনশীল বামন প্রজাতির পেঁপে জাতটি বাংলাদেরশের আবহওয়াতে চাষ উপযোগী। বাংলাদেশের অনেক স্থানে এর চাষ হচ্ছে। বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চলে ফলন খুবই ভাল হচ্ছে। বান্দরবানের মাটি ও আবহাওয়া রেডলেডি পেঁপে চাষের জন্য উপযোগী। শুরু করে দিতে পারেন বামন প্রজাতির রেডলেডি পেঁপে চাষ।

    বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ সহযোগিতা এবং অরিজিনাল বীজের জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৭৭১৬২৫২৫২।