সার্ক কৃষিমন্ত্রী কমিটির নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। আট বছর পর শুরু হওয়া ওই সম্মেলনে আগামী দুই বছরের জন্য মতিয়া চৌধুরীকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে শুরু হওয়া সার্ক কৃষিমন্ত্রীদের সভা উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী তাঁর সামনের দিনের লক্ষ্য সম্পর্কে তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, সার্ক খাদ্য ব্যাংক ও বীজ ব্যাংকের কার্যক্রম চালু করা হবে আগামী দিনের লক্ষ্য। এ ছাড়া সার্ক দেশগুলোর মধ্যে কৃষিক্ষেত্রে সহযোগিতার ব্যাপারে মোট ১০টি বিষয়ে একমত হয়েছে সদস্যদেশগুলো।
এই সম্মেলনে বাংলাদেশের অর্জন কী—এমন প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘কারও কাছে করুণা ভিক্ষা করে কারও সঙ্গে সহযোগিতার সম্পর্ক তৈরির আহ্বান জানানো যায় না। এখন বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে নিজের একটি অবস্থান গড়ে তুলেছে। ফলে আঞ্চলিক সহযোগিতার ব্যাপারে উদ্যোগ নিচ্ছে।’
আজ সকাল থেকে সার্ক কৃষিমন্ত্রীদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ভারতের কৃষি ও কৃষিকল্যাণবিষয়ক মন্ত্রী শ্রী রাখা মোহন সিং, নেপালের কৃষি উন্নয়নমন্ত্রী বরিবোল গাজুরেল, পাকিস্তানের জাতীয় খাদ্যনিরাপত্তা ও গবেষণাবিষয়ক মন্ত্রী সিকান্দার হায়াত খান বোসান, ভুটানের কৃষিমন্ত্রী ইয়েসেই দর্জি এবং আফগানিস্তান, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কার পক্ষে তাদের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সোর্স- প্রথম আলো
Thursday, April 7, 2016
সার্ক কৃষি উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর দশ প্রস্তাবনা
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 11:13 AM
সার্কভুক্ত দেশগুলোতে টেকসই কৃষি উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দশটি প্রস্তাবনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে তৃতীয় সার্ক কৃষিমন্ত্রী সম্মেলনের উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি এই প্রস্তাব দেন।
দক্ষিণ এশিয়াকে দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত সুখী সমৃদ্ধ অঞ্চল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিটি দেশে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো- এ সম্মেলনে এই হোক আমাদের অঙ্গিকার। খাদ্য ও কৃষি উৎপাদন, জনগণের জন্য খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা বিধান, সর্বোপরি দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশে খাদ্য নিরাপত্তা তৈরির ক্ষেত্রে যথোপযুক্ত আইনি কাঠামো প্রণয়ন ও প্রয়োগে আমার সরকার অঙ্গিকারাবদ্ধ।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়টি কৃষির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এটি একটি বহুমাত্রিক ও জটিল বিষয়। আমি আশা করবো এই সম্মেলনে আলোচনার মাধ্যমে আপনারা এমন কিছু সুপারিশ দেবেন যা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে এ অঞ্চল থেকে ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূর করতে সহায়তা করবে।
কৃষি উন্নয়ন নিশ্চিত করতে যে দশটি প্রস্তাবনা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন সেগুলো হচ্ছে- স্বল্পদামে উন্নত বিজ সরবরাহ নিশ্চিত করা। কৃষি কাজে সুষ্ঠু পানি ব্যবস্থাপনা। অর্থাৎ ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা হ্রাস করে মাটির উপরের উৎস থেকে পানির ব্যবহার বৃদ্ধি। রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈব পদ্ধতির কৃষি প্রবর্তন। কীটনাশকের ব্যবহার হ্রাস এবং সমন্নিত বালাই ব্যবস্থাপনার সম্প্রসারণ। কৃষি উৎপাদন খরচ হ্রাস। কৃষক পর্যায়ে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ। কৃষি বিপণন ব্যবস্থা জোরদার। প্রান্তিক চাষিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। গবাদিপশু, হাস-মুরগী এবং মাঠে রোগ প্রতিরোধসহ উন্নত চাষ ব্যবস্থাপনার উদ্ভাবন। সর্বশেষ এসব কাজ সম্পাদনের জন্য উন্নততর গবেষণা পরিচালনা।
অনুষ্ঠানের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মইনউদ্দিন আব্দুল্লাহ, সার্কের মহাসচিব অর্জুন বাহাদুর থাপা এবং সার্ক কৃষিমন্ত্রী সভার সভাপতি ও ভারতের কৃষিমন্ত্রী রাধা মহোন সিং।
দক্ষিণ এশিয়াকে দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত সুখী সমৃদ্ধ অঞ্চল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিটি দেশে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো- এ সম্মেলনে এই হোক আমাদের অঙ্গিকার। খাদ্য ও কৃষি উৎপাদন, জনগণের জন্য খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা বিধান, সর্বোপরি দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশে খাদ্য নিরাপত্তা তৈরির ক্ষেত্রে যথোপযুক্ত আইনি কাঠামো প্রণয়ন ও প্রয়োগে আমার সরকার অঙ্গিকারাবদ্ধ।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়টি কৃষির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এটি একটি বহুমাত্রিক ও জটিল বিষয়। আমি আশা করবো এই সম্মেলনে আলোচনার মাধ্যমে আপনারা এমন কিছু সুপারিশ দেবেন যা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে এ অঞ্চল থেকে ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূর করতে সহায়তা করবে।
কৃষি উন্নয়ন নিশ্চিত করতে যে দশটি প্রস্তাবনা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন সেগুলো হচ্ছে- স্বল্পদামে উন্নত বিজ সরবরাহ নিশ্চিত করা। কৃষি কাজে সুষ্ঠু পানি ব্যবস্থাপনা। অর্থাৎ ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা হ্রাস করে মাটির উপরের উৎস থেকে পানির ব্যবহার বৃদ্ধি। রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈব পদ্ধতির কৃষি প্রবর্তন। কীটনাশকের ব্যবহার হ্রাস এবং সমন্নিত বালাই ব্যবস্থাপনার সম্প্রসারণ। কৃষি উৎপাদন খরচ হ্রাস। কৃষক পর্যায়ে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ। কৃষি বিপণন ব্যবস্থা জোরদার। প্রান্তিক চাষিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। গবাদিপশু, হাস-মুরগী এবং মাঠে রোগ প্রতিরোধসহ উন্নত চাষ ব্যবস্থাপনার উদ্ভাবন। সর্বশেষ এসব কাজ সম্পাদনের জন্য উন্নততর গবেষণা পরিচালনা।
অনুষ্ঠানের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মইনউদ্দিন আব্দুল্লাহ, সার্কের মহাসচিব অর্জুন বাহাদুর থাপা এবং সার্ক কৃষিমন্ত্রী সভার সভাপতি ও ভারতের কৃষিমন্ত্রী রাধা মহোন সিং।
Tuesday, April 5, 2016
রাঙামাটিতে তরমুজের বাম্পার ফলন
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 9:12 AM
এবারের মৌসুমে রাঙামাটিতে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎপাদিত তরমুজ এখন বাজারের সর্বত্র। তবে বাম্পার ফলন হলেও কাপ্তাই লেকের পানি সময়মতো না কমায় এবার মৌসুমে তরমুজের আবাদ হয়েছে একদম কম, তাই সব চাষি এবার তরমুজ চাষের সুযোগ পাননি।
স্থানীয় চাষি ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুম শুরুতেই জেলার বিভিন্ন উপজেলায় কাপ্তাই লেকের ভেসে ওঠা জমিতে ব্যাপক হারে তরমুজের চাষাবাদ হয়। ফসলে আসে উচ্চ ফলন। এখানকার উৎপাদিত তরমুজ স্থানীয় বাজার ছাড়িয়ে বাজারজাত হয় ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায়।আর অর্থনৈতিকভাবে আয়-উপার্জনে সক্ষম হন চাষিরা। কিন্তু প্রতিবছর ডিসেম্বরের দিকে আবাদ শুরু হলেও এবার মৌসুমে ঠিক সময়ে কাপ্তাই হ্রদের পানি কমায় চাষাবাদে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে বিপাকে পড়ে চরম হতাশায় ভুগছেন চাষিরা। অন্যদিকে আবাদ কম হওয়ায় বাজারে তরমুজের দাম চড়া। বড় ও মাঝারি সাইজের প্রতি তরমুজ এখন বিক্রি হচ্ছে গড়ে ১৫০-২০০ টাকায়। আর ছোট সাইজের তরমুজগুলোর দাম গড়ে ৫০-১০০ টাকা।
চাষিরা বলেন, এ মৌসুমে যারা তরমুজের আবাদ করতে পেরেছেন তারা বাম্পার ফলন পেয়েছেন, বিক্রিও করছেন উচ্চ দরে। এতে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়েছেন তারা। আর কাপ্তাই লেকের পানি ঠিক সময়ে না কমায় চাষাবাদে যারা বঞ্চিত হয়েছেন তাদের কপালে উঠেছে হাত।
জেলার বরকলের কুটকুটি ছড়ার বাসিন্দা তরমুজ চাষি আবদুল জলিল বলেন, তিনি এবার মৌসুমে অল্প পরিমাণ জমিতে তরমুজের আবাদ করতে পেরেছেন। তবে আবহাওয়া ও সঠিক চাষাবাদে ফলন ভালো এসেছে। দামও ভালো পাওয়া যাচ্ছে বাজারে।
রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক রমণী কান্তি চাকমা বলেন, প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে গেলে প্রচুর আবাদি জমি ভেসে ওঠে। সেই সব জমিতে প্রচুর তরমুজের আবাদ করেন স্থানীয় চাষিরা। আসে বাম্পার ফলন। এতে চাষিদের বিপুল অর্থনৈতিক আয় হয়।
তিনি জানান, গত বছর জেলায় ২শ’ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। কিন্তু এবার মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত না কমায় চাষাবাদ হয়েছে খুব কম। এবার মৌসুমে কেবল ৪৫ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ সম্ভব হয়েছে। এবার মৌসুমে তরমুজের আবাদ হয়েছে লংগদু, বাঘাইছড়ি, জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি ও বরকল উপজেলার কিছু কিছু জায়গায়। আবাদ হয়েছে টোফেল, গ্লোরি ও চ্যাম্পিয়ন জাতের তরমুজের বীজ।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের কৃষিবিদদের গবেষণার রিপোর্টে জানা যায়, উপযুক্ত আবহাওয়া এবং উন্নত চাষাবাদের কারণে সাম্প্রতিক মৌসুমগুলোতে রাঙামাটিতে তরমুজের বাম্পার ফলন হচ্ছে। এবার মৌসুমে আবাদ কম হলেও উচ্চ ফলন এসেছে।
স্থানীয় চাষি ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুম শুরুতেই জেলার বিভিন্ন উপজেলায় কাপ্তাই লেকের ভেসে ওঠা জমিতে ব্যাপক হারে তরমুজের চাষাবাদ হয়। ফসলে আসে উচ্চ ফলন। এখানকার উৎপাদিত তরমুজ স্থানীয় বাজার ছাড়িয়ে বাজারজাত হয় ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায়।আর অর্থনৈতিকভাবে আয়-উপার্জনে সক্ষম হন চাষিরা। কিন্তু প্রতিবছর ডিসেম্বরের দিকে আবাদ শুরু হলেও এবার মৌসুমে ঠিক সময়ে কাপ্তাই হ্রদের পানি কমায় চাষাবাদে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে বিপাকে পড়ে চরম হতাশায় ভুগছেন চাষিরা। অন্যদিকে আবাদ কম হওয়ায় বাজারে তরমুজের দাম চড়া। বড় ও মাঝারি সাইজের প্রতি তরমুজ এখন বিক্রি হচ্ছে গড়ে ১৫০-২০০ টাকায়। আর ছোট সাইজের তরমুজগুলোর দাম গড়ে ৫০-১০০ টাকা।
চাষিরা বলেন, এ মৌসুমে যারা তরমুজের আবাদ করতে পেরেছেন তারা বাম্পার ফলন পেয়েছেন, বিক্রিও করছেন উচ্চ দরে। এতে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়েছেন তারা। আর কাপ্তাই লেকের পানি ঠিক সময়ে না কমায় চাষাবাদে যারা বঞ্চিত হয়েছেন তাদের কপালে উঠেছে হাত।
জেলার বরকলের কুটকুটি ছড়ার বাসিন্দা তরমুজ চাষি আবদুল জলিল বলেন, তিনি এবার মৌসুমে অল্প পরিমাণ জমিতে তরমুজের আবাদ করতে পেরেছেন। তবে আবহাওয়া ও সঠিক চাষাবাদে ফলন ভালো এসেছে। দামও ভালো পাওয়া যাচ্ছে বাজারে।
রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক রমণী কান্তি চাকমা বলেন, প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে গেলে প্রচুর আবাদি জমি ভেসে ওঠে। সেই সব জমিতে প্রচুর তরমুজের আবাদ করেন স্থানীয় চাষিরা। আসে বাম্পার ফলন। এতে চাষিদের বিপুল অর্থনৈতিক আয় হয়।
তিনি জানান, গত বছর জেলায় ২শ’ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। কিন্তু এবার মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত না কমায় চাষাবাদ হয়েছে খুব কম। এবার মৌসুমে কেবল ৪৫ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ সম্ভব হয়েছে। এবার মৌসুমে তরমুজের আবাদ হয়েছে লংগদু, বাঘাইছড়ি, জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি ও বরকল উপজেলার কিছু কিছু জায়গায়। আবাদ হয়েছে টোফেল, গ্লোরি ও চ্যাম্পিয়ন জাতের তরমুজের বীজ।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের কৃষিবিদদের গবেষণার রিপোর্টে জানা যায়, উপযুক্ত আবহাওয়া এবং উন্নত চাষাবাদের কারণে সাম্প্রতিক মৌসুমগুলোতে রাঙামাটিতে তরমুজের বাম্পার ফলন হচ্ছে। এবার মৌসুমে আবাদ কম হলেও উচ্চ ফলন এসেছে।
লক্ষ্মীপুরে বাম্পার ফলনেও মুখে হাসি নেই সয়াবিন কৃষকদের
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 9:09 AM
সরেজমিনে কমলনগর উপজেলার চরাকাদিরা গ্রামের সয়াবিনের ক্ষেতগুলো ঘুরে দেখা যায়, মাঠ জুড়ে সবুজ আবরনে ঘিরে রয়েছে সয়াবিনের ক্ষেত। অসংখ্য গাছে সয়াবিনের ফুল ও সয়াবিন আসতে শুরু করেছে। আর পোকা-মাকড় থেকে রক্ষা পেতে কিটণাশক ব্যবহার করছে কৃষকরা। অধিকাংশ কৃষক জানায়, খরচের তুলনায় অধিক লাভবান হওয়ায় দিন দিন তারা সয়াবিন আবাদে আগ্রহী হয়ে পড়েছে।
চরমনার কৃষক আব্দুল আলিম বলেন, এ বছর ৩০ হাজার টাকা খরচ করে সয়াবিনের আবাদ করেছি। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে গত বছরের চেয়েও এবার ভালো ফসল হবে। তবে এখানে সয়াবিন প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা থাকলে আমরা আরও বেশি লাভবান হতাম।
কৃষক সিরাজ মিয়া জানান, এবার প্রায় ৩ কানি জমিতে ৩৫ হাজার টাকা ব্যয়ে সয়াবিন চাষ করেছেন তিনি। ভালো ফলনের আশায় তাই পরিবারের লোকজন নিয়ে তিনি সয়াবিন ক্ষেতের আগাছা দমন কাজে ব্যস্ত রয়েছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, গত বছরের তুলনায় এবার সয়াবিনের ৩ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আবাদ করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় ৮ হাজার ২৫০ হেক্টর, রায়পুর ৭ হাজার ৭শ, রামগতি ১৮ হাজার ৬শ ও কমলনগর ১৮ হাজার ৯০ হেক্টর জমিসহ এ জেলায় মোট ৫২হাজার ৭২০ হেক্টর জমিতে সয়াবিনের আবাদ হয়ে থাকে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৯৫ হাজার ৯শ ৫০ টন।যার বাজার মূল্য প্রায় ৪০০(চারশ) কোটি টাকা। প্রতি একর সয়াবিন উৎপাদনে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়। যার বিক্রয় মূল্য ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। এ ফসল জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় রফতানি করা হয়।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা জানান, জেলায় প্রায় ৫৩ হাজার হেক্টর জমিতে সয়াবিনের আবাদ হয়েছে। এ সয়াবিন থেকে পুষ্টিকর খাবার সয়াদুধ, সয়ানাগের ও সয়াতপুসহ বিভিন্ন খাদ্য তৈরি হয়।
কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা গ্রামের কৃষক আব্দুল হানান জানান, প্রতি কেজি সয়াবিনের দাম ৪০-৪৪ টাকা। কিন্তু আমরা যখন ফসল ঘরে তুলি তখন সয়াবিনের দাম পাই মাত্র ২০-২৫ টাকা। শুধুমাত্র সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকার কারণে আমরা ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হই।
চুয়াডাঙ্গায় পেয়ারা বাগান করে সফলতা পেয়েছেন চাষীরা
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 9:06 AM
চুয়াডাঙ্গায় বিষমুক্ত পেয়ারা বাগান করে সফলতা পেয়েছেন অনেকে। ব্যবসায়ীরা বাগানে এসে কিনে নিয়ে যাচ্ছে পেয়ারা। বাজারে বিক্রিও হচ্ছে ভালো। এ পেয়ারা চাষ লাভজনক হওয়ায়, নতুন বাগান করার আগ্রহ দেখাচ্ছে অনেক চাষীই।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মনিরামপুর গ্রামের শাহিন বিশ্বাসের প্রধান ব্যবসা ছিলো চাতাল ব্যবসা। পাঁচ বিঘা জমিতে দেড় হাজার থাই পেয়ারার চারা লাগান শাহিন। পরের বছর থেকে পেতে শুরু করেছেন পেয়ারা।
তিনি জানান ,বাগান করতে খরচ হয়েছে ৩ লাখ টাকা। এ পর্যন্ত প্রায় আট লাখ টাকার পেয়ারা বিক্রি করেছেন তিনি। এ বছরে জুন মাস পর্যন্ত আরো দু’লাখ টাকার পেয়ারা বিক্রি হবে বলে আশাবাদী তিনি। বাগান থেকে বিরতিহীনভাবে পেয়ারা পাওয়া যাবে টানা পাঁচ বছর পর্যন্ত।
পোকা দমনে সেভ ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করছেন চাষীরা, যা স্বাস্থ্যসম্মত। পেয়ারা বাগানে ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে চুয়াডাঙ্গা কৃষি বিভাগ। চুয়াডাঙ্গার চার উপজেলায় ৬৫০ হেক্টর জমিতে গড়ে উঠেছে পেয়ারা বাগান।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তৈরি করা উচ্চমূল্যের ফলের তালিকায় পেয়ারা এখন অন্যতম।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মনিরামপুর গ্রামের শাহিন বিশ্বাসের প্রধান ব্যবসা ছিলো চাতাল ব্যবসা। পাঁচ বিঘা জমিতে দেড় হাজার থাই পেয়ারার চারা লাগান শাহিন। পরের বছর থেকে পেতে শুরু করেছেন পেয়ারা।
তিনি জানান ,বাগান করতে খরচ হয়েছে ৩ লাখ টাকা। এ পর্যন্ত প্রায় আট লাখ টাকার পেয়ারা বিক্রি করেছেন তিনি। এ বছরে জুন মাস পর্যন্ত আরো দু’লাখ টাকার পেয়ারা বিক্রি হবে বলে আশাবাদী তিনি। বাগান থেকে বিরতিহীনভাবে পেয়ারা পাওয়া যাবে টানা পাঁচ বছর পর্যন্ত।
পোকা দমনে সেভ ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করছেন চাষীরা, যা স্বাস্থ্যসম্মত। পেয়ারা বাগানে ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে চুয়াডাঙ্গা কৃষি বিভাগ। চুয়াডাঙ্গার চার উপজেলায় ৬৫০ হেক্টর জমিতে গড়ে উঠেছে পেয়ারা বাগান।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তৈরি করা উচ্চমূল্যের ফলের তালিকায় পেয়ারা এখন অন্যতম।
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 9:04 AM
আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। হাতাহাতি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার সময় কমপক্ষে ৪ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের শেরেবাংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জি. জি. বিশ্বাস জাগো নিউজকে জানান, শুনেছি সাইনবোর্ড লাগানোকে কেন্দ্র করে প্রাণী বিজ্ঞান ও ব্যাবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে শিক্ষকসহ বেশ কয়েকজন ছাত্র আহত হয়েছে।
তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানান ওসি। বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোন পক্ষই মামলা করেনি।
পুলিশের শেরেবাংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জি. জি. বিশ্বাস জাগো নিউজকে জানান, শুনেছি সাইনবোর্ড লাগানোকে কেন্দ্র করে প্রাণী বিজ্ঞান ও ব্যাবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে শিক্ষকসহ বেশ কয়েকজন ছাত্র আহত হয়েছে।
তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানান ওসি। বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোন পক্ষই মামলা করেনি।
মাসব্যাপী কৃষি শিল্প ও বাণিজ্য মেলা আজ শুরু হলো ভোলাতে
By:
এক ঘরে সব কিছু
On: 8:59 AM
ভোলার গজনবী স্টেডিয়াম মাঠে আজ মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে কৃষি শিল্প ও বাণিজ্য মেলা। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ আজ সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ মেলার উদ্বোধন করবেন। ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এ মেলার আয়োজন করেছে। মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছে মনিপুরী তাঁতশিল্প ও জামদানি-বেনারসি কল্যাণ ফাউন্ডেশন। আয়োজক সংগঠনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মেলার প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে ভোলার গজনবী স্টেডিয়াম মাঠের মেলা প্রাঙ্গণে সরেজমিনে দেখা যায়, সৌন্দর্য বর্ধনে মাঠের মাঝখানে একটি পানির ফোয়ারা তৈরি করা হয়েছে। মাঠের চারদিকে নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন পণ্যের স্টল, রয়েছে রেস্টুরেন্টের স্টল। তবে, নির্মাণ শ্রমিকদের এখনো প্রবেশ পথের ফটক, সার্কাসসহ শিশুদের বিনোদনের জন্য বিভিন্ন স্টল তৈরির কাজ করতে দেখা গেছে।
এ ব্যাপারে মেলা বাস্তবায়কারী সংস্থা মনিপুরী তাঁতশিল্প ও জামদানি-বেনারসি কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পরিচালক তারেক আহমেদ কালের কণ্ঠকে জানান, মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত কৃষি শিল্প ও বাণিজ্য মেলার প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মাঠের ভেতরে বিভিন্ন রাইডারের কাজ এখনো চলছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করবেন। মেলা প্রাঙ্গণে ১১০টি স্টল নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। এসব স্টলে কৃষি ও শিল্পসহ দেশীয় বিভিন্ন পণ্যের পসরা বসানো হবে। এ ছাড়া লায়ন সার্কাস, শিশুদের বিনোদনের জন্য আকর্ষণীয় বিভিন্ন রাইড থাকবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা। মনিপুরী তাঁতশিল্প ও জামদানি-বেনারসি কল্যাণ ফাউন্ডেশনে আব্দুল গাফফার, আমির হোসেন এবং ফজলুল হক জুয়েলও রয়েছেন। মেলায় প্রবেশের জন্য জনপ্রতি ১০ টাকা প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আবদুল মমিন টুলু জানান, বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মেলার স্টলগুলোতে কৃষি, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পসামগ্রী ছাড়াও নানা ধরনের পণ্যের সমাহার ঘটবে। এ ছাড়া মেলায় দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য সার্কাস, বিভিন্ন রাইড ও র্যাফেল ড্র'র ব্যবস্থা থাকবে। মেলায় প্রবেশের জন্য দর্শনার্থীদের অবশ্যই নির্ধারিত মূল্যে টিকিট কিনতে হবে। তবে পাঁচ বছরের কম বয়সীদের প্রবেশে কোনো টিকিট লাগবে না। মেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে মেলা বাস্তবায়কারী সংস্থা মনিপুরী তাঁতশিল্প ও জামদানি-বেনারসি কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পরিচালক তারেক আহমেদ কালের কণ্ঠকে জানান, মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত কৃষি শিল্প ও বাণিজ্য মেলার প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মাঠের ভেতরে বিভিন্ন রাইডারের কাজ এখনো চলছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করবেন। মেলা প্রাঙ্গণে ১১০টি স্টল নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। এসব স্টলে কৃষি ও শিল্পসহ দেশীয় বিভিন্ন পণ্যের পসরা বসানো হবে। এ ছাড়া লায়ন সার্কাস, শিশুদের বিনোদনের জন্য আকর্ষণীয় বিভিন্ন রাইড থাকবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা। মনিপুরী তাঁতশিল্প ও জামদানি-বেনারসি কল্যাণ ফাউন্ডেশনে আব্দুল গাফফার, আমির হোসেন এবং ফজলুল হক জুয়েলও রয়েছেন। মেলায় প্রবেশের জন্য জনপ্রতি ১০ টাকা প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আবদুল মমিন টুলু জানান, বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মেলার স্টলগুলোতে কৃষি, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পসামগ্রী ছাড়াও নানা ধরনের পণ্যের সমাহার ঘটবে। এ ছাড়া মেলায় দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য সার্কাস, বিভিন্ন রাইড ও র্যাফেল ড্র'র ব্যবস্থা থাকবে। মেলায় প্রবেশের জন্য দর্শনার্থীদের অবশ্যই নির্ধারিত মূল্যে টিকিট কিনতে হবে। তবে পাঁচ বছরের কম বয়সীদের প্রবেশে কোনো টিকিট লাগবে না। মেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)
লক্ষ্মীপুরে বাম্পার ফলনেও মুখে হাসি নেই সয়াবিন কৃষকদের
দেশের মোট উৎপাদিত সিংহভাগ সয়াবিন লক্ষ্মীপুর জেলায় হলেও প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যাবস্থা না থাকায় দাম পাচ্ছে না কৃষকরা। ৫৩ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ করা হয় সয়াবিন, উৎপাদিত সয়াবিনের পরিমাণ প্রায় এক লাখ টন, যার বাজার মূল্য প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। অর্থকরি এ ফসলের প্রক্রিয়াজতকরণ কারখানা যদি লক্ষ্মীপুর জেলায় করা যেত তাহলে কৃষকরা যেমন পেত ফসলের ন্যায্য মূল্য, তেমনিভাবে এ পণ্যকে ঘিরে এ জেলায় কর্মসংস্থানের নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি হতো।দেশের পুষ্টি চাহিদার মেটাতে কার্যকর এ কৃষি পণ্যর উৎপাদন ধরে রাখতে প্রয়োজনে সরকারিভাবে প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা করা। যাতে কৃষকরা ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত না হয়।