Saturday, April 2, 2016
‘কৃষি বাজেট কৃষকের বাজেট’র এক যুগ
২০০৫ সালে কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ জাতীয় বাজেটের কৃষিখাতে কৃষকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে শুরু করেন কৃষি বাজেট কৃষকের বাজেট। এ পর্যন্ত দেশের ৪৯টি স্থানে অনুষ্ঠিত হয়েছে এই কার্যক্রম।
এবার ২০১৬-১৭ অর্থবছরকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে পাঁচটি স্থানে ধারণ করা হয়েছে কৃষি বাজেট কৃষকের বাজেট। অনুষ্ঠানটির প্রথম পর্ব চ্যানেল আইতে প্রচার হবে ২ এপ্রিল রাত ৯টা ৫০ মিনিটে হৃদয়ে মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানে।
এ পর্ব ধারণ করা হয়েছে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে। এতে উপস্থিত ছিলেন সরকারের গৃহায়ণ ও পূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন।
রংপুর অঞ্চলে কৃষি সচিবের মাঠ কার্যক্রম পরিদর্শন
মাঠ পর্যায়ে সফরকালে তিনি রংপুর জেলার কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের টমেটো প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ, সরেজমিন কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম বিশেষ করে বিটি বেগুন, বারি মিষ্টি মরিচ ও ভুট্টা গবেষণা কার্যক্রম, মিঠাপুকুর উপজেলার কৃষি পরামর্শ কেন্দ্র, ভার্মি কম্পোষ্ট, তরল জৈব সার ও ইন্টিগ্রেটেড এগ্রিকালচারাল প্রোডাকটিভিটি (আইএপিপি) প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম, তারাগঞ্জ উপজেলার ঘনিরামপুরে সজিনা রোপণ কর্মসূচি ও রিপার দিয়ে গম কর্তন এবং নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে ফাতেমা মাশরুম সেন্টার পরিদর্শন করেন।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবের দু’দিনব্যাপী মাঠ সফরকালে অন্যান্যের মাঝে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও উপকরণ) মো. নাসিরুজ্জামান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. হামিদুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুর অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পরিচালক স.ম. আশরাফ আলী এবং কৃষি তথ্য সার্ভিসের রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক বেতার কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আবু সায়েম উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রংপুর সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে রংপুর অঞ্চলের কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় মাঠ ফসল পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ সময় কৃষি সচিব তার বক্তব্যের শুরুতে কৃষিতে সার্বিক উন্নয়নয়সহ খাদ্যে ভান্ডারে পরিণত রংপুর অঞ্চলের কৃষি সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি সাফল্যের এ ধারাকে অব্যাহত রাখতে উপস্থিত সকলকে আহ্বান জানান। এছাড়া তিনি কৃষি ক্ষেত্রে নারীদের স্বীকৃতি এবং যথাযথ মর্যাদাদানের কথা উল্লেখ করেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান বলেন, এ অঞ্চলে প্রায় ৭৬ হাজার হেক্টর চর এলাকা রয়েছে। চরাঞ্চলে সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত কর্মপ্রয়াসে সফলতার সাথে মিষ্টি কুমড়া, ডাল, তেল ও দানাজাতীয় জাতীয় ফসল আবাদ হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও উপকরণ) মো. নাসিরুজ্জামান বলেন, বোরো আবাদ কমিয়ে আউশ এলাকা বাড়ানো, মাটির সুস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ধৈঞ্চা চাষ এবং কুমড়ার মাছি পোকা জৈবিক উপায়ে দমনে ফেরোমোন ট্রাপ স্থাপনের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রণোদনা কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। তিনি বলেন, এ অঞ্চলের কৃষিকে টিকিয়ে রাখতে হলে ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহার বাড়াতে হবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুর অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পরিচালক স. ম. আশরাফ আলী বলেন, আলু উৎপাদনে রংপুর অঞ্চল গত পাঁচ বছরে বিস্ময়কর সাফল্য দেখিয়েছে। তবে এ সাফল্যকে ধরে রাখতে হলে আলু কেন্দ্রিক কৃষি শিল্প গড়ে তোলার জন্য তিনি আহ্বান জানান।
সূত্রঃ বাসস
বেকার না থেকে কৃষি উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান আনিসুল হকের
ভোলার চরফ্যাশনে কৃষি ব্যাংকের শশীভূষন শাখায় ডাকাতি
ভোলার চরফ্যাশনে কৃষি ব্যাংকের শশীভূষন শাখায় একদল দুবৃত্ত ডাকাতির চেষ্টা করে। এসময় ডাকাতদল ব্যাংকের নৈশ প্রহরী বিল্লাল হোসেন ঝান্টুকে কুপিয়ে আহত জখম করেছে। শশীভূষন বাজারের ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।
শশীভূষন কৃষি ব্যাংকের পিয়ন আঃ হক সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টায় শশীভূষন কৃষি ব্যাংকের পিছনের জানালার গ্রিল ভেঙে মুখোশপড়া একদল ডাকাত ব্যাংকে প্রবেশ করে। এ সময় ব্যাংকে থাকা ঘুমন্ত নৈশ প্রহরী ডাকাতদের দেখে ডাকচিৎকার দিলে তাকে এলোপাথারি কুপিয়ে আহত করে। ঝান্টুর ডাক চিৎকারের এলাকার লোকজন চলে আসলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। এসময় ডাকাতের কোপে গুরুতর আহত ঝান্টুকে বাজারের ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঝান্টুকে বরিশাল শেবাচিমে প্রেরন করা হয়েছে।
চরফ্যাসনের শশীভূষন থানার ওসি আবুল বাশার জানান, তারা খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে যাওয়া আগেই ডাকাতরা পালিয়ে গেছে। তবে ব্যাংকের কোন টাকা বা মালামাল খোয়া যায়নি বলে ব্যাংক ম্যানেজার তাকে জানিয়েছেন।
সূত্রঃ জনকণ্ঠ
নরসিংদীর চরাঞ্চলে বাড়ছে অনাবাদী কৃষি জমির পরিমাণ
সরেজমিন চরাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে, নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নজুড়ে রয়েছে ১৬ শ’ হেক্টর কৃষি জমি। এসব জমিতে ধান, মরিচ, আলু, বাদাম, তিল, ভুট্টা, বাঙ্গি, ওস্তে, কুমড়াসহ বিভিন্ন ফসলের ভালো ফলন হয়। কিন্তু সার, কীটনাশক ও জ্বালানি তেলসহ কৃষি উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। লাভ কম হওয়ায় এই অঞ্চলের কৃষকরা এখন ফসল আবাদ থেকে সরে যাচ্ছেন। এর ফলে পতিত পড়ে আছে চরাঞ্চলের আড়াইশ’ হেক্টর কৃষি জমি। অন্যদিকে কৃষি কাজ ছেড়ে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়ভাবে পাওয়া যাচ্ছে না কৃষি শ্রমিক। পাওয়া গেলেও মজুরি দিতে হচ্ছে বেশি।
বিভ্ন্নি দিক দিয়ে খরচ বেড়ে যাওয়ায় ও অব্যাহত লোকসানের কারণে চাষাবাদ না করায় একইভাবে নরসিংদী জেলার আরও ১১টি চরাঞ্চলীয় ইউনিয়ন বাশঁগাড়ী, মির্জারচর, পাড়াতলী, চাঁনপুর, আলোকবালী, করিমপুর, নজরপুর, শ্রীনগর, চর দীঘলদি, চর মধুয়া ও চর আড়ালিয়ায় প্রতি বছর বাড়ছে অনাবাদী কৃষি জমির পরিমাণ।
রায়পুরা উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের কৃষক মোহর আলী জানান, একজনের দেখাদেখি অন্যজনও জমি পতিত রাখায় মাঠ এখন গো-চারণ ভূমিতে পরিণত হচ্ছে।
একই উপজেলার দড়িগাঁও গ্রামের মো. দুলা মিয়া বলেন, জ্বালানি তেল, সার, কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণের দাম বেশি হওয়ায় এবং চাহিদা অনুযায়ী কৃষি শ্রমিক না পাওয়ায় শত শত বিঘা জমি পতিত পড়ে আছে।
অপর কৃষক রব মিয়া বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবসহ দীর্ঘদিন ধরে লোকসানের কারণে কৃষিকাজে এখন সবাই অনাগ্রহী। আমি চলতি বছর ১০ হাজার টাকা খরচ করে ওস্তে আবাদ করে বিক্রি করেছি মাত্র ৪ হাজার টাকায়। এভাবে লোকসান দিতে দিতে এখন কৃষি কাজের বিকল্প চিন্তা করছি।
নানা কারণে কৃষকদের ফসল আবাদ থেকে সরে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এ কে এম হেমায়েত উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, জমি যাতে পতিত পড়ে না থাকে সেজন্য বিকল্প পদ্ধতির লাভজনক ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এছাড়া সহজ শর্তে কৃষকদের ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করতে পারলে কৃষকরা চাষাবাদে আগ্রহী হবেন।
আসাদুজ্জামান রিপন, নরসিংদী.
যে পাখির বাসার ভারে ভেঙে পড়ে গাছ
ওজন ২ হাজার পাউন্ডেরও বেশি। বাসাটি প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। বাসার উত্তরাধিকার বংশ পরম্পরায় পেয়ে থাকে। মোটা ঘাস, পাখির পালক, বাতাসে ভেসে আসা তুলো, খড়কুটো আর গাছের ডাল দিয়ে নিজেদের বাসা তৈরি করে সোস্যায়েবল ওয়েভার (Sociable weaver)। তবে সমস্যা হলো বাসাটি অক্ষুন্ন থাকলেও অনেক সময় মারা যায় আশ্রয়দাতা গাছটি। এমনকি বাসার ভারে ভেঙেও পড়ে।
আশ্চর্য এই পাখির নাম নাম সোস্যায়েবল ওয়েভার। যা আমাদের দেশের বাবুই পাখির মতো।Â আজব এই পাখির বাস দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে। এই অঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা যেমন প্রচণ্ড বেশি, রাতে তার উল্টো। তাদের এ বাসাই অতিরিক্ত গরম এবং ঠাণ্ডা থেকে সোস্যায়েবল ওয়েভারকে রক্ষা করে। একটি বাসায় একশরর উপরে ছোট ছোট ঘর থাকে। একটি আস্তানায় সাধারনত তিনশ থেকে চারশো পাখি বাস করে। তবে ছোট ছোট কুঠুরিতে আলাদা আলাদা পরিবার বসবাস করে। বাসার মাঝখানে থাকা ঘরগুলো বেশি উষ্ণ। যা রাতের হিমশীতল আবহাওয়া থেকে রক্ষা করে। আর বাইরের ঘরগুলো তুলনামূলকভাবে একটু ঠাণ্ডা। দিনের গরম থেকে রক্ষা পেতে সেই ঘরগুলোতে আশ্রয় নেয় পাখিরা।
- ওয়েবসাইট
পৃথিবীতে গাছের সংখ্যা তিন লাখ কোটি
করে এই তথ্য জানিয়েছেন। পূর্বের ধারণার তুলনায় পৃথিবীতে গাছের সংখ্যা বেশি বলে গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে গবেষকরা ‘ন্যাচার’ পত্রিকাকে জানিয়েছেন, নতুন এই তথ্যের মানে হলো, পৃথিবীতে প্রত্যেকের জন্য অন্তত ৪২০টি গাছ রয়েছে।
তবে গবেষক ড. ক্রোথার বলছেন, এই বিপুল সংখ্যা আসলে বিশাল কোন অর্থ বহন করছে না।
এর ফলে নতুন করে কোনো ভাণ্ডার আবিষ্কার হয়নি। তবে পৃথিবীর কোনো ক্ষতি বা বৃদ্ধি হচ্ছে না। তবে এই তথ্য গবেষক আর নীতিনির্ধারকদের জন্য সহায়ক হবে বলে তিনি মনে করেন। স্যাটেলাইটের ছবি তোলার পর, বেশ কয়েকটি বনের ভিতর প্রবেশ করে কর্মীরা সেখানকার গাছপালা গুনে দেখেন।
এরফলে ছবির সঙ্গে বাস্তবের গাছের সংখ্যা বের করতে তারা সমর্থ হন। পরে এই মডেল ধরেই অন্য বনের গাছ জরিপ করা হয়।
- বিবিসি